Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ , সময়- ২:৩৭ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে রিটের আদেশ আগামীকাল  মনোনয়নপত্র ফিরে পাচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন শেখ হাসিনা, ১২ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য ২০১৫ থেকে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ২০৩০ প্রধান নির্বাচন কমিশনাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল ভোট প্রচারণায় সোহেল তাজের ছেলে ব্যারিস্টার তুরাজ  মহাজোটের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা । প্রজন্মকণ্ঠ  আওয়ামী লীগ শাসনামলে বাংলাদেশের উন্নয়ন চিত্র দেশের ৫৮টি নিউজ পোর্টালের ওয়েবসাইট বন্ধের নির্দেশ দিলো বিটিআরসি

সারের ব্যবহার বাড়াতে মিশ্র সার কারখানা করছে এসিআই ফার্টিলাইজার


নিজস্ব প্রতিনিধি

আপডেট সময়: ১৭ নভেম্বর ২০১৭ ১:১৮ পিএম:
সারের ব্যবহার বাড়াতে মিশ্র সার কারখানা করছে এসিআই ফার্টিলাইজার

জমির উর্বরা শক্তি ধরে রাখতে নাইট্রোজেন ও জৈব উপাদানের পাশাপাশি ফসফরাস, পটাশিয়াম, সালফার, জিংক, বোরন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম থাকতে হবে প্রয়োজনীয় মাত্রায়। কিন্তু দেশের সিংহভাগ জমিতেই নেই এসব জৈব উপাদান।

জমিতে ভারসাম্যপূর্ণ সারের ব্যবহার বাড়াতে এনপিকেএস বা মিশ্র সার কারখানা করছে এসিআই ফার্টিলাইজার। এ কারখানায় বছরে উৎপাদন হবে প্রায় ৬০ হাজার টন সার। গাজীপুরের মাওনায় স্থাপিত কারখানাটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হচ্ছে আজ।

এ বিষয়ে এসিআই এগ্রিবিজনেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ফা হ আনসারী বণিক বার্তাকে বলেন, বাড়তি চাহিদার কারণে কৃষকরা এখন জমিতে উৎপাদন বাড়ানোয় মনোযোগী হচ্ছেন। কিন্তু জমিকে যে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান দিতে হবে, সেদিকে খুব বেশি নজর দেয়া হচ্ছে না। ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি মাটির গুণাগুণ ধরে রাখা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ হিসেবেই সার কারখানায় বিনিয়োগ করেছে এসিআই।

কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে প্রতি বছর গড়ে ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া সারের চাহিদা প্রায় ৪৫-৪৯ লাখ টন। এর মধ্যে ইউরিয়ার চাহিদা ২৫-২৬ লাখ টন। এছাড়া টিএসপির চাহিদা ৭-৮ লাখ টন, এমওপির ৬-৭ লাখ ও ডিএপির ৭-৮ লাখ টন। তবে সারের ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহার না হওয়ার কারণে জমির উর্বরা শক্তি ও গুণাগুণ নষ্ট হচ্ছে। দেশের আবাদযোগ্য মোট জমির প্রায় ৮৫ শতাংশের উর্বরা শক্তি কমে গেছে। দেশের চাষযোগ্য কোনো জমিতে প্রয়োজনীয় মাত্রায় নাইট্রোজেন নেই। এছাড়া জৈব পদার্থের অভাব রয়েছে, এমন জমির পরিমাণও ৩৮ শতাংশ ছাড়িয়েছে। একসময় মিশ্র সারের চাহিদা দেড়-দুই লাখ টন থাকলেও এখন তা কমে এসেছে। তবে নতুন কারখানায় উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষকদের মধ্যে মিশ্র সার ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন এসিআই ফার্টিলাইজারের বিজনেস ডিরেক্টর কৃষিবিদ বশির আহমেদ।

তিনি বলেন, কৃষক এখন ধান ছাড়াও বহুমুখী শস্য আবাদে ঝুঁকছেন। জমিতে বাড়তি উৎপাদনে জোর দিতে গিয়ে মাত্রাতিরিক্ত সার ব্যবহারের ফলে মাটির গুণাগুণ নষ্ট করছেন। মিশ্র সার ব্যবহারে পরিবেশের ভারসাম্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদন খরচ কমবে।

ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বিএফএ) তথ্যমতে, দেশে সর্বপ্রথম নাফকো লিমিটেড চালু করলেও পরবর্তীতে আফতাব গ্রুপ ও সাউথ বেঙ্গল ফার্টিলাইজার মিলস বাজারে মিশ্র সারের বিপণন শুরু করে। বিপণনে এ তিনটি প্রতিষ্ঠানই এগিয়ে রয়েছে। একসময় ৫৬টি প্রতিষ্ঠান এনপিকেএস সার সরবরাহের অনুমতি গ্রহণ করে। কিন্তু নয়টি প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাকিগুলো বাধ্যতামূলক অটোমেশনে যেতে পারেনি। সরকার নির্ধারিত মান অনুযায়ী, মিশ্র সার (এনপিকেএস) প্রস্তুতে ফসফরাসের পরিমাণ ২০ শতাংশ, পটাশিয়াম ১৪, নাইট্রোজেন ৮ ও সালফারের পরিমাণ ৬ শতাংশ থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top