Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৮ , সময়- ৯:১৩ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
বাংলাদেশ সফরে আসছেন কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড ইসির সদিচ্ছা থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব : সু জ ন আগামীকাল দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতির শপথ নিবেন মো. আবদুল হামিদ  আট দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন সংশোধন হচ্ছে : জানিয়েছে আইনমন্ত্রী দুটি বাস পরীক্ষামূলক যাত্রায় রওনা হয়েছে কাঠমান্ডুর পথে       বিএনপি-জামায়াতের অপপ্রচারের উপযুক্ত জবাব দেয়ার আহ্বান : প্রধানমন্ত্রী  কাজ না করে আমি কেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিব : হাবিব বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ায় ভয়াবহ ঝুঁকিতে লাখ লাখ রোহিঙ্গা ! প্রধানমন্ত্রীর জিজ্ঞাসা - পলাতক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি কিভাবে দলের চেয়ারপারসন হয় ? 

টাকার অভাবে ঢাকা যেতে পারছেন না বৃক্ষশিশু রিপন


বাদল হোসেন, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

আপডেট সময়: ৬ জানুয়ারী ২০১৮ ৫:৫৭ পিএম:
টাকার অভাবে ঢাকা যেতে পারছেন না বৃক্ষশিশু রিপন

টাকার অভাবে আবারো চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বৃক্ষশিশু রিপন রায়ের (৯)। গত অক্টোবরের শেষ দিকে দুই মাসের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার কেটগাঁও গ্রামে নিজ বাড়িতে এসেছিল সে। 

জুতা সেলাই কাজ করা রিপনের বাবা মহেন্দ্র রায় জানান, ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি ছিল রিপন। এরইমধ্যে তার হাতে পায়ে তিন দফা অপারেশন করা হয়েছে। আগের থেকে কিছুটা সুস্থ হলেও আরো অপারেশন হবে বলে ডাক্তাররা তাঁকে জানিয়েছেন। এজন্য দুই মাসের জন্য বাড়িতে ঘুরতে পাঠানো হয় রিপনকে। 

মহেন্দ্র রায় বলেন, ‘দুই মাস হয়ে গেছে। কিন্তু এখন আমি ছেলেকে নিয়ে যে আবারো ঢাকা মেডিকেলে যাব সেই টাকা আমার নাই। জুতা সেলাইয়ের কাজ করে সংসার চলে আমার। দুই মাস হয়ে গেছে। দুই মাস পর ডাক্তাররা স্যাররা নিয়ে যেতে বলেছিল। কিন্তু এখন যাবার টাকাই নাই।’ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগে সহযোগিতা করা হলেও এখন কোন সহযোগিতা করা হচ্ছে না বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ ডব্লিউ এম রায়হান শাহ বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। এই বিষয়ে জানা নেই।’ পরে কথা বলবে এই বিষয়ে বলে তিনি ফোন কেটে দেন।

প্রসঙ্গত, জন্মের ৩ মাস পর হাতে পায়ে গুটি বসন্তের মতো আচিঁল দেখা দেয় রিপনের। বয়স বাড়ার সাথে সাথে গুটির মতো আচিঁলগুলোও বাড়তে থাকে। স্থানীয় চিকিৎসকদের ঔষুধেও কাজ না হলে পাশ্ববর্তী জেলা দিনাজপুর ও রংপুরের ডাক্তারের শরণাপন্ন হন রিপনের পরিবার। দীর্ঘ ৬ বছর ঔষুধ খেয়েও উন্নতি দেখা দেয় না বরং হাতে পায়ের আচিঁলগুলো গাছের শিকড়ের মতো আকার ধারণ করতে শুরু করে। কিন্তু টাকা অভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না জুতা সেলাইয়ের কাজে নিয়োজিত রিপনের বাবা মহেন্দ্র। 

এরপর স্থানীয় এক সাংবাদিক রিপনকে নিয়ে সংবাদ করলে জেলা প্রশাসন সহ অনেকেই রিপনের চিকিৎসার সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে। পরে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় রিপনকে ২০১৬ সালের ২১ অগাস্ট ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। এরই মধ্যে রিপনের হাতে পায়ে তিন বার সফল অপারেশন করা হয়েছে। আগের থেকে অবস্থার বেশ উন্নতিও হয়েছে। তবে পুরোপুরি সুস্থ হতে আরো সময় লাগবে এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top