Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ১১:২৬ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ২৮ রানে জয় পেলো বাংলাদেশ  সাম্প্রতিক সৌদি আরব সফর : প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন, আগামীকাল গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির জন্য চালু হচ্ছে ঢাকা-কালিয়াকৈর ট্রেন সার্ভিস শিগগিরই ছোট হচ্ছে মন্ত্রিসভা আপনার কথায় অস্ট্রেলিয়ায় থাকা আমার মেয়েও লজ্জিত : মঈনুলকে ফোনে মির্জা ফখরুল  আমরা আর দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান হতে চাইনা, সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  সিলেটে সমাবেশ করার অনুমতি পেয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট  ইমরুলের সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেট হারিয়ে টাইগারদের সংগ্রহ ২৭১ রান শুরু হয়েছে দশম জাতীয় সংসদের ২৩তম অধিবেশন তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর দেশ গড়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

পরিবর্তনের আভাস ওপেনিং কম্বিনেশনে


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ৮ জানুয়ারী ২০১৮ ১১:২১ এএম:
পরিবর্তনের আভাস ওপেনিং কম্বিনেশনে

২০১২ সালের শেষ দিকে ক্যারিয়ারে মাত্র দ্বিতীয় ওয়ানডেতেই সেঞ্চুরি করেছিলেন এনামুল হক বিজয়। সেটি ছিল তার অভিষেক আন্তর্জাতিক সিরিজ। তারপর তিন সংস্করণের ক্রিকেটই খেলেছেন। চার টেস্ট খেলেন দলে জায়গা হারানোর আগে। তারপর একে একে ছিটকে পড়েন ওয়ানডে আর টি-টুয়েন্টি থেকে। নিজের জন্য খেলেন, দলের জন্য না। দলের প্রয়োজনের তাগিদ তার মাথায় থাকে না। নিজেরটা বোঝেন বেশি। এমন অনেক দোষ দেওয়া হয় তাকে।

তাতে ২০১৫ সালের মার্চের পর আর ওয়ানডে খেলা হয়নি বিজয়ের। একই বছরের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের সাথে দেশের মাটিতে টি-টুয়েন্টি ছিল তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। সেই বিজয় আবার ফিরলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে। ৩০ ওয়ানডের ২৭ ইনিংসে ব্যাট করেছেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান বিজয়। ৩৫.১৮ গড়ে ৯৫০ রান করে থমকে ছিলেন। তিনটি সেঞ্চুরি তার নামের পাশে। তারপরও বিজয়ের জাতীয় দলে ফিরতে না পারাটা তার ও তার ফ্যানদের জন্য আক্ষেপের হয়ে ছিল। বিদায়ী কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের পছন্দের তালিকায় ছিলেন না বিজয়। 

বিজয়ের সম্পর্কে বলা হয়, দলের প্রয়োজনের সময় সেই প্রয়োজনের পেছনে না ছুটে নিজের কথা ভাবাই হয়েছিল। ২৫ বছরের শেষ জাতীয় ক্রিকেট লীগের কথাই ধরুন। ছয় ম্যাচে ৭৭.৩৭ গড়ে ৬১৯ রান। ফার্স্ট ক্লাসে স্ট্রাইক রেট ৬০.৩৩। বাউন্ডারি ৬৯টি। ছক্কা আটটি। সর্বোচ্চ ইনিংসটি ২১৬ রানের। ওটি গত সেপ্টেম্বরে। এরপর জাতীয় লিগের শেষ রাউন্ডে আবার খেললেন ২০২ রানের এক ইনিংস। এক মৌসুমে দুই ডাবল সেঞ্চুরি। জাতীয় দলের জন্য বিবেচিত হতে যথেষ্ট, এরপর বিপিএল। সেখানে খুব ভালো পারফর্ম করতে না পারলেও দুইটি ফিফটি ঠিকই আছে। তবু হাথুরুসিংহে থাকলে কি হতো বলা যায় না। লঙ্কান কোচের পছন্দ-অপছন্দের তীব্রতা ছিল খুব বেশি। একবার কাউকে অপছন্দ করে ফেললে তাকে আর বিবেচনায় আনতে চাইতেন না। 

সেই কারণে তাকে নিয়ে শঙ্কার মেঘ এবারো ছিল। তবে লাল-সবুজের দলের শনিবারের ম্যাচের আগেই জানা গিয়েছিল সৌম্য সরকারের সুযোগ কমছে। তামিম ইকবালের সাথে ত্রিদেশীয় সিরিজে ইনিংস ওপেন করার দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন বিজয়। শেষ পর্যন্ত সেটাই হতে পারে।

ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের জন্য ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশের নির্বাচকরা। সেই দলে সৌম্যর না থাকা এবং বিজয়ের ফেরাতে একটি বিষয় নিশ্চিত। অন্তত প্রথম দুই ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ইনিংস ওপেন করবে বাঁহাতি-ডানহাতি কম্বিনেশন। বাঁহাতি তামিমের সাথে ডানহাতি বিজয়। এই সুযোগটা কতো মূল্যবান, বিজয়ের তা জানা। সেটি কাজে লাগাতে পারবেন তো ২৫ বছর বয়সী কুষ্টিয়ার ক্রিকেটার? এরফলে ওপেনিং সমস্যা দূর হবে, লাভ হবে দেশেরও। দেশের কথাটা নিশ্চয়ই এবার তার ভাবা উচিত। বাসস।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top