Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮ , সময়- ৬:২৯ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
নির্বাচনে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে, আবারও আ'লীগ জোয়ারে ভাসবে : ওবায়দুল কাদের শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের পরিদর্শন প্রতিবেদন বস্তুনিষ্ঠ ও সঠিক নয় : বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের গণসংবর্ধনা আগামীকাল বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নয়াপল্টনে নেতাকর্মীদের জমায়েত প্রধানমন্ত্রীর গণসংবর্ধনা শনিবার, যানবাহন চলাচলে ডিএমপি’র নির্দেশনা রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি নির্বাচন নিয়ে সরব বিদেশিরা  বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টের নিরাপত্তা : ব্যাপক তোলপাড় সারাদেশ  শর্তসাপেক্ষে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ কর্মসূচী করার অনুমতি পেল বিএনপি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে আবারো হত্যার হুমকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভবনে জার্মানীর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাত

খালেদা জিয়া খালাস পাওয়ার হকদার


অনলাইন ডেষ্ক

আপডেট সময়: ১০ জানুয়ারী ২০১৮ ৬:১৭ পিএম:
খালেদা জিয়া খালাস পাওয়ার হকদার

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া খালাস পাওয়ার হকদার বলে আদালতকে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। বুধবার ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে খালেদার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বলেন, ‘বিদেশ থেকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের যে টাকা এসেছে বিএনপি চেয়ারপারসন তার একটি টাকাও আত্মসাৎ করেনি। তাই আইনানুযায়ী মামলা থেকে খালাস পাবার হকদার তিনি।’

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে খালেদা জিয়ার এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘যুক্তি উপস্থাপনে আমরা তা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। নথিতে খালেদা জিয়ার স্বাক্ষর নেই, তিনি কোনো সইও দেননি, এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে তিনি টাকা পাঠাননি। খালেদা জিয়াকে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য এ মামলাটি করা হয়েছে।'

এদিকে, জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে আদালতে আবেদন করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।  বুধবার দুপুরে পুরান ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মাদ আলী এ আবেদন জমা দেন। 

আবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি নথি জালিয়াতি করে খালেদা জিয়াকে জড়িয়ে ফৌজদারি অপরাধ করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রধান হারুন-অর-রশীদসহ সংশ্লিষ্টরা। তাই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পরে ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 
মামলার অপর আসামিরা হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

অপরদিকে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার দু'বছর আগে ২০০৮ সালে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় আরও একটি মামলা করে দুদক। এরপর ২০১০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ। এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top