Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮ , সময়- ৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
কবি বেলাল চৌধুরীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক সাংবাদিকের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে : ডিএমপি কমিশনার    রানা প্লাজার ধস : ২৪ এপ্রিল শ্রমিক নিরাপত্তা দিবস ঘোষণার দাবি । প্রজন্মকণ্ঠ দেশের অর্থনীতি শিগগিরই ভারত, মেক্সিকো ও তুরস্কের মতো হবে : সজীব ওয়াজেদ  আজ সানরাইর্জাস হায়দরাবাদের মুখোমুখি মুম্বাই ইন্ডিয়ানস । প্রজন্মকণ্ঠ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুক পেজ হ্যাকড, তারেকের পাসপোর্টকে নিয়ে দেয়া পোস্ট উধাও  এবার গ্লোবাল উইমেন’স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী গাজীপুর সিটি :  মেয়র প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ  শেখ হাসিনার ‘সাহসী ও নির্ভীক নেতৃত্বের’ প্রশংসা করেছেন নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনা কবি বেলাল চৌধুরী আর নেই । প্রজন্মকণ্ঠ

রোহিঙ্গা সংকটের দ্বিতীয় ফ্রন্ট আরো বিপজ্জনক


মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মদ আলী শিকদার (অব.)

আপডেট সময়: ৫ নভেম্বর ২০১৭ ১১:৩৭ পিএম:
রোহিঙ্গা সংকটের দ্বিতীয় ফ্রন্ট আরো বিপজ্জনক

অবর্ণনীয় ও সীমাহীন হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, জ্বালাও-পোড়াওয়ের শিকার হয়ে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। কঠিন চ্যালেঞ্জ ও ঝুঁকি মাথার ওপর পড়ছে জেনেও তাদের বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হয়েছে।

লাখ লাখ নারী-শিশুসহ এ রকম অসহায় মানুষকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া বাংলাদেশের কাছে অন্য কোনো বিকল্প ছিল না। মানবিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে রাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মানুষ আশ্রয় প্রদানসহ সব ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। এ রকম অনাবিল হৃদয়স্পর্শী মানবিক ঔদার্যের পরিচয় বিশ্বে বিরল। বাঙালি জনগণের স্বতঃস্ফূর্ততা এককথায় অভূতপূর্ব ও অসাধারণ। কিন্তু সংগত কারণেই প্রায় ১০ লাখ উদ্বাস্তু মানুষের বোঝা দীর্ঘদিন বহন করা বাংলাদেশের জন্য হবে অসহনীয় চ্যালেঞ্জ। তাই এদের যত দ্রুত সম্ভব মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য আন্তর্জাতিক ফ্রন্টে বিরামহীন অক্লান্ত এক যুদ্ধসম পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। প্রথম ফ্রন্টের এই রাজনৈতিক কূটনৈতিক যুদ্ধে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্জন ও অগ্রগতি কম নয়, তবে বাস্তব পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন, জটিল, নির্মম ও হৃদয়হীন।
বৃহৎ শক্তির ভূ-রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও প্রতিযোগিতার কারণেই মূলত এই ফ্রন্টে চূড়ান্ত বিজয় অর্থাৎ রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে সম্ভব হবে বলে কেউ মনে করছে না। এ রকম পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা সংকটের আরেকটি ফ্রন্ট সৃষ্টি হচ্ছে, যা বাংলাদেশের জন্য প্রথম ফ্রন্ট থেকেও আরো বড় বিপজ্জনক চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারে, যার আলামত দিন যত যাচ্ছে ততই স্পষ্ট হচ্ছে।

বিশিষ্ট নাগরিকদের নিয়ে গঠিত গণতদন্ত কমিশন গত ২১ ও ২২ অক্টোবর কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। কমিশনের একজন সদস্য হিসেবে আমিও এই দলের সঙ্গে ছিলাম। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে ভুক্তভোগী রোহিঙ্গাদের জবানবন্দি নির্দিষ্ট ফরমে রেকর্ড করেছেন নিজ হাতে তিনজন আপিল বিভাগের বিচারপতিসহ অন্য সদস্যরা। আমি সমস্ত শিবির এলাকা ঘুরেছি। ছোট-বড়, বয়স্ক, পুরুষ-নারীসহ নির্যাতিত মানুষের কথা শুনেছি। বুঝতে চেষ্টা করেছি কেন তারা বাপ-দাদার ভিটামাটি ছেড়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। উখিয়ার স্থানীয় মানুষের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। এত বিপুলসংখ্যক মানুষের ত্রাণ বিতরণের দায়িত্ব সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে কী করে সম্ভব হচ্ছে, উখিয়ার কলেজ মাঠে অবস্থিত সেনাক্যাম্পে গিয়ে সে কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছি। কক্সবাজারের স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতা ও পুলিশ বাহিনীসহ সাংবাদিকদের সঙ্গে আমাদের মতবিনিময় হয়েছে। তাই দুই দিন রোহিঙ্গা শিবিরে অবস্থানের অভিজ্ঞতার আলোকে কয়েকটি উদ্ঘাটিত তথ্য তুলে ধরি। এক. এবারের ঘটনার শুরুর দিকে বিরাজমান মানসিক বিপর্যয়কর ও ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থা থেকে রোহিঙ্গাদের বের করে আনা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে অবিরাম সমন্বয়ের ফলে উদ্বাস্তুদের সার্বিক ব্যবস্থাপনার মধ্যে একটা শৃঙ্খলা ও স্বস্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দুই. আগত রোহিঙ্গাদের মধ্যে শিশু, যুবক, নারী-পুরুষের শ্রেণিবিন্যাসে দেখা যায় ১৫ থেকে ৩৫ বছরের যুবক ও পুরুষের সংখ্যা স্বাভাবিক থেকে অনেক কম। কেন কম, এ কথা জিজ্ঞাস করে রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে যে উত্তর পেয়েছি তা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি। মনে হয়েছে তারা কারো শেখানো কথা বলছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার রোহিঙ্গাদের মধ্যে বোধ হয় বিশ্বের সর্বোচ্চ হবে। তিন. নাগরিকত্ব ফিরে পাওয়ার নিশ্চয়তা পেলে তারা সবাই ফিরে যেতে ইচ্ছুক। চার. আরাকানের বাইরে মিয়ানমারের অন্যান্য জায়গায় অনেক মুসলমান আছে, যারা সবাই সমান অধিকার ভোগ করছে, তাদের কোনো অসুবিধা নেই। আমি জানতে চেয়েছিলাম রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এত খ্যাপা কেন? তাদের উত্তর ছিল, বার্মিজরা মনে করে এত বিশালসংখ্যক রোহিঙ্গা সম্প্রদায় এক জায়গায় থাকলে একদিন তারা আরাকানকে মিয়ানমার থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে। এটাই বার্মিজদের রাগের বড় কারণ। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এই ধারণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুতর।
১৯৮৪ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত বার্মিজ মূলস্রোতের সঙ্গে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সম্পর্ক কখনো অবিরাম মসৃণ ছিল না, এটা ঐতিহাসিক সত্য। এ রকম জটিল পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর প্রচেষ্টার বিপরীতে কিভাবে আরেকটি বড় সংকটের ফ্রন্ট বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সৃষ্টি হতে চলেছে, সে সম্পর্কে কয়েকটি ঘটনার উল্লেখসহ ছোট করে একটু বর্ণনা দিই। এক. গত সপ্তাহে কক্সবাজারের বালুখালীতে রোহিঙ্গাদের একটা সংঘবদ্ধ দল একজন বাঙালিকে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে। ঘটনার পরম্পরা যা-ই হোক না কেন, এগুলো অশনিসংকেত দেয়। দুই. কক্সবাজারের জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানালেন, কিছুদিন আগে স্থানীয় এক ব্যক্তি তার নিজের পাঁচটি গরু মাঠে এনেছিল। এ সময় এক রোহিঙ্গা যুবক এসে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করে ওই পাঁচটি গরুই তার এবং ওই স্থানীয় বাসিন্দা গরুগুলো জোর করে নিয়ে গেছে। পরে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে রোহিঙ্গা যুবক কর্তৃক ওই অভিযোগটি ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা। স্থানীয়দের ভয়, ভবিষ্যতে গরু-ছাগল বাড়ির বাইরে আনা তাদের জন্য কঠিন হয়ে যাবে। তিন. এটি চট্টগ্রাম শহরের ঘটনা। এবারের সংকটটি শুরু হওয়ার প্রথম দিকে পাঁচ-ছয়জন রোহিঙ্গা যুবক কলিংবেল চেপে হঠাৎ এক বাড়িতে ঢুকে বাড়িতে অবস্থানকারী একমাত্র মহিলার কাছে দুপুরের খাবার দাবি করে। ওই সময়ে রোহিঙ্গাদের দুর্দশা ও খাবারের সমস্যার কথা সবাই জানতেন। তাই মহিলা ভাত-তরকারি রান্না করে তাদের খেতে দেন। খাওয়া শেষ হতেই ওই যুবকরা পকেট থেকে ছুরি বের করে ওই মহিলাকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলে এবং হুমকি দেয় এখন থেকে এ বাড়ি তাদের। বুদ্ধিমান মহিলা দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে বাইরে থেকে তালা মেরে চিৎকার শুরু করলে পাড়া-প্রতিবেশী ও পুলিশ এসে ওই রোহিঙ্গা যুবকদের ধরে নিয়ে যায়। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে এই অল্প কয়েক দিনেই মনে হচ্ছে, তাদের উৎপাত, উচ্ছৃঙ্খলতা ও বেপরোয়া আচরণে স্থানীয়দের জীবন দুর্বিষসহ হয়ে উঠছে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্কুল-কলেজগামী মেয়েদের অভিভাবকরা চিন্তিত, তাঁদের মেয়েরা আগের মতো অবাধে ও নিশ্চিন্তে যখন-তখন উখিয়া-টেকনাফের রাস্তা ও হাটবাজারে যাতায়াত করতে পারবে কি না। উখিয়া ও টেকনাফ, দুই উপজেলায় স্থানীয় লোকসংখ্যা সাড়ে পাঁচ লাখ, আর রোহিঙ্গা হয়ে গেছে প্রায় ১১ লাখ। তাই রোহিঙ্গারা সংঘবদ্ধ সামাজিক অপরাধে জড়িয়ে পড়লে স্থানীয় মানুষের জন্য মহাসংকটের সৃষ্টি করবে। ১৯৭৮ ও ১৯৯১-৯২ সালে আসা অনেক রোহিঙ্গা এরই মধ্যে স্থানীয়ভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত। আগে আসা রোহিঙ্গাদের মধ্য থেকে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশের উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেমা্বরও হয়েছেন। স্থানীয় কিছু স্বার্থান্বেষী, অর্থলোভী প্রভাবশালী মানুষ এবং আগে আসা রোহিঙ্গারা মিলে সিন্ডিকেট তৈরি করে মাদক, মানবপাচার ও অস্ত্র চোরাচালানের মতো ভয়ংকর অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। দেশি-বিদেশি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় গোষ্ঠী দুরভিসন্ধিমূলক উদ্দেশ্য নিয়ে অনেক আগে থেকে বহুমুখী অপতত্পরতায় লিপ্ত আছে। বর্তমান রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর চারদিক খোলা থাকায় অবাধে প্রবেশ ও বের হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এর পূর্ণ সুযোগ নিচ্ছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত উগ্রবাদী ধর্মীয় গোষ্ঠী। জামায়াত, হরকাতুল জিহাদ, হিযবুত তাহ্রীরের কথা বেশি শোনা যায়। এরা নানা ধর্মীয় ছদ্মবেশে লিফলেটসহ বহুমুখী কৌশলে জিহাদিতন্ত্র ছড়াচ্ছে। এ রকম দু-একটি দল চিহ্নিত হওয়ায় তাদের ক্যাম্প থেকে বের করে দেওয়া হয়। কিন্তু অনেকে রোহিঙ্গা ছদ্মবেশে ক্যাম্পের ভেতরে অবস্থান করছে এমন কথাও শুনেছি। স্থানীয় কিছু সিনিয়র সাংবাদিক এটিকে সার্বিক নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি বলে মনে করছেন। জানা যায়, এরা এমন কিছু জায়গা থেকে গোপন সহায়তা পাচ্ছে, যার জন্য এদের বিরুদ্ধে কিছু করার ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনও দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছে। এটি নিয়ন্ত্রণ ও বন্ধ করতে না পারলে যেকোনো সময় বড় ধরনের অঘটন ঘটতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করছেন কেউ কেউ।

বিশ্বের বৃহৎ শক্তিবর্গের ভূ-রাজনীতি ও করপোরেট স্বার্থের দ্বন্দ্ব ও খেলার কাহিনি বড় নির্মম ও নিষ্ঠুর। সেখানে মানবতা শুধুই মুখের বুলি। ইয়েমেন, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, ইরাক, লিবিয়া, আফগানিস্তানের লাখ লাখ মানুষ বছরের পর বছর এবং যুগের পর যুগ ধরে শরণার্থী হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। কিন্তু বৃহৎ শক্তির মন টলছে না, যদিও মাঝেমধ্যে কুমিরের কান্না কাঁদতে দেখা যায়। রোহিঙ্গা সংকটের কারণ খুঁজতে মাটির ওপর থেকে শিকড় ধরে গভীরে যেতে থাকলে দেখা যাবে, এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ঘিরে দুই পরাশক্তি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বিস্তারের প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগকে কাজে লাগিয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। তা না হলে এত বড় গণহত্যা চালাতে তারা সাহস পেত না। তাই এই রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুতদের বাংলাদেশের ভূমিতে দীর্ঘদিন রাখতে হবে—এটা ধরেই সব পরিকল্পনা করা উচিত। বিদেশি শক্তির প্ররোচনা, স্থানীয়ভাবে রোহিঙ্গাদের জনপ্রতিনিধি হয়ে ওঠা, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ধর্মীয় উগ্রবাদীদের অপতত্পরতা; বাস্তুচ্যুত হলেও জনসংখ্যার হিসাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা—সব কিছু মিলে যে চিত্রটি ক্রমান্বয়ে সামনে আসছে তা আমাদের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দেখা দিতে পারে। সুতরাং বহুমুখী আশঙ্কা সংকটে রূপ নেওয়ার আগেই যত দ্রুত সম্ভব সব রোহিঙ্গাকে নির্দিষ্ট শিবিরে স্থানান্তর এবং সেখানে অত্যন্ত কঠোর ও শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করা প্রয়োজন, যাতে দুরভিসন্ধিমূলক তত্পরতায় লিপ্ত গোষ্ঠী যেন বাংলাদেশের জন্য আরেকটি বিপজ্জনক ফ্রন্ট সৃষ্টি করতে না পারে।

লেখক : কলামিস্ট ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক

sikder52@gmail.com


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top