Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৬:৪৬ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
নির্বাচনকালীন সম্ভাব্য নাশকতা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার  একজন শিশুকে পিইসি পরীক্ষার জন্য যেভাবে পরিশ্রম করতে হয়, সত্যিই অমানবিক : সমাজকল্যাণমন্ত্রী নির্বাচনকে সামনে রেখে আদর্শগত নয়, কৌশলগত জোট করছে আওয়ামী লীগ : সাধারণ সম্পাদক থার্টিফার্স্ট উদযাপন নিষিদ্ধ : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে পেশাদারিত্ব বজায় রাখবে সেনাবাহিনী  মহাজোটের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে যাওয়ার শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসছে  প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু আজ  ভোট পর্যবেক্ষণের জন্য আবেদন শেষ তারিখ ২১ নভেম্বর  আ'লীগ যত রকম ১০ নম্বরি করার করুক, ভোট দেবো, ভোটে থাকব : ড. কামাল হোসেন মহাজোটের আসন বণ্টনের আলোচনা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিকট চিঠি  

অস্ত্রোপচারের ২৩ ঘণ্টা পর পরীক্ষার হলে মা


জাহিদুল ইসলাম, সখীপুর(টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

আপডেট সময়: ৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ১০:১৪ এএম:
অস্ত্রোপচারের ২৩ ঘণ্টা পর পরীক্ষার হলে মা

অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেওয়ার ২৩ ঘণ্টা পর পরীক্ষা দিলেন এক মা। তাঁর নাম নুসরাত জাহান। তিনি টাঙ্গাইলে সরকারি মুজিব কলেজের শিক্ষার্থী। তাঁর পরীক্ষাকেন্দ্র সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজ। আজ (০৪ ডিসেম্বর) ছিল তাঁর স্নাতক (পাস) চূড়ান্ত পরীক্ষার অর্থনীতির তৃতীয় পত্রের পরীক্ষা। কলেজ সূত্রে জানা যায়, নুসরাত সন্তান জন্ম দেওয়ার ২৩ ঘণ্টা পরই পরীক্ষায় অংশ নিতে চলে আসেন। সাড়ে তিন ঘণ্টার পরীক্ষায় তিনি অন্য পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে বেঞ্চে বসেই পরীক্ষা দিয়েছেন। ওই কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক শরীফুল ইসলাম জানান, ওই পরীক্ষার্থী সোয়া চারটায় পরীক্ষার হল ত্যাগ করে অটোরিকশায় করে আবার হাসপাতালে চলে যান।

নুসরাত জাহানের স্বামী সাইফুল ইসলাম জানান, আল্ট্রাসনোগ্রামের প্রতিবেদন অনুযায়ী আরও এক সপ্তাহ পরে তাঁর সন্তান জন্ম দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গতকাল রোববার বেলা ১১টার দিকে প্রসববেদনা শুরু হলে তাঁকে সখীপুরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। পরে বেলা দুইটার দিকে নুসরাত কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। এর আগে সব কটি পরীক্ষা দিলেও আজকের পরীক্ষা না দিতে তাঁকে অনুরোধ করলেও তিনি তা মানেননি। পরীক্ষা শেষে বেরিয়ে নুসরাত বলেন, ‘কষ্ট হয়েছে, তারপরও পরীক্ষা দিয়েছি। প্রশ্ন কমন ছিল। ৯০ ভাগ উত্তর করেছি।’ অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক আবদুস সাত্তার বলেন, মেয়েটি খুব সাহসী। আর আমাদের দেশের মেয়েরা যেকোনো বাধা ডিঙিয়ে এগিয়ে যেতে পারেন, নুসরাত তা প্রমাণ করলেন। সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্রে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেনুবর রহমান বলেন, ওই ছাত্রীকে আলাদা কক্ষে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হলেও মেয়েটি স্বাভাবিকভাবে অন্যদের সঙ্গে হলের বেঞ্চে বসেই পরীক্ষা দিয়েছে।
 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top