Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮ , সময়- ৯:২৩ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
অটলবিহারী বাজপেয়ীর অবস্থা সঙ্কটজনক আলোর গতিতে বাংলার আকাশ ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর নাম গভীর শোক আর শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করলো বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ সরকার গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে - এইচআরডব্লিউ : বিশ্লেষক প্রতিক্রিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিল দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক চক্র : সেলিম জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে : কামরুল নির্বাচনে বিশ্বাস করি, ভোটের লড়াই করে ক্ষমতায় যেতে চাই : মোহাম্মদ নাসিম কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় ৪৮ জন নিহত এখন পর্যন্ত ৪০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু  বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারকে শেষ বিদায় জানালেন বানারীপাড়াবাসী

কয়েকটি ব্যাংকের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের অভিযোগ : বিস্ময় প্রকাশ গভর্নর


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ ১০:২৮ পিএম:
কয়েকটি ব্যাংকের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের অভিযোগ : বিস্ময় প্রকাশ গভর্নর

দেশের সরকারি-বেসরকারি কয়েকটি ব্যাংকের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের অভিযোগ- পাহাড়ের আকার ধারণ করেছে। সেবার মান নিয়ে সরাসরি গ্রাহকদের অভিযোগ শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন গভর্নর ফজলে কবির। তিনি বলেন, এটা উদ্বেগজনক। আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে ‘ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের ২০১৫-২০১৬’ এর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে কয়েকজন গ্রাহকের অভিযোগ শুনে বিস্মিত হন তিনি। তিনি বলেন, গ্রাহকদের কাছ থেকে যে সব অভিযোগ আমরা শুনলাম, তাতে আমার কাছে আশ্চর্য লাগছে, এগুলো কীভাবে হতে পারে ? প্রতিটি অভিযোগ ব্যাংকের দৈনন্দিন কার্যক্রমের সাথে জড়িত। এগুলো কোনো সাধারণ বিষয় নয় যে কেউ ছেড়া টাকা বদলাতে গিয়ে পারেনি। এটা অ্যালার্মিং।

এদিকে গ্রাহকের আস্থা হারালে যে টিকে থাকা কঠিন হবে, অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তা ব্যাংকগুলোকে স্মরণ করিয়ে দেন ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজি হাসান। কোনো ব্যাংকের উপর যদি জনগণের আস্থা কমে যায়। সেই ব্যাংকের টিকে থাকা দুরূহ হয়ে পড়ে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। আজকের অনুষ্ঠানে কয়েকজন গ্রাহক ব্যাংকে নিজেদের হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন। একজন গ্রাহক বলেন, তার ভাই বিদেশ থেকে টাকা পাঠিয়েছেল সে টাকা অন্য কেউ তার ব্যাংক থেকে তুলে নিয়ে যায়। আরেকজন বলেন, এলসি সংক্রান্ত সমস্যাগুলোতে সবক্ষেত্রেই বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপে সমাধান করতে হয়।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত সবচেয়ে বড় সোনালী ব্যাংকেই ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে গ্রাহকরা বেশি হয়রানির শিকার হন। সোনালী ব্যাংক নিয়ে গ্রাহকরা ৫৬৩টি অভিযোগ করেছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বেসরকারি ব্র্যাক ব্যাংক, অভিযোগ ৩৭৩টি। তৃতীয় রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক, অভিযোগ ২৯১টি। এছাড়া ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ২৬৮টি, জনতা ব্যাংকের বিরুদ্ধে ২৩১টি, ডাচ বাংলা ব্যাংকের বিরুদ্ধে ২০৪টি, কৃষি ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১৮৪টি, পূবালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১৩২টি, রূপালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১৩১টি এবং ইস্টার্ন ব্যাংকের বিরুদ্ধে ১২৬টি অভিযোগ পড়েছে গত অর্থবছরে।

২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে বিভিন্ন ব্যাংকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকে ৪ হাজার ৫৩০টি অভিযোগ আসে। এর মধ্যে টেলিফোনে ২ হাজার ৩৮৪টি, লিখিতভাবে ২ হাজার ১৪৬টি অভিযোগ জমা পড়েছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ বেশি, যা মোট অভিযোগের ৫৮.৭০ শতাংশ। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ ২৮.২৮ শতাংশ, বিদেশি ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ ৪.০৬ শতাংশ, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ ৪.৬৬ শতাংশ।

প্রতিবেদনে গ্রাহক হয়রানির চিত্র দেখে গ্রাহকবান্ধব আচরণ করার জন্য সব তফসিলি ব্যাংকগুলোর প্রতি আহ্বান জানান গভর্নর ফজলে কবির। তিনি বলেন, দেশের জনগণ আমাদের বিশ্বাস করে ব্যাংকে টাকা রাখেন। বিশ্বস্ততার সঙ্গে তাদের সেবা দিতে হবে। এই সেবা দিতে গিয়ে যে অভিযোগ ও অসন্তুষ্টি থাকে তা অনাকাঙ্ক্ষিত। গ্রাহকদের সব ধরনের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তা দ্রুত সমাধানে সক্রিয় হতেও ব্যাংকগুলোর প্রতি আহ্বান জানান বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো তদারকির দায়িত্বে থাকা সংস্থার প্রধান ফজলে কবির।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top