Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ৯:৫১ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
যারা বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন তারা বিকল্পধারার কেউ নন : মাহী বি চৌধুরী  আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের স্বাধীনতা এখনও পুরোপুরি অর্জন করতে পারিনি : রাষ্ট্রপ্রতি সর্বত্র মানুষের মঙ্গলের সুযোগ করে দিতে শেখ হাসিনার সরকার কাজ করছে : অর্থমন্ত্রী  সংস্কৃতি অঙ্গনে কালো ছায়া নেমে এলো | প্রজন্মকণ্ঠ চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী আজ | প্রজন্মকণ্ঠ পবিত্র ওমরাহ পালন করেছেন প্রধানমন্ত্রী, দেশবাসীর জন্য দোয়া প্রার্থনা | প্রজন্মকণ্ঠ গিটারের জাদুকরকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভক্তদের কান্না আর ফুলেল শুভেচ্ছা প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে আজ ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা | প্রজন্মকণ্ঠ আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন সংগীত যোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী : ওবায়দুল কাদের বিকল্প ধারার তিন শীর্ষ নেতাকে বহিস্কার করে নতুন কমিটি গঠন

দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে অলস টাকার পরিমাণ ৩ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ১১ মার্চ ২০১৭ ৭:০৯ পিএম:
দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে অলস টাকার পরিমাণ ৩ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা

অর্থমন্ত্রী আবদুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে অলস টাকার পরিমাণ ৩ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা। এই স্থিতির ওপর ব্যাংকগুলো কোনো সুদ প্রাপ্ত হয় না বিধায় এই পরিমাণ অর্থকে অলস অর্থ হিসেবে বিবেচনা করা যায়। যদিও ৫৭টি ব্যাংকের মোট আমানত বিবেচনায় এ অর্থ অস্বাভাবিক নয়।
শনিবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে নুরুন্নবী চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, অলস টাকা কাজে লাগাতে এবং ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ঋণে সুদের হার হ্রাসের মাধ্যমে বিনিয়োগ উৎসাহিত করার জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সরকার দলীয় সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর অপর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ কমে যাওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। বিগত ২০০৯ সালের ডিসেম্বর মাসে ব্যাংকিং খাতে মোট বিনিয়োগ বা ঋণের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৪৬ হাজার ৫০৯ কোটি টাকা। যা ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর ৬ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
তিনি জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট গচ্ছিত নগদ অর্থ হতে ব্যাংক কোনো সুদ প্রাপ্ত হয় না বিধায় সিআরআর’র অতিরিক্ত গচ্ছিত অর্থকে অলস অর্থ হিসেবে অভিহিত করা যায়। বিগত ৩১ ডিসেম্বর ২০০৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট রক্ষিতব্য নগদ জমার অতিরিক্ত অর্থের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৭৬৭ কোটি টাকা। অন্যদিকে ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ সালে এই অতিরিক্ত অর্থের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top