Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭ , সময়- ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
Total Visitor:
শিরোনাম
আগামীকাল ফ্রান্সে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন হলো শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্কের, কর্মসংস্থান ২০ হাজার তরুণের ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতেই গুম খুনের পথ বেছে নিয়েছে সরকার রংপুর সিটি নির্বাচনে জয়ের অনেকটাই আশাবাদী আ.লীগ  ওআইসির সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি যে কেউ জোট গঠন করতে পারে তবে এটিকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছি না :  এরশাদ মানুষের ওপর চেপে বসেছে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বোঝা  লুটপাট, মানি লন্ডারিং, দুর্নীতি, ঘুষ, অত্যাচার, নির্যাতন ছিল বিএনপির কাজ : প্রধানমন্ত্রী ইবির 'সি' ও 'জি' ইউনিট নিয়ে পৃথক তদন্ত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সপ্তাহব্যাপী বিজয় উৎসবের অনুষ্ঠান শুরু

রাষ্ট্রপতির ভাষণের খসড়া অনুমোদন


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ৭ ডিসেম্বর ২০১৭ ৬:০৫ পিএম:
রাষ্ট্রপতির ভাষণের খসড়া  অনুমোদন

দশম জাতীয় সংসদে আগামী বছর প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণকে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। দেশের অর্থনীতির চিত্র, সরকারের সাফল্য, ডিজিটাল কর্মসূচির বাস্তবায়নসহ নয়টি বিষয় উল্লেখ করে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি।

আজ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ওই ভাষণের অনুমোদন দেওয়া হয়। বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর আড়াইটার দিকে সচিবালয়ে বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

ইংরেজি নতুন বছরের শুরুতে দশম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। এই অধিবেশনের মূল আর্কষণ রাষ্ট্রপতির ভাষণ। প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনই তিনি ভাষণ দেবেন। এই ভাষণের খসড়া আজ মন্ত্রিসভায় প্রথম এজেন্ডা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। 

শফিউল আলম জানান, প্রতিবছর প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেন। পূর্ণাঙ্গ ভাষণের একটি সংক্ষিপ্ত রূপও থাকে। সংসদে সংক্ষিপ্ত রূপটিই রাষ্ট্রপতি উপস্থাপন করেন। দুটি রূপের খসড়াই অনুমোদন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির খসড়া ভাষণে মূলত পুরো এক বছরের অর্থনৈতিক, সামাজিক উন্নয়নের বিষয়গুলো প্রতিফলিত হতে পারে। এ ছাড়া বাংলাদেশ এখন কোন উন্নতির শিখরে পৌঁছেছে তার বেশ কিছু দৃষ্টান্ত থাকতে পারে। বিশেষ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোতে যেভাবে মর্যাদা পেল সে বিষয়টি রাষ্ট্রপতির ভাষণে গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরো জানান, রাষ্ট্রপতির পূর্ণাঙ্গ ভাষণটি ৭২ হাজার ৩৮৬ শব্দের। সংক্ষিপ্ত রূপটি সাত হাজার ৭৫৭ শব্দের। এতে তিনি নয়টি বিষয়ের অবতারণা করবেন। এর মধ্যে আছে দেশের অর্থনীতির চিত্র, সরকারের সাফল্য, রূপকল্প বাস্তবায়নে অগ্রগতি, ডিজিটাল কর্মসূচির বাস্তবায়ন, সামাজিক ও নিরাপত্তাবেষ্টনী, দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের অগ্রগতি।

এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয় ওই বৈঠকে।

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা (ইউনেসকো) বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে শীতল পাটিকে স্বীকৃতি দেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানানো হয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে।

জানা গেছে, মোট ৬টি এজেন্ডার মধ্যে ৫টি হচ্ছে মন্ত্রিসভাকে অবহিতকরণ। প্রচলিত নিয়মে কোনো মন্ত্রী রাষ্ট্রীয় কাজে দেশের বাইরে গেলে পরবর্তী সময়ে তা মন্ত্রিসভাকে অবহিত করতে হয়। অবহিতকরণের ক্ষেত্রে অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও নৌপরিবহন মন্ত্রী রয়েছেন বলে জানা গেছে। আজকের বৈঠকে সব মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সব মন্ত্রণালয়-বিভাগের সচিবরা উপস্থিত থাকবেন। কারণ, প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বিষয় রাষ্ট্রপতির খসড়া ভাষণে কিছু না কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

দশম জাতীয় সংসদে আগামী বছর প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণকে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। দেশের অর্থনীতির চিত্র, সরকারের সাফল্য, ডিজিটাল কর্মসূচির বাস্তবায়নসহ নয়টি বিষয় উল্লেখ করে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি।

আজ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ওই ভাষণের অনুমোদন দেওয়া হয়। বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর আড়াইটার দিকে সচিবালয়ে বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

ইংরেজি নতুন বছরের শুরুতে দশম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। এই অধিবেশনের মূল আর্কষণ রাষ্ট্রপতির ভাষণ। প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনই তিনি ভাষণ দেবেন। এই ভাষণের খসড়া আজ মন্ত্রিসভায় প্রথম এজেন্ডা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। 

শফিউল আলম জানান, প্রতিবছর প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেন। পূর্ণাঙ্গ ভাষণের একটি সংক্ষিপ্ত রূপও থাকে। সংসদে সংক্ষিপ্ত রূপটিই রাষ্ট্রপতি উপস্থাপন করেন। দুটি রূপের খসড়াই অনুমোদন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির খসড়া ভাষণে মূলত পুরো এক বছরের অর্থনৈতিক, সামাজিক উন্নয়নের বিষয়গুলো প্রতিফলিত হতে পারে। এ ছাড়া বাংলাদেশ এখন কোন উন্নতির শিখরে পৌঁছেছে তার বেশ কিছু দৃষ্টান্ত থাকতে পারে। বিশেষ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোতে যেভাবে মর্যাদা পেল সে বিষয়টি রাষ্ট্রপতির ভাষণে গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরো জানান, রাষ্ট্রপতির পূর্ণাঙ্গ ভাষণটি ৭২ হাজার ৩৮৬ শব্দের। সংক্ষিপ্ত রূপটি সাত হাজার ৭৫৭ শব্দের। এতে তিনি নয়টি বিষয়ের অবতারণা করবেন। এর মধ্যে আছে দেশের অর্থনীতির চিত্র, সরকারের সাফল্য, রূপকল্প বাস্তবায়নে অগ্রগতি, ডিজিটাল কর্মসূচির বাস্তবায়ন, সামাজিক ও নিরাপত্তাবেষ্টনী, দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের অগ্রগতি।

এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয় ওই বৈঠকে।

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা (ইউনেসকো) বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে শীতল পাটিকে স্বীকৃতি দেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানানো হয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে।

জানা গেছে, মোট ৬টি এজেন্ডার মধ্যে ৫টি হচ্ছে মন্ত্রিসভাকে অবহিতকরণ। প্রচলিত নিয়মে কোনো মন্ত্রী রাষ্ট্রীয় কাজে দেশের বাইরে গেলে পরবর্তী সময়ে তা মন্ত্রিসভাকে অবহিত করতে হয়। অবহিতকরণের ক্ষেত্রে অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও নৌপরিবহন মন্ত্রী রয়েছেন বলে জানা গেছে। আজকের বৈঠকে সব মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সব মন্ত্রণালয়-বিভাগের সচিবরা উপস্থিত থাকবেন। কারণ, প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বিষয় রাষ্ট্রপতির খসড়া ভাষণে কিছু না কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top