Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ২২ আগস্ট ২০১৮ , সময়- ৪:০৫ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
অটলবিহারী বাজপেয়ীর অবস্থা সঙ্কটজনক আলোর গতিতে বাংলার আকাশ ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর নাম গভীর শোক আর শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করলো বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ সরকার গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে - এইচআরডব্লিউ : বিশ্লেষক প্রতিক্রিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিল দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক চক্র : সেলিম জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে : কামরুল নির্বাচনে বিশ্বাস করি, ভোটের লড়াই করে ক্ষমতায় যেতে চাই : মোহাম্মদ নাসিম কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় ৪৮ জন নিহত এখন পর্যন্ত ৪০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু  বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারকে শেষ বিদায় জানালেন বানারীপাড়াবাসী

দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে অলস টাকার পরিমাণ ৩ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ১১ মার্চ ২০১৭ ৭:০৯ পিএম:
দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে অলস টাকার পরিমাণ ৩ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা

অর্থমন্ত্রী আবদুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে অলস টাকার পরিমাণ ৩ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা। এই স্থিতির ওপর ব্যাংকগুলো কোনো সুদ প্রাপ্ত হয় না বিধায় এই পরিমাণ অর্থকে অলস অর্থ হিসেবে বিবেচনা করা যায়। যদিও ৫৭টি ব্যাংকের মোট আমানত বিবেচনায় এ অর্থ অস্বাভাবিক নয়।
শনিবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে নুরুন্নবী চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, অলস টাকা কাজে লাগাতে এবং ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ঋণে সুদের হার হ্রাসের মাধ্যমে বিনিয়োগ উৎসাহিত করার জন্য সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সরকার দলীয় সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর অপর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ কমে যাওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। বিগত ২০০৯ সালের ডিসেম্বর মাসে ব্যাংকিং খাতে মোট বিনিয়োগ বা ঋণের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৪৬ হাজার ৫০৯ কোটি টাকা। যা ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর ৬ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
তিনি জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট গচ্ছিত নগদ অর্থ হতে ব্যাংক কোনো সুদ প্রাপ্ত হয় না বিধায় সিআরআর’র অতিরিক্ত গচ্ছিত অর্থকে অলস অর্থ হিসেবে অভিহিত করা যায়। বিগত ৩১ ডিসেম্বর ২০০৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট রক্ষিতব্য নগদ জমার অতিরিক্ত অর্থের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৭৬৭ কোটি টাকা। অন্যদিকে ২২ ডিসেম্বর ২০১৬ সালে এই অতিরিক্ত অর্থের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top