Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮ , সময়- ১:১৯ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
অটলবিহারী বাজপেয়ীর অবস্থা সঙ্কটজনক আলোর গতিতে বাংলার আকাশ ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর নাম গভীর শোক আর শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করলো বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ সরকার গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে - এইচআরডব্লিউ : বিশ্লেষক প্রতিক্রিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিল দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক চক্র : সেলিম জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে : কামরুল নির্বাচনে বিশ্বাস করি, ভোটের লড়াই করে ক্ষমতায় যেতে চাই : মোহাম্মদ নাসিম কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় ৪৮ জন নিহত এখন পর্যন্ত ৪০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু  বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারকে শেষ বিদায় জানালেন বানারীপাড়াবাসী

হরিপুরের বাঁশ মালিদের যুগ যুগ ধরে জীবন সংগ্রাম


জে.ইতি হরিপুর, ঠাকুরগাও প্রতিনিধি

আপডেট সময়: ৭ ডিসেম্বর ২০১৭ ৩:৫৪ পিএম:
হরিপুরের বাঁশ মালিদের যুগ যুগ ধরে জীবন সংগ্রাম

ঠাকুরগাওয়ের হরিপুর উপজেলার বাঁশমালি সম্প্রদায়ের মানুষরা বাঁশের পণ্যসামগ্রী তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। বংশ পরস্পমরায় এ সম্প্রদায়ের শিশু থেকে বৃদ্ধারা প্রত্যেকেই বাঁশের পণ্য তৈরির কাজ করেন। উপজেলার কাঠালডাঙ্গী হারিপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির আঙ্গিনায় পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও বাঁশের পণ্য তৈরির কাজ করছেন। তৈরি করছেন চাটাই, কুলা, পাখা, ডালি, খাঁচি, খেলনা ভাঁড়সহ নানান পণ্যসামগ্রী। এগুলো বিক্রি করে যা আয় হয় তা দিয়েই চলে বাঁশমালিদের সংসার। একই চিত্র দেখা যায় উপজেলার পতনডোবা, খোলড়া গ্রামের সকালে বাঁশ সংগ্রহের মধ্যদিয়ে কাজ শুরু করেন। 

বাঁশমালির বতরিস বলেন, সকালে বাঁশ কেটে ফালি করে রোদে শুকানো পর স্ত্রীকে নিয়ে সানাদিন ডালি, খাঁচি ও কুলা তৈরি করি। স্কুল শেষে ছেলে-মেয়েরাও আমাদের কাজে সহযোগীতা করেন। ঝেলঝেলি রানী জানান, আগে সহজে বাঁশ সংগ্রহ করা যেত। এখন বাঁশের সংকট হওয়ায় দাম বেড়েছে। তাই লাভ খুব কম হচ্ছে। ধান ও গম মাড়াইয়ের মৌসুমে বাঁশের তৈরি কুলা, ডালি এসব পণ্যের চাহিদা বলে জানান রবি, মঙ্গলু। তিনি আরো বলেন, পরিবারের সবাই মিলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বাঁশের জিনিস তৈরি করি। আর হাটের দিন এইসব পণ্য বিক্রি করি।

সরকারি ভাবে যদি কোনো সাহায্য বা আর্থিক ঋণ দেওয়া হয় তাহলে অনেক পণ্য তৈরি ও বিক্রি করে আমরা বাঁশমালিরা স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারবো। পণ্য তৈরিতে যদি খরচ হয় ৫০০ টাকা এতে লাভ হয় মাত্র ১০০ টাকা। তা দিয়ে কোনমত সংসারের খরচ চলে। এমনটাই জানান বিশু, নরেশ মিঠু।

একাধিক বাঁশমালি অভিযোগ করে বলেন, বাঁশ কারিগরদের প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের তৈরি পণ্য বাজারজাতকরণ। বর্তমানে তাদের তৈরি পণ্য বাজারজাত করতে স্থানীয় পাইকার সৃষ্টি হয়েছে। আর তাদের কাছে এই বাঁশের শিল্পীরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। এই স্থানীয় পাইকারদের কাছ থেকে আগাম টাকা নিয়ে বাঁশ শিল্পীরা বাঁশ সংগ্রহ করে পণ্য তৈরি করেন। ফলে কম দামে পাইকারার তাদের কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করে বিভিন্ন হাটে বাজারে বিক্রি করেন। যুগের পর যুগ এই বাঁশ শিল্পীদের ভাগ্যের পরিবর্তন না হলও তাদের এই শ্রম ও শৈল্পিক কাজের পুরো মুনাফাটা লুটে নিয়েছে মধ্যসত্ত্বভোগী পাইতার গোষ্ঠী।


 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top