Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ , সময়- ৭:১৮ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
২৪ ঘন্টা পর খুলে দেয়া হলো ৫৮টি নিউজ পোর্টাল মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে রিটের রায় আজ  ‘বিএনপির ৯০ ভাগ প্রার্থী দুর্নীতিবাজ এবং সন্ত্রাসী’ : ওমর ফারুক চৌধুরী ভোটের মাঠে লড়বেন ১,৮৪১ জন প্রার্থী, স্বতন্ত্র ৯৬ শেখ হাসিনার হ্যাট্রিক নাকি ক্ষমতায় আসছে বিরোধীরা ? বিশ্লেষণে আন্তর্জাতিক মহল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৎ নেতা হিসাবে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত  ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট উন্নয়নের স্বার্থে হোক, শন্তির পক্ষে হোক’ জামিনে মুক্ত ভিকারুননিসার শিক্ষক হাসনা হেনা ময়মনসিংহ মুক্ত দিবস আজ খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে রিটের আদেশ আগামীকাল 

বাংলাদেশ নাসিং ও মিডওয়াইফারি আইন  সংক্রান্ত তথ্য কনিকা


সংগ্রহে, ওয়াহিদুজ্জামান (খুলনা জেলা সংবাদদাতা)

আপডেট সময়: ২১ অক্টোবর ২০১৭ ১২:৩৯ পিএম:
বাংলাদেশ নাসিং ও মিডওয়াইফারি আইন  সংক্রান্ত তথ্য কনিকা

নাসিং ও মিডওয়াইফারি আইনে নিদিষ্ট করে বলা হয়েছে....

১। (১) এই আইন বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল আইন, ২০১৬ নামে অভিহিত হইবে।

     (২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।

    (৩) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন এই আইনের অধীন নিবন্ধন ব্যতীত কোন নার্স বা, মিডওয়াইফ বা, সহযোগী পেশায় কোন ব্যক্তি নিজেকে নিয়োজিত করিতে, বা নিজেকে নার্স বা, মিডওয়াইফ বা, সহযোগী কোন পেশাজীবী বলিয়া পরিচয় প্রদান করিতে পারিবে না।

২। কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর বিধান লঙ্ঘন করিলে উক্ত লঙ্ঘন হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড, অথবা ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

    (১) কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন নিবন্ধনকৃত কোন নার্স বা মিডওয়াইফ বা সহযোগী পেশার কোন নাম, পদবী, বিবরণ বা প্রতীক এমনভাবে ব্যবহার বা প্রকাশ করিবেন না, যাহার ফলে তাহার কোন অতিরিক্ত পেশাগত যোগ্যতা আছে মর্মে কাহারও মনে হইতে পারে, যদি না উহা কোন স্বীকৃত নার্সিং, মিডওয়াইফারি বা সহায়ক শিক্ষা যোগ্যতা হইয়া থাকে।

    (২) কাউন্সিল অনুমোদিত অন্যূন ৩ (তিন) বৎসরের নার্সিং বা মিডওয়াইফারি ডিপ্লোমা প্রাপ্ত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি নার্স বা মিডওয়াইফ হিসাবে নিজেকে পরিচয় দিতে বা অনুরূপ পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করিতে পারিবেন না।

  (৩) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান লঙ্ঘন করিলে উক্ত লঙ্ঘন হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ড, বা অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত অপরাধ অব্যাহত থাকিলে, প্রত্যেকবার উহার পুনরাবৃত্তির জন্য অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে, উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত হিসাবে, দণ্ডনীয় হইবেন।।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top