Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৮ , সময়- ৯:২৪ পূর্বাহ্ন
Total Visitor:
শিরোনাম
ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত ফিলিস্তিনিদের জন্য হুমকি স্বরূপ শীর্ষস্থান ধরে রাখলো স্বাগতিক বাংলাদেশ বাংলাদেশে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১০ লাখ ৩০ হাজার বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ  ৬০০০ রানের মাইলস্টোন ছুঁলেন তামিম ইকবাল কে হচ্ছেন দেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি ?  বাংলাদেশি নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে সেই বিএসএফ সদস্য আটক ভিয়েতনামের রাষ্ট্রীয় পদক পেলেন সাবের হোসেন চৌধুরী জাতীয় পরিচয়পত্রে যুক্ত হচ্ছে শিক্ষাগত যোগ্যতা বঙ্গবন্ধুর রক্তের দাগ শুকানোর আগেই অনেকে মন্ত্রী হয়েছেন

শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না


অনলাইন ডেষ্ক

আপডেট সময়: ৭ জানুয়ারী ২০১৮ ৫:২৬ পিএম:
শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। যত চেষ্টা, যত ষড়যন্ত্রই করা হোক না কেন নির্দলীয় সরকারের দাবি আদায় করেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি।

রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব হল রুমে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (এ্যাব) নামে একটি সংগঠন এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, আওয়ামী লীগের জেনেটিক প্রবলেম হচ্ছে তারা যখনই ক্ষমতায় আসবে জোর করে ক্ষমতায় বহাল থাকতে চাইবে। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল ভোটারবিহীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাদেন দলীয় একটি সভায় জনগণকে বিভ্রান্ত করতে অসত্য বক্তব্য দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের কথা স্পষ্ট, বারবার জনগণকে ধোকা দেওয়া যাবে না। জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা যাবে না। আগামী নির্বাচন হতে হবে সংসদ ভেঙে নির্দলীয় সরকারের অধীনে।

সরকার ক্ষমতা হারানোর ভয়ে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংসদ ভেঙে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে এতো ভয় কেন? উদ্দেশ্য একটাই ক্ষমতা হারানোর ভয়ে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ কোনো কিছুতেই ছাড় দিচ্ছেন না। তারা ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রাখতে দেশ গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বলেছেন জনগণ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ভোট দিয়েছে বলেই আমরা ক্ষমতার ৪ বছর অতিক্রম করতে পেরেছি। প্রশ্ন হচ্ছে তিনি কোনো জনগণের কথা বলেছেন, কোনো নির্বাচনের কথা বলেছেন। যে নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি, যে নির্বাচনে ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন, সেই নির্বাচন?

সেনা সমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ১/১১ সেনা সমর্থিত সরকারের প্রেক্ষাপট ছিল মাইনাস বেগম খালেদা জিয়া। তারা বিএনপিকে দুর্বল করতে চেয়েছে। আজ আওয়ামী লীগ সরকার ১/১১ ধারাবাহিকতায় বিএনপিকে দুর্বল করতে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ দলটির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের দমন করে রাখতে ভিত্তিহীন মামলায় নাজেহাল করছে। মূলত এতে করে শেখ হাসিনা অলিখিত বাকশালের মাধ্যমে ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতে চাচ্ছেন।

একই অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আইয়ুব খান ও ইয়াহিয়ার পথেই হাঁটছেন শেখ হাসিনা। তিনি গণতন্ত্রের শত্রুপক্ষ। এ সেই আওয়ামী লীগ যারা বাকশালের খাঁচায় বন্দি ছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের মাধ্যমে তাদের নবজন্ম দিয়েছেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে শেখ হাসিনা আজ আওয়ামী লীগের সভাপতি হতে পেরেছেন। অথচ তাদের মধ্যে বিন্দু পরিমাণ কৃতজ্ঞতা বোধ নেই।

আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক কৃষিবিদ আনোয়ারুন নবী মজুমদার বাবলার সভাপতিত্বে প্রদিবাদ সভায় আরো বক্তব্যে দেন-বিএনপি'র ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম ও শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের সভাপতি কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top