Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ২২ আগস্ট ২০১৮ , সময়- ৭:০৩ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
অটলবিহারী বাজপেয়ীর অবস্থা সঙ্কটজনক আলোর গতিতে বাংলার আকাশ ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর নাম গভীর শোক আর শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করলো বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ সরকার গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে - এইচআরডব্লিউ : বিশ্লেষক প্রতিক্রিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিল দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক চক্র : সেলিম জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে : কামরুল নির্বাচনে বিশ্বাস করি, ভোটের লড়াই করে ক্ষমতায় যেতে চাই : মোহাম্মদ নাসিম কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় ৪৮ জন নিহত এখন পর্যন্ত ৪০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু  বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারকে শেষ বিদায় জানালেন বানারীপাড়াবাসী

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলাম


ইকবাল কবীর মোহন   

আপডেট সময়: ৮ অক্টোবর ২০১৭ ৪:১৫ এএম:
মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলাম

মানবতা তথা মানুষের মর্যাদা সুপ্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে মহানবী (সা.) ছিলেন অনন্য। তখনকার আরব সমাজে মানুষের কোনো মর্যাদা ছিল না। মানুষকে মানুষের দাস হয়ে থাকতে হতো। দাসদের না ছিল কোনো অধিকার, না ছিল কোনো স্বাধীনতা। মনিবের ইচ্ছার ওপরই তাকে বেঁচে থাকতে হতো। এই জঘন্য ও মানবিকতাবিরোধী প্রথা উচ্ছেদ করে দাসদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে গেছেন মহানবী (সা.)। অমানবিক দাসপ্রথা বাতিল করার প্রক্রিয়া হিসেবে তিনি ঘোষণা করলেন, ‘তোমাদের ভাইয়েরাই তো তোমাদের দাস। আল্লাহ তাদের তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন। তাই যার অধীনে দাস হিসেবে তার একটি ছোট ভাই আছে, তার উচিত সে যা খাবে, তাকেও তা-ই খেতে দেবে এবং সে যা পরিধান করবে, তাকেও তা-ই পরতে দেবে। ’

দাসকে ভাইয়ের মর্যাদায় অভিষিক্ত করে নবীজি দুনিয়ার মানুষের সামনে মানবতার এক নবদিগন্ত উন্মোচন করলেন। শুধু কি তা-ই! মহানবী (সা.) দাসদের মর্যাদা উচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আরো বললেন, ‘যোগ্যতার বলে কোনো দাস যদি নেতৃত্ব পায়, তবে তাকেই তোমরা মান্য করবে।


দাস বা অধীনস্থদের ওপর কোনো ধরনের জুলুম নবীজি একটি ঘৃণিত কাজ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে কারা নিকৃষ্ট বলে দেব? যারা একাকী খায়, দাসদের বেত মারে এবং কাউকে কিছু দেয় না। ’

তা ছাড়া তিনি এক ঘোষণায় দাসদের প্রতি খারাপ ব্যবহার আখেরাতের ক্ষতির কারণ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘যে দাসদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’

আজকের দুনিয়ায় কোথায় আছে এই মানবতাবোধ, এই ভ্রাতৃত্ববোধ?

মহানবী (সা.)-এর কাছে সব মানুষ ছিল সমান। তাঁর কাছে আপন-পর বলে কেউ ছিল না। তাই তো তিনি বলেছেন, ‘সব মুসলিম একে অন্যের ভাই। ’

আর ভাই সম্পর্কের কথা আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনেও ঘোষণা করেছেন এভাবে—‘অবশ্য মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই, সুতরাং তোমরা ভাইদের মধ্যে শান্তি স্থাপন করো, যাতে তোমরা রহমত পেতে পারো। ’

মহানবী মুহাম্মদ (সা.) তাঁর ঐতিহাসিক বিদায় হজের ভাষণে সব মানুষের সমান মর্যাদা ঘোষণা করে বৈষম্যের মূলোৎপাটন করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘একমাত্র খোদাভীতি ছাড়া অনারবদের ওপর আরবদের আর আরবদের ওপর অনারবদের কোনো প্রাধান্য নেই। ’

শুধু মুসলমানদের মধ্যে সমতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের কথা বলেই তিনি ক্ষান্ত হননি। সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য তিনি জাতি-ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সবার অধিকার সংরক্ষণ করেছেন। তিনি উদাত্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেছেন—‘অমুসলিমদের জান ও মাল এবং আমাদের জান ও মাল এক ও অভিন্ন। ’

তিনি আরো বলেছেন, ‘যে মুসলমান অমুসলিম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সামান্য জুলুমও করবে, তাঁর বিরুদ্ধে আমি কিয়ামতের দিন আল্লাহর দরবারে অভিযোগ করব। ’

যে নবী সাম্য ও মৈত্রীর এমন বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, সেই নবীর উম্মত মুসলমানরাই আজ বিশ্বের সর্বত্র চরম বৈষম্য ও নিপীড়নের শিকার। অথচ মুসলমানরা নবী (সা.)-এর আদর্শ লঙ্ঘন করে কোথাও অমুসলিম মানুষের ওপর কোনো অত্যাচার-নিপীড়ন করছে এমন নজির নেই। মহানবী (সা.)-এর এই সাম্য ও মৈত্রীর অনুপম আদর্শ অমুসলিম মনীষীদেরও প্রশংসা কুড়িয়েছে। তাঁর প্রবর্তিত সাম্যের আদর্শ সমাজে এনে দিয়েছিল অনাবিল সুখ ও প্রশান্তি। তাই George Barnard Shaw বলেছেন, If a man like Mohammad were to assume the dictatorship of this modern world he could solve the problem in a way that would ultimately brings its much needed peace and happiness. অর্থাৎ মুহাম্মদ (সা.)-এর মতো কোনো ব্যক্তি যদি আধুনিক জগতের একনায়কত্ব গ্রহণ করতেন, তাহলে এমন এক উপায়ে তিনি এর সমস্যা সমাধানে সফল হতেন, যা পৃথিবীতে নিয়ে আসত বহু আকাঙ্ক্ষিত সুখ ও শান্তি।

আজকের দুনিয়ার অমানবিকতার অন্যতম বিষয় হচ্ছে, রাজনৈতিক স্বার্থে অসহায় মানুষ ও নিরীহ মানুষের ওপর অত্যাচার ও নিপীড়ন এবং সেই জাতিগুলোর ওপর দখল প্রতিষ্ঠা। পরাশক্তি ও পশ্চিমা জাতিগুলো তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক হীনস্বার্থ উদ্ধারের জন্য হাজার হাজার অসহায় মানুষকে নির্বিচারে মেরে ফেলতে দ্বিধাবোধ করে না। তারা মানুষের অভাব-অনটন, রোগ-শোক ও দুর্বলতার সুযোগ পুঁজি করে সেসব দেশের নিরস্ত্র ও নিরপরাধ অসংখ্য মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে। এর নজির আমরা দেখতে পাই ইরাক, আফগানিস্তান, কাশ্মীর, বসনিয়া প্রভৃতি দেশে। পরাশক্তিগুলো মানবতা, মানুষের মুক্তি ও স্বাধীনতার কথা বললেও মূলত নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এই সভ্যরূপী জাতিগুলো আর কিছুই জানতে ও বুঝতে চায় না। অথচ আমাদের নবী (সা.) অসহায়, দুর্বল ও পীড়িত মানুষের অধিকার ছাড়া অন্য কিছুই কল্পনা করতে পারেননি। তিনি তাদের প্রতি সর্বদাই ছিলেন সদয় ও মহানুভব। তাই তো নবীজির মুখে শুনি, তোমরা পৃথিবীর অধিবাসীদের প্রতি সদয় হও, তাহলে ঊর্ধ্বলোকের প্রভুও তোমাদের প্রতি সদয় হবেন। আজকের দুনিয়ায় আর্ত-পীড়িত ও অসহায় মানুষের প্রতি যে দরদ ও মানবতাবোধের অভাব, তা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। মানবতার সঙ্গে ন্যায়বিচার ও সাম্য-মৈত্রীর গভীর যোগসূত্র রয়েছে। ন্যায়নীতি না থাকলে সেখানে মানবতাবোধের কোনো অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। এই ন্যায়বিচারের প্রকৃষ্ট উদাহরণ স্থাপন করে গেছেন মহানবী (সা.)। তাঁর ন্যায়বোধ আজও তাঁর শুত্রুদের কাছে বিস্ময়ের ব্যাপার হয়ে রয়েছে।

মহানবী (সা.) তাঁর জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে গেছেন। তাঁর সময় এক মহিলাকে চুরির অভিযোগে মহানবী (সা.) হাত কাটার নির্দেশ দিলেন। লোকেরা নবীজিকে অনুরোধ করল সেই মহিলার শাস্তি কমানোর জন্য। কেননা মহিলাটি ছিল একটি সম্ভ্রান্ত ঘরের মেয়ে। অথচ এই অনুরোধ শুনে নবীজি খুবই মর্মাহত হলেন এবং বললেন, ‘আমার মেয়ে ফাতেমাও যদি এই অভিযোগে অভিযুক্ত হতো, তাহলেও এই শাস্তি থেকে সে রেহাই পেত না। ’

তিনি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পেরেছিলেন বলেই একটি সুন্দর মানবসমাজ উপহার দিতে পেরেছিলেন। মহানবী (সা.)-এর এই আদর্শ তাঁর সাহাবিরাও অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিলেন। ন্যায়বিচারকে ঊর্ধ্বে স্থান দিতে গিয়ে হজরত ওমর (রা.) তাঁর প্রায় অবুঝ মদ্যপ সন্তানকে শাস্তি দিয়েছিলেন। অবশেষে শাস্তি সহ্য করতে না পেরে ওমর (রা.)-এর প্রিয় সন্তান মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছিল।

অমানবিকতার আরেক শিকার আজকের মহিলারা। আজকাল দুনিয়ার তথাকথিত সভ্য জাতির শাসকরা নারীর স্বাধীনতা ও অধিকার নিয়ে খুবই উদ্বেগ প্রকাশ করে থাকেন। বাস্তবে দেখা যায়, তাঁরা নারীদের ইজ্জত, সম্মান ও মর্যাদা এমনভাবে খাটো করছেন যে নারীরা না পাচ্ছে মায়ের মতো পবিত্র মর্যাদা, না পাচ্ছে বোনের মতো ভালোবাসা। গোটা জগতে বিশেষ করে পাশ্চাত্য জগতে নারীরা চরম দুর্দশার শিকার। এমনই এক কঠিন অবস্থা বিরাজ করেছিল তখনকার আরব সমাজেও। সেই সময়ে নারীদের কোনো অধিকার ছিল না। তখন মেয়েদের জীবন্ত কবর দেওয়া হতো। তাদের দাস-দাসীর চেয়েও ছোট করে দেখা হতো। নারীদের দুর্গতি থেকে মহানবী (সা.) তাদের অনেক বড় মর্যাদায় টেনে তুলে আনলেন। পুরুষদের মতো তাদের অধিকারেরও স্বীকৃতি দিলেন। নারী-পুরুষের অধিকারের ব্যাপারে মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনের সুরা তাওবার ৭১ নম্বর আয়াতে ঘোষণা করলেন—‘মুমিন নর ও নারী একে অপরের বন্ধু। ’

নারী ও পুরুষের সমান অধিকার সম্পর্কে কোরআনের সুরা তাওবার ৭২ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুমিন নর ও নারীকে জান্নাতের। ’

মহানবী (সা.) তাঁর জীবনের সর্বদাই নারীদের অধিকার নিশ্চিত করে গেছেন এবং তাদেরও অধিকারের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক করে গেছেন। মহানবী (সা.) মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার সংরক্ষণে যে সমতাপূর্ণ বিধান রেখে গেছেন, তা আজও দুনিয়ার মানুষকে হতবাক করে দেয়। মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের নবী (সা.)-এর মানবতাবোধ ও ন্যায়পূর্ণ আচরণ অবিশ্বাসী মনীষীদেরও আকৃষ্ট না করে পারেনি। তাঁরা ইসলামের বিরোধিতা করেছেন ঠিকই, কিন্তু নবী (সা.)-এর আদর্শের প্রশংসা না করে পারেননি। তাঁরা অকপটে স্বীকার করেছেন মহানবী ও তাঁর আদর্শের শ্রেষ্ঠত্বের কথা। ফরাসি মনীষী আলফ্রেড দ্য লামর্টিন মহানবী (সা.) সম্পর্কে বলেছেন, Philosopher orator, apostle, legislator, warrior, conqueror of ideas, restorer or rational dogmas, of a cult without images, the founder of twenty terrestrial empires and of one spiritual empire, that is Mohammad. As regards all standards, by which human greatness may be measured, we may ask, is there any man greater than he? অর্থাৎ দার্শনিক, বাগ্মী, প্রবর্তক, আইনপ্রণেতা, মতবাদ বিজয়ী, ধর্মমতের এবং প্রতিমাবিহীন উপাসনাপদ্ধতির পুনঃ সংস্থাপক ২০টি পার্থিব সাম্রাজ্যের এবং একটি ধর্মীয় সাম্রাজ্যের সংস্থাপককর্তা মুহাম্মদ! যেসব মাপকাঠির আলোকে মহানবী (সা.)-এর মহত্ত্ব পরিমাপ করা হয়, সেগুলোর প্রতিটি দ্বারা তাঁকে বিবেচনা করা হলে আমরা এ কথা সহজেই জিজ্ঞেস করতে পারি, কোনো মানুষ কি তাঁর অপেক্ষা মহত্তর ছিল?

আজকের জরাজীর্ণ পৃথিবীতে যে অশান্তি, অনাচার, অসাম্য, বিভেদ, হিংসা, হানাহানি, অরাজকতা ও খুনোখুনি চলছে, তা থেকে মানবতাকে বাঁচাতে হলে এবং দুনিয়ার বুকে মানবিকতার বিজয় নিশান ওড়াতে হলে নবী মুহাম্মদ (সা.) প্রবর্তিত আদর্শ অনুসরণ ছাড়া কোনো উপায় নেই। পুঁজিবাদী, সাম্যবাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদসহ পশ্চিমা যাবতীয় মানবরচিত আদর্শ আজকে মানুষকে নিচু স্তরে নামিয়ে দিয়েছে। ক্রমেই আমাদের এই জগৎ ও সভ্যতা মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দুনিয়াব্যাপী মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে হিড়িক পড়েছে, তার মোকাবেলা করার মতো কোনো সমন্বিত আদর্শ কারো কাছেই যে নেই, তা এখন সত্য ও বাস্তব বলে প্রমাণিত হয়েছে। ফলে গোটা দুনিয়ার মানুষের কাছে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসলামের বাণী ও আদর্শ আকর্ষণীয় হয়ে ধরা দিয়েছে। পশ্চিমা জগৎ এবং খোদ আমেরিকা ও ইউরোপের মানুষ ইসলাম ও কোরআনের সংস্পর্শে আসার জন্য তাই ব্যাকুল হয়ে পড়েছে। আর এই স্রোতধারা স্তব্ধ করার জন্যই ইসলামবিরোধী শক্তিগুলোর কাছ থেকে শুরু হয়েছে দমন, পীড়ন ও আগ্রাসন। ইসলাম ও মুসলমানদের নিঃশেষ করে ফেলার জন্য তাই তো জর্জ ডাব্লিউ বুশ শুরু করেছিলেন ক্রুসেড। আর এর জন্য তিনি বেছে নিয়েছিলেন অনৈতিকতা ও অমানবিকতার হিংস্র পথ। যদিও তাদের এই অমানবিকতা ও অসততার বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠেছিল গোটা বিশ্বের মানুষ। আশা করা যায়, নিকট-ভবিষ্যতে এই অমানবিকতার পরাজয় ঘটবে এবং বিজয় হবে মানবিকতার। মানবিকতার জয় মানেই ইসলামের জয়। তবে এই বিজয় ত্বরান্বিত করতে মুসলমানদের আরো বেশি সাহসিকতা ও সহিষ্ণুতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। তাদের অবশ্যই মহানবী (সা.) প্রদর্শিত সুমহান আদর্শ মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে। মহান আল্লাহ মুসলিম মিল্লাতকে এই বাস্তবতা বোঝার এবং সে অনুযায়ী পথ চলার তৌফিক দিন। আমিন।

লেখক : শিশুসাহিত্যিক, কবি, কলামিস্ট ও ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top