Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৮ , সময়- ১:৩৩ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
গাজীপুর সিটি : মেয়র প্রার্থীদের হলফনামায় নির্বাচনী হিসাব ও আয়-ব্যয় কার কত ?   সাকিব, মুস্তাফিজুরদের সঙ্গে বছরে ৫০ লাখের চুক্তি করল ক্রিকেট বোর্ড রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের প্রতি কমনওয়েলথের সংহতি প্রকাশ রানী এলিজাবেথের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় পরিবহন খাতের বিশৃঙ্খলা : আমি মন্ত্রী, আমি কি দায় এড়াতে পারব ? শান্তিরক্ষা মিশনে আত্মোৎসর্গকারী ৫ বাংলাদেশিকে স্মরণ করলো জাতিসংঘ খুলনা-গাজীপুরে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে ১৪ দলের সমর্থন টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় শেখ হাসিনা খুলনায় ৮শ’ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে শেখ হাসিনা ও মোদি বৈঠক : দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা

মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ১১ ফেব্রুয়ারি


অনলাইন ডেষ্ক

আপডেট সময়: ৭ জানুয়ারী ২০১৮ ৫:৫৮ পিএম:
মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ১১ ফেব্রুয়ারি

সুইস ব্যাংকে ৯৬ হাজার কোটি টাকার অস্বচ্ছ হিসাব দাখিল ও বিলাসবহুল গাড়ি কেনায় দুই কোটি ১৭ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকি  ও সুইস ব্যাংকে টাকা জমা রাখার অস্বচ্ছ হিসাব দাখিলের অভিযোগে ব্যবসায়ী প্রিন্স মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছালো। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন করে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ (রোববার) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা শুল্ক গোয়েন্দা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম নুর নাহার ইয়াসমিন এ নতুন দিন ধার্য করেন।

ঢাকার অপরাধ তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার আনিসুর রহমান জানান, আজ ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে এ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিচারক নতুন করে দিন ধার্য করেন।

প্রিন্স মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা রেঞ্জ রোভার গাড়ি ভোলা বিআরটিএ-র কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজসে ভুয়া কাগজ দিয়ে রেজিস্ট্রেশন এবং বেনামে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে শুল্ক গোয়েন্দারা। মুসার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৭ লাখ টাকা শুল্ক পরিশোধ দেখিয়ে ভুয়া বিল অব অ্যান্ট্রি প্রদর্শন করে গাড়িটি বেনামে রেজিস্ট্রেশন করেন প্রিন্স মুসা।

শুল্ক গোয়েন্দাদের অনুসন্ধানে দেখা যায়, গাড়িতে ২.১৭ কোটি টাকার শুল্ক করাদি জড়িত। শুল্ক গোয়েন্দার জিজ্ঞাসাবাদে প্রিন্স মুসা লিখিতভাবে জানান, ‘সুইস ব্যাংকে তার ৯৬ হাজার কোটি টাকা গচ্ছিত রয়েছে’। কিন্তু তিনি ওই টাকার কোনো ব্যাংক হিসাব বা বৈধ উৎস দেখাননি। কয়েকবার নোটিশ দিলেও তিনি তা জমা দেননি।

এদিকে গত ২১ মার্চ প্রিন্স মুসার গুলশানের বাড়িতে শুল্ক গোয়েন্দারা অভিযান চালিয়ে একটি রেঞ্জ রোভার গাড়ি জব্দ করে। পরে ঢাকা কাস্টম হাউসে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়। একই সঙ্গে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির সংযোগ থাকায় তা পৃথকভাবে তদন্তের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশনকে অনুরোধ করা হয়।

গত ৩১ জুলাই গুলশান থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে প্রিন্স মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে শুল্ক গোয়েন্দার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) মো. জাকির হোসেন বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top