Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ১২:১১ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণীদের কাঁদিয়ে ‘এবি’ উড়াল দিলেন আকাশে । প্রজন্মকণ্ঠ  কক্সবাজারের টেকনাফে দেশের সবচেয়ে বড় সৌরপ্রকল্প চালু । প্রজন্মকণ্ঠ  জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কিন্তু কেন ?  কক্সবাজারে আত্মসমর্পণ করলেন ৬ দস্যু বাহিনীর ৪৩ সদস্য । প্রজন্মকণ্ঠ শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মায়ের কবরের পাশে চির নিদ্রায় আইয়ুব বাচ্চু  প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সমালোচনা করার কারণেই খাশগজিকে হত্যা করা হয়  জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৮ দফা কর্মসূচি ঘোষণা  দেশের শান্তি ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি রোধে সবার প্রতি আহ্বান : রাষ্ট্রপতি কারিগরি শিক্ষা ও বিজ্ঞান শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের সংবাদ ৭ দিন বর্জনের আহ্বান : সাংবাদিক নারী সমাজ 

ঠেঙ্গারচরে রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত বিতর্কিত


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ৪:১২ পিএম:
ঠেঙ্গারচরে রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত বিতর্কিত

নিম্নভূমির দ্বীপ ঠেঙ্গারচরে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে এরই মধ্যে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ২০১৯ সালের নভেম্বরের মধ্যে বঙ্গোপসাগরের পেটে প্রত্যন্ত, বন্যাপ্রবণ এই দ্বীপে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গাকে পুনর্বাসন করা হবে। এতে খরচ ধরা হয়েছে ২৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার। তবে এ পরিকল্পনার সমালোচনা করেছে মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। তারা এ পরিকল্পনা বাদ দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

বলেছে, এ পরিকল্পনামতে অগ্রসর হলে তা হবে ভয়াবহ এক ভুল। এ খবর দিয়েছে অনলাইন সিএনএন। ‘বাংলাদেশ মুভস অ্যাহেড উইথ প্লান টু রিলোকেট ১০০০০০ রোহিঙ্গা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব কথা লিখেছেন সাংবাদিক যশুয়া বারলিঙ্গার ও সুগম পোখারেল। 

এতে বলা হয়, ২৫ শে আগস্ট রাখাইনে সহিংসতা নতুন করে শুরুর পর জীবন বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন ৬ লাখ ২৬ হাজার রোহিঙ্গা। এর বেশির ভাগই মুসলিম। আগে থেকেই বাংলাদেশে ছিল ৩ লাখ রোহিঙ্গা। তাদের সঙ্গে এসে যোগ হয়েছে নতুনরা। 

তারা বলেছেন, মিয়ানমারের উত্তর রাখাইনে তাদের ওপর সেনাবাহিনী অকথ্য নির্যাতন চালিয়েছে। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে সেনারা। তারা বলেছে, তাদের অভিযান শুধু সন্ত্রাসীদের টার্গেট করে। কিন্তু জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন সহ অনেক সংস্থা ও দেশ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চালানো নৃশংসতাকে জাতি নিধন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। 

মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান জায়েদ রাদ আল হোসেন বিশেষ এক অধিবেশসে বলেছেন, মিয়ানমারে গণহত্যার বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া যায় না। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে আন্তর্জাতিক মহল। কিন্তু তাদেরকে ঠেঙ্গারচরে পুনর্বাসনের পরিকল্পনায় সমালোচনা দেখা দিয়েছে। 

অ্যামনেস্টি বলেছে, গত তিন মাসে ৬ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার জন্য নিজেদের দরজা খুলে দিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু এখন তাদের নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলে দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অর্জিত সুনামকে খর্ব করতে চলেছে বাংলাদেশ। এমন মন্তব্য করেছেন অ্যামনেস্টির দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক পরিচালক বিরাজ পাটনায়েক। 

উল্লেখ্য, মূল ভূখ- থেকে ৩৭ মাইলেরও বেশি দূরে সমুদ্রের মাছে প্রায় ৭৪০০০ একরের দ্বীপ ঠেঙ্গারচর। সরকারিভাবে এটি জনমানবহীন একটি দ্বীপ। বর্ষা মৌসুমে বেশির ভাগ অংশ পানিতে ডুবে থাকে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গ্রুপগুলোর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী এ বিষয়ে একটি গবেষণা (স্টাডি) চালিয়েছে। তাতে দেখা গেছে, ভূমি সংস্কার করে এবং তীরেরক্ষায় কাজ করার মাধ্যমে এই দ্বীপটিকে বাসযোগ্য করা যেতে পারে। তাই সরকার সেখানে ১৫০০ ব্যারাক হাউজ ও ১২০টি আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। বাংলাদেশের পরিকল্পনা বিষয়ক মন্ত্রী মুস্তাফা কামাল বলেছেন, যদিও জোয়ারের সময় এ দ্বীপটি প্লাবিত হয় তবু ভূমি উন্নয়নের মাধ্যমে, তীররক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণযোগ্য। একই পদ্ধতিতে বিশ্বের বহু দেশ এভাবে সমুদ্রে ভূমি শাসন করেছে।

 

সুত্রঃ মানবজমিন


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top