Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , সময়- ৫:৩১ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিতর্ক কেন ? বিএনপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | প্রজন্মকণ্ঠ পছন্দের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আবেদন খালেদা জিয়ার | প্রজন্মকণ্ঠ খালেদা জিয়া কারাগারের বাইরে থাকার সময়ও জনগণ তার ডাকে সাড়া দেয়নি : ওবায়দুল কাদের বিএনপি-জামায়াত ক্লিনহার্ট অপারেশন চালিয়ে আ'লীগের অসংখ্য নেতাকর্মীকে নির্যাতনের শিকার করেছিল : প্রধানমন্ত্রী  ধর্মমন্ত্রী ও ভূমিমন্ত্রীর  কড়া সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রিজভীর নেতৃত্বে মিছিল করেছে বিএনপি আ'লীগের প্রতিনিধিদলের উত্তরবঙ্গ সফর শুরু । প্রজন্মকণ্ঠ   বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন : সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার অঙ্গীকার | প্রজন্মকণ্ঠ  সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে মাঠে নামছে স্বাগতিক বাংলাদেশ, আগামীকাল | প্রজন্মকণ্ঠ

বাংলা সাহিত্যের এক দিকপাল কবি জীবনানন্দ দাশের আজ প্রয়ান দিবস


ওয়াহিদুজ্জামান, সংবাদদাতা

আপডেট সময়: ২২ অক্টোবর ২০১৭ ২:৩৯ পিএম:
বাংলা সাহিত্যের এক দিকপাল কবি জীবনানন্দ দাশের আজ প্রয়ান দিবস

বাংলা সাহিত্যকে আধুনিকতার স্পর্শে সমৃদ্ধ করেছিলেন যে সকল কবিরা, তার মধ্যে অন্যতম হলেন কবি জীবনানন্দ দাশ। আজ ২২শে অক্টোবর তার মৃত্যুদিন। ১৮ ফেব্রুয়ারী ১৮৯৯ সালে তিনি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন আর ১৯৫৪ সালের ২২শে অক্টোবর তাঁর মৃত্যু হয়। রবীন্দ্র পরবর্তী আধুনিক বাংলাসাহিত্যের পথিকৃৎকবি হিসাবে তিনি সর্বজন স্বীকৃত। জীবদ্দশায় যদিও তিনি তাঁর প্রাপ্য সম্মান পাননি। মৃত্যুর পরবর্তি তিনি জনপ্রিয়তার শিখরে উঠেছেন। কবি হিসাবে তাকে 'শুদ্ধতম কবি' বলে ও ডাকা হত।

কবি জীবনানন্দ দাশ সারাজীবন দারিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করেই কাটিয়েছিলেন। তাঁর মা কুসুমকুমারী দেবীর প্রভাব ছিল তাঁর কাব্যজীবনে অপরিসীম। তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম 'বর্ষা আবাহন। প্রথম দিকে তিনি জীবনানন্দ দাশগুপ্ত নামে লিখতেন, পরে ১৯২৭ সাল থেকে তিনি জীবনানন্দ দাশ নামে লিখেতে শুরু করেন। তিনি ছিলেন মূলত কবি। তবে তিনি অনেক গল্প ও প্রবন্ধ  রচনা করে বাংলা সাহিত্য প্রতিভার অনন্য সাক্ষর রেখেছেন।। যে গুলি তাঁর মৃত্যু পরবর্তীকালে প্রকাশ পায়। তাঁর মৃত্যুর এক বছর পরই 'শ্রেষ্ঠ কবিতা' সাহিত্য একাডেমী পুরস্কার পায়।
 
ঢাকার ব্রাক্ষ্মসমাজ মন্দিরে রোহিণীকুমার গুপ্তের কন্যা লাবণ্য গুপ্তকে তিনি বিয়ে করেন ১৯৩০ সালে। তাঁর মেয়ের নাম মঞ্জুশ্রী দাশ এবং ছেলের নাম ছিলো সমরানন্দ দাশ।
১৯৫৪ সালের ১৪ই অক্টোবর কলকাতার বালিগঞ্জে এক ট্রাম দুর্ঘটনায় কবি জীবনানন্দ গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভতি'হন। ট্রামের ক্যাচারে আটকে তার শরীর পিষ্ট হয়।ভারতের শম্ভুনাথ পন্ডিত হাসপাতালে ভর্তির পর, সেখানে টানা আটদিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে অবশেষে ২২শে অক্টোবর তিনি জীবনের মায়ার কাছে হার মানেন।

প্রয়াত বাংলাসাহিত্যের বিশেষ কবি জীবনানন্দ দাশের প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা।


 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top