Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ১০:২৯ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
তথ্য প্রযুক্তি খাতে প্রকৃত উন্নয়নের চেয়ে প্রচার বেশি বিএনপি সঙ্গে ঐক্য গড়ে কী পেলেন ড. কামাল, হারালেন পুরোনো ও পরীক্ষিত বন্ধুদের সিএমএইচে ভর্তি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম  ‘#মি টু’ আন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগে বাধ্য হলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী  শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে দুই নারী জঙ্গির আত্মসমর্পণ, অপারেশন সমাপ্তি ঘোষণা বঙ্গবন্ধু শহীদ ছোট ছেলে শেখ রাসেলের ৫৪তম জন্মদিন, আগামীকাল | প্রজন্মকণ্ঠ জাতীয় ঐক্যকে ‘জগাখিচুড়ি’ বললেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের নরসিংদীর মাধবদীতে জঙ্গি আস্তানা নিলুফা ভিলা থেকে দুই জঙ্গির আত্মসমর্পণ  আত্মসমর্পণের আহ্বান : সাড়া দিচ্ছে না 'নিলুফা ভিলা'য় অবস্থানরত জঙ্গিরা, যোগাযোগের চেষ্টা চলছে  বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচকে এক ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ । প্রজন্মকণ্ঠ 

ইজতেমায় বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা 


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ১৫ জানুয়ারী ২০১৭ ৯:০৮ পিএম:
ইজতেমায় বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা 


 

আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। শুক্রবার আমবয়ানের মধ্য দিয়ে টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে শুরু হয়েছিল এই পর্ব। প্রতি বছরের মতো এবারও বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমানের ঢল নামে ইজতেমায়।

পবিত্র হজের পর মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় সমাবেশ এই বিশ্ব ইজতেমা। এ কারণে মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমাবেশ বলে পরিচিত এটি। ইজতেমায় বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়। দেশ-বিদেশের আলেমরা তাদের বয়ানে ইসলামের মর্মবাণী তথা মানবিক আদর্শ ও ভ্রাতৃত্ববোধের দিকগুলো তুলে ধরেন। বিশ্ব ইজতেমায় প্রতি বছর তাবলিগ জামাতের নিবেদিতপ্রাণ কর্মীরা একত্রিত হন। পারস্পরিক ভাব ও ধর্মীয় জ্ঞান বিনিময় করেন। সারা বছরের কর্মপন্থা নির্ধারণ করেন এবং মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে ইসলাম প্রচারের কাজে পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েন। সময়ের পরিক্রমায় বিশ্ব ইজতেমা বর্তমানে আর তাবলিগ কর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ইজতেমা আজ পরিণত হয়েছে সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানের সমাবেশে। তাবলিগ জামাত সম্পর্কে যাদের তেমন ধারণা নেই, এমন অনেকেও ইজতেমায় শরিক হন। প্রার্থনা করেন পরম করুণাময়ের রহমত। স্মরণ করা যেতে পারে, প্রায় অর্ধশত বছর আগে দিল্লির কাছে নিজামউদ্দিন আউলিয়ার (রহ.) মাজারসংলগ্ন মসজিদকে কেন্দ্র করে মাওলানা ইলিয়াস (রহ.) মাত্র কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে শুরু করেছিলেন তাবলিগ বা ইসলাম প্রচারের কাজ। এভাবেই গোড়াপত্তন হয়েছিল তাবলিগ জামাতের। আজ পৃথিবীর প্রায় সর্বত্র এর কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়েছে। ঢাকায় সর্বপ্রথম ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৬ সালে, কাকরাইল মসজিদে। এরপর ১৯৪৮ সালে চট্টগ্রামের হাজী ক্যাম্পে এবং ১৯৫৮ সালে নারায়ণগঞ্জে। অবশ্য এ সমাবেশগুলোকে বিশ্ব ইজতেমা বলা যাবে না। ১৯৬৬ সালে টঙ্গীর পাগার গ্রাম সন্নিহিত মাঠে যে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়, তাতে বিদেশ থেকে তাবলিগ জামাতের অনেক অনুসারী অংশগ্রহণ করেছিলেন। তখন থেকেই এটি বিশ্ব ইজতেমা নামে পরিচিতি লাভ করে। পরবর্তী সময় থেকে নিয়মিত ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে তুরাগ নদীর তীরে।

এবার বিশ্ব ইজতেমার আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় প্রায় সব ব্যবস্থাই নেয়া হয়েছে। ইজতেমা মাঠ ঘিরে নেয়া হয় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, র‌্যাবসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তা রক্ষায় সক্রিয় রয়েছেন। ইজতেমার সার্বিক আয়োজনকে এক কথায় সুষ্ঠু বলা যায়। বিশ্ব ইজতেমা শীত মৌসুমে হওয়ায় অংশগ্রহণকারীদের অনেক কষ্ট স্বীকার করতে হয়। বাংলাদেশে নিয়মিত বিশ্ব ইজতেমা আয়োজনের ফলে ইসলাম ধর্মের অনেক মৌলিক শিক্ষা সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া সম্ভব হচ্ছে। ঈমান, আমল ও ইলম অর্জন এবং আত্মশুদ্ধিতে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশ্ব ইজতেমা সবার জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে এবং মানুষের ভেতর থেকে হিংসা-হানাহানি দূর করে পৃথিবীতে শান্তির অমিয়ধারা প্রবাহিত করবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। বিশ্ব ইজতেমা পৃথিবীতে সৌভ্রাতৃত্ব প্রসারে সহায়ক হোক।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top