Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ১২:২৪ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণীদের কাঁদিয়ে ‘এবি’ উড়াল দিলেন আকাশে । প্রজন্মকণ্ঠ  কক্সবাজারের টেকনাফে দেশের সবচেয়ে বড় সৌরপ্রকল্প চালু । প্রজন্মকণ্ঠ  জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কিন্তু কেন ?  কক্সবাজারে আত্মসমর্পণ করলেন ৬ দস্যু বাহিনীর ৪৩ সদস্য । প্রজন্মকণ্ঠ শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মায়ের কবরের পাশে চির নিদ্রায় আইয়ুব বাচ্চু  প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সমালোচনা করার কারণেই খাশগজিকে হত্যা করা হয়  জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৮ দফা কর্মসূচি ঘোষণা  দেশের শান্তি ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি রোধে সবার প্রতি আহ্বান : রাষ্ট্রপতি কারিগরি শিক্ষা ও বিজ্ঞান শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের সংবাদ ৭ দিন বর্জনের আহ্বান : সাংবাদিক নারী সমাজ 

এই প্রথম দেশে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডে 'ক্রশফায়ারের' বিচারের উদ্যোগ


অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ১৪ নভেম্বর ২০১৬ ৫:২৭ এএম:
এই প্রথম দেশে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডে 'ক্রশফায়ারের' বিচারের উদ্যোগ

দেশ-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলো বহুদিন যাবত বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক বিচার বহির্ভূত হত্যা কাণ্ডের প্রতিবাদ এবং দোষীদের বিচার দাবি করে আসছে।

উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের কুষ্টিয়া জেলার একটি আদালত এক কৃষককে সন্ত্রাসী বানিয়ে ‘ক্রসফায়ারে হত্যার’ অভিযোগে দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ তিন জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেছে। গত রোববার কৃষক দাউদ হোসেন হত্যা মামলার বিচারিক কাজ শুরু হলে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, এসআই রবিউল ইসলাম ও কনস্টেবল ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারির পরোয়ানা জারি করে আদালত।

এই প্রথম কোন আদালত আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিচারের উদ্যোগ নিল। আদালত সূত্র জানায়, ২০০৭ সালের ১৯শে জানুয়ারি কৃষক দাউদকে বাড়ি থেকে ওই তিন পুলিশ সদস্য ধরে নিয়ে যায়। পরে পুলিশ মোটা অংকের উৎকোচ দাবি করে। দাউদের পরিবার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে পরদিন ২০ জানুয়ারি তাকে ক্রসফায়ারে হত্যা করে পুলিশ। দাউদের স্ত্রীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এ ঘটনায় বিচার বিভাগিয় তদন্ত করে।

রক্ষক যদি ভক্ষক হয়, তাহলে নিরুপায় না হয়ে কিছু করার থাকে না। জনগন বিশ্বাস ও আস্থা রাখতে চায়, রাষ্ট্রীয় আইন ও আইন বিভাগের প্রতি। অপরাধী যেই হোক, তাদের ক্ষমা হতে পারে না


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top