Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮ , সময়- ৯:২২ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
অটলবিহারী বাজপেয়ীর অবস্থা সঙ্কটজনক আলোর গতিতে বাংলার আকাশ ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর নাম গভীর শোক আর শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করলো বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ সরকার গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে - এইচআরডব্লিউ : বিশ্লেষক প্রতিক্রিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিল দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক চক্র : সেলিম জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে : কামরুল নির্বাচনে বিশ্বাস করি, ভোটের লড়াই করে ক্ষমতায় যেতে চাই : মোহাম্মদ নাসিম কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় ৪৮ জন নিহত এখন পর্যন্ত ৪০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু  বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারকে শেষ বিদায় জানালেন বানারীপাড়াবাসী

ভবন ভাঙার জন্য আরও এক বছর সময় চেয়েছে বিজিএমইএ  


নিজস্ব সংবাদদাতা

আপডেট সময়: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ৮:০৬ এএম:
ভবন ভাঙার জন্য আরও এক বছর সময় চেয়েছে বিজিএমইএ  

রাজধানীর হাতিরঝিলে বেআইনিভাবে গড়ে তোলা ভবন ভাঙার জন্য আদালতের কাছে আরও এক বছর সময় চেয়েছে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।নতুন ভবন নির্মাণে সময় লাগবে বলে আদালতে সময় চেয়ে এই আবেদন করা হয়েছে। শনিবার (০৯ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে জানান বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।সংবাদ সম্মেলনে বিজেএমইএ সহসভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু এবং মো. নাসির উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে সিদ্দিকুর বলেন, “আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। নতুন ভবন নির্মাণ কাজ শেষ হলেই আমরা চলে যাব। তবে নতুন ভবন সম্পন্ন হতে আরও এক বছর সময় লাগবে। তাই আমরা মহামান্য আদালতের কাছে আরও একটি বছর চেয়েছি। “আমরা আশা করি, সমগ্র অর্থনীতিতে এই শিল্পের অবদান বিবেচনা করে মহামান্য আদালত আমাদের এই আবেদন বিবেচনা করবেন।”

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন না ভাঙার বিষয়ে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, “বিজিএমইএ ৩ হাজার ২০০ কারখানা এবং ৪৪ লাখ শ্রমিকের স্বার্থ নিয়ে কাজ করে। এই বিপুল পরিমান কারখানা ও শ্রমিকের দাপ্তরিক কাজ হয় এই ভবনে।

“বিজিএমইএ মূলত বেসরকারি সংগঠন হলেও অনেকগুলো সরকারি কাজ আমাদের করতে হয়। বিজিএমইএ থেকে সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে ইউডি, ইউপি, মেশিনারি আমদানি প্রত্যায়নপত্র জারি করা হয়ে থাকে। এইসব কাজও বিজিএমইএ এর করতে হয়।”

নতুন ভবন নির্মাণের জন্য রাজধানীর উত্তরার ১৭ নাম্বার সেক্টরে অর্ধেক মূল্যে সাড়ে ৫ বিঘা বিজিএমইএকে বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গত বৃহস্পতিবার টাকা পরিশোধ করে সেই জমির দলিল বুঝে পেয়েছেন বলে জানান সিদ্দিকুর। “আগামী এক বছরের মধ্যে নতুন ভবন তৈরি হবে বলে আমি আশাবাদী। ভবন তৈরি হলেই আমরা চলে যাব। এ কারণে আদালতের কাছে এক বছর সময় চাই।”

আইনি লড়াইয়ে হেরে যাওয়ার পর ১৬ তলা বিজিএমইএ ভবন ভেঙে ফেলতে পোশাক রপ্তানিকারকদের ছয় মাস সময় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। জলাধার আইন ভেঙে নির্মিত ওই ভবন হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করার পর আপিল বিভাগেও ওই রায় বহাল থাকে। বিজিএমইএ ওই রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করলে তাও খারিজ হয়ে যায়। কার্যালয় সরিয়ে নিতে বিজিএমইএ তিন বছর সময় চাইলেও আদালত তাদের ছয় মাসের মধ্যে সে কাজ শেষ করতে বলেছিল। ১১ সেপ্টেম্বর সেই সময়সীমা উত্তীর্ণ হবে। তার আগেই তারা আরও এক বছর সময় চেয়ে আবেদন করল।

১৯৯৮ সালের ২৮ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজিএমইএ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ভবন নির্মাণ শেষ হলে ২০০৬ সালের ৮ অক্টোবর বিজিএমইএ ভবন উদ্বোধন করেন সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এরপর থেকে ভবনটি বিজিএমইএর প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই কারওয়ানবাজার সংলগ্ন বেগুনবাড়ি খালে বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে উল্লেখ করে ২০১০ সালের ২ অক্টোবর একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top