Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ২:৫৬ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
মজুরির নতুন কাঠামো বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা হুজুরকে নিয়ে কটুক্তি দুঃখ জনক : মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিস রংপুর মেডিকেল থেকে থেকে চুরি হওয়ার ৫ দিন পর নবজাতককে উদ্ধার ট্রাম্পের হুমকির জবাবে পাল্টা হুমকি দিয়েছে সৌদি আরব নাটের গুরু ব্যারিস্টার মঈনুল শিশু আইন-২০১৩ সংস্কার কাজ সম্পন্ন, শিগগিরই সংসদে পাস হবে : রাশেদ খান মেনন দুর্গাপূজায় পটকা, আতশবাজি ও মাদক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ : ডিএমপি কমিশনার ভারতে মি-টু আন্দোলনের তীব্রতা ক্রমশ বাড়ছে পদ্মা সেতুর নামফলক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

শান্তির দূত মাদার তেরেসা


ওয়াহিদুজ্জামান, খুলনা সংবাদদাতা 

আপডেট সময়: ২৮ অক্টোবর ২০১৭ ৪:৪৪ পিএম:
শান্তির দূত মাদার তেরেসা

যিনি আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখে সারাবিশ্বের মানুষের হৃদয়ে আজও অমর হয়ে আছেন এবং থাকবেন। তিনি শান্তির দূত মাদার তেরেসা। তার জন্ম আলবেনিয়ায় ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট। মাত্র ৯ বছর বয়সে তাকে পিতৃহারা হতে হয়। 

তেরেসা লরেটো কনভেন্ট স্কুলে শুরু হয় তার শিক্ষা জীবন। পাশাপাশি তিনি তখন একটি হাসপাতালেও কাজ করতেন। এখানেই সর্বপ্রথম দুঃখ ও দারিদ্র্যের সঙ্গে তাকে সংগ্রাম করতে হয়, যা ছিল তার কল্পনারও বাইরে। তিনি শিক্ষিকা হিসেবে ছিলেন অত্যন্ত ভালো এবং সফল।

১৯৩৭ সালের ১৪ মে সিস্টার তেরেসা তার জীবনের গতি পরিবর্তনের চিন্তা করে সন্ন্যাসিনীর জীবন বেছে নিলেন। তখনকার দিনে সন্ন্যাসিনীরা মঠের চার দেয়ালের মধ্যেই আবদ্ধ থাকতেন।

একমাত্র তেরেসা প্রথম মঠের বাইরে ছাত্রছাত্রীদের পড়াতে আরম্ভ করলেন। তাদের মনে বিশ্বাস ছিল, একদিন তারা যথাযথ স্বীকৃতি পাবেন। সীমিত সময়ের মধ্যে তেরেসা ও তার সঙ্গীরা যে বিপুল কাজ করেছেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ কর্মসূচির নমুনা দেখে আর্চবিশপ খুবই খুশি হলেন। মিশনের সংবিধানও গৃহীত হলো ১৯৫০ সালের ৭ অক্টোবর। স্বয়ং পোপ এবং ক্যাথলিক চার্চ মিশনারিজ অব চ্যারিটিকে স্বীকৃতি দিলেন। সিস্টার তেরেসা যিনি একসময় ছিলেন লরেটোর শিক্ষিকা, তারপর প্রধান শিক্ষিকা। পরে তিনিই হলেন মিশনারিজ অব চ্যারিটির প্রতিষ্ঠাতা মাদার তেরেসা।

মাত্র ৫ রুপি সঙ্গে নিয়ে একাকী তিনি যখন রাস্তায় নেমেছিলেন তিনি হয়তো তখন বুঝতেই পারেননি তার এ যাত্রা কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।

মাদার তেরেসা প্রথম পুরস্কার পান ১৯৬২ সালে। ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী উপাধিতে ভূষিত করে। পরে দুস্থ মানবতার সেবায় আত্মোৎসর্গের স্বীকৃতিস্বরূপ মাদার তেরেসা ১৯৭৯ সালে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পুরস্কার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

এ ছাড়া ১৯৭১ সালে পোপ জন শান্তি পুরস্কার, ১৯৭২ সালে জওহরলাল নেহরু এবং ভারতরত্নসহ বিভিন্ন দেশের মোট ৮৪টি পুরস্কার ও সাম্মানিক উপাধিতে ভূষিত হন।

আজ শান্তিপ্রিয় মানুষের দুত মাদার তেরেসার জন্মদিন।এই দিনে তিনি পৃথিবীকে আলোকিত করে জন্মেছিলেন।জীবদ্দশায় তিনি শান্তিকামী মানুষের শান্তির দুত হয়ে সকল শুভ্রতা দিয়ে পৃথিবীকে আলোকিত করেছেন।।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top