Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ১০:৫৯ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ২৮ রানে জয় পেলো বাংলাদেশ  সাম্প্রতিক সৌদি আরব সফর : প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন, আগামীকাল গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির জন্য চালু হচ্ছে ঢাকা-কালিয়াকৈর ট্রেন সার্ভিস শিগগিরই ছোট হচ্ছে মন্ত্রিসভা আপনার কথায় অস্ট্রেলিয়ায় থাকা আমার মেয়েও লজ্জিত : মঈনুলকে ফোনে মির্জা ফখরুল  আমরা আর দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান হতে চাইনা, সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  সিলেটে সমাবেশ করার অনুমতি পেয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট  ইমরুলের সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেট হারিয়ে টাইগারদের সংগ্রহ ২৭১ রান শুরু হয়েছে দশম জাতীয় সংসদের ২৩তম অধিবেশন তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর দেশ গড়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না


অনলাইন ডেষ্ক

আপডেট সময়: ৭ জানুয়ারী ২০১৮ ৫:২৬ পিএম:
শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। যত চেষ্টা, যত ষড়যন্ত্রই করা হোক না কেন নির্দলীয় সরকারের দাবি আদায় করেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি।

রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব হল রুমে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (এ্যাব) নামে একটি সংগঠন এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, আওয়ামী লীগের জেনেটিক প্রবলেম হচ্ছে তারা যখনই ক্ষমতায় আসবে জোর করে ক্ষমতায় বহাল থাকতে চাইবে। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল ভোটারবিহীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাদেন দলীয় একটি সভায় জনগণকে বিভ্রান্ত করতে অসত্য বক্তব্য দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের কথা স্পষ্ট, বারবার জনগণকে ধোকা দেওয়া যাবে না। জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা যাবে না। আগামী নির্বাচন হতে হবে সংসদ ভেঙে নির্দলীয় সরকারের অধীনে।

সরকার ক্ষমতা হারানোর ভয়ে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংসদ ভেঙে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে এতো ভয় কেন? উদ্দেশ্য একটাই ক্ষমতা হারানোর ভয়ে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ কোনো কিছুতেই ছাড় দিচ্ছেন না। তারা ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রাখতে দেশ গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বলেছেন জনগণ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ভোট দিয়েছে বলেই আমরা ক্ষমতার ৪ বছর অতিক্রম করতে পেরেছি। প্রশ্ন হচ্ছে তিনি কোনো জনগণের কথা বলেছেন, কোনো নির্বাচনের কথা বলেছেন। যে নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি, যে নির্বাচনে ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন, সেই নির্বাচন?

সেনা সমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ১/১১ সেনা সমর্থিত সরকারের প্রেক্ষাপট ছিল মাইনাস বেগম খালেদা জিয়া। তারা বিএনপিকে দুর্বল করতে চেয়েছে। আজ আওয়ামী লীগ সরকার ১/১১ ধারাবাহিকতায় বিএনপিকে দুর্বল করতে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ দলটির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের দমন করে রাখতে ভিত্তিহীন মামলায় নাজেহাল করছে। মূলত এতে করে শেখ হাসিনা অলিখিত বাকশালের মাধ্যমে ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতে চাচ্ছেন।

একই অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আইয়ুব খান ও ইয়াহিয়ার পথেই হাঁটছেন শেখ হাসিনা। তিনি গণতন্ত্রের শত্রুপক্ষ। এ সেই আওয়ামী লীগ যারা বাকশালের খাঁচায় বন্দি ছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের মাধ্যমে তাদের নবজন্ম দিয়েছেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে শেখ হাসিনা আজ আওয়ামী লীগের সভাপতি হতে পেরেছেন। অথচ তাদের মধ্যে বিন্দু পরিমাণ কৃতজ্ঞতা বোধ নেই।

আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক কৃষিবিদ আনোয়ারুন নবী মজুমদার বাবলার সভাপতিত্বে প্রদিবাদ সভায় আরো বক্তব্যে দেন-বিএনপি'র ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম ও শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের সভাপতি কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top