Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ২২ আগস্ট ২০১৮ , সময়- ৪:০৩ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
অটলবিহারী বাজপেয়ীর অবস্থা সঙ্কটজনক আলোর গতিতে বাংলার আকাশ ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর নাম গভীর শোক আর শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করলো বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ সরকার গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে - এইচআরডব্লিউ : বিশ্লেষক প্রতিক্রিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিল দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক চক্র : সেলিম জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে : কামরুল নির্বাচনে বিশ্বাস করি, ভোটের লড়াই করে ক্ষমতায় যেতে চাই : মোহাম্মদ নাসিম কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় ৪৮ জন নিহত এখন পর্যন্ত ৪০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু  বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারকে শেষ বিদায় জানালেন বানারীপাড়াবাসী

বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটাক্ষ ঠেকাতে আইন প্রণয়ন সরকারের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত


নিউজ ডেস্ক

আপডেট সময়: ২৪ আগস্ট ২০১৬ ৩:৫০ পিএম:
বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটাক্ষ ঠেকাতে আইন প্রণয়ন সরকারের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি বা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটাক্ষ করলে শাস্তির বিধান রেখে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার। এ নিয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সাম্প্রতিক কটাক্ষের ঘটনায় বিভিন্ন মহল থেকে আইন তৈরির যে দাবি উঠেছে, তা বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে। আইন কমিশন বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।
জানা গেছে, এ নিয়ে আইনের প্রাথমিক খসড়া প্রায় চূড়ান্ত।

গত ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক তুলেছিলেন। তিনি বলেন, 'আজকে বলা হয়, এত লাখ লোক শহীদ হয়েছে। এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ না করে খালেদা জিয়া দাবি করেন, তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে মুক্তিযুদ্ধ হতো না। ইতিমধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে।

এর কয়েক দিন পর জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের 'নির্বোধ' বলে আখ্যায়িত করেন। তখন খালেদা জিয়া ও গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করতে এবং স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি রোধে কঠোর আইন করতেও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিশিষ্টজন, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ পরিবারের সদস্য, বীরাঙ্গনা ও বিভিন্ন সংগঠন।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি যে একটা বড় অপরাধ, নতুন প্রজন্মসহ অন্যদের মধ্যে সেই বোধ তৈরি করতে এই আইনটি দরকার। কেন না, সংবিধান পরিবর্তন করা গেলেও স্বাধীনতার ঘোষণা পরিবর্তন করা যায় না। কিন্তু সেই চেষ্টা যারা করবে, তাদের শাস্তি হতেই হবে।
যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে কথা বলবে, যারা শহীদদের বিরুদ্ধে কথা বলবে, যারা একাত্তরের অত্যাচার-অবিচারকারী, খুনি, গণহত্যাকারীদের পক্ষে কথা বলবে, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত ১৩ ডিসেম্বরের সভায় এ-সংক্রান্ত আইনের খসড়া তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে কটূক্তির অভিযোগে হাইকোর্টের নির্দেশে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচার ও প্রকাশ করছে না গণমাধ্যম। তারেক রহমানের বক্তব্য বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রচার না করার নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে গত বছরের ৭ জানুয়ারি এ আদেশ দেন বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ। 
আদালতের এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছে তথ্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেরিতে হলে বর্তমান সরকারের এরকম একটি আইন প্রণয়ন নিশ্চয়ই সরকারের এটি একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। শুধু আইন প্রণয়নই নয়, যথাযথ প্রয়োগ হলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অাঘাত কিংবা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটাক্ষ করা দুঃসাহস কেউ করতে পারবে না বলেই বিশিষ্ট জনদের অভিমত। 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top