Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৮ , সময়- ৫:১২ অপরাহ্ন
Total Visitor:
শিরোনাম
রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে আসছেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট আজ ঐতিহাসিক ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান দিবস ভোলায় দক্ষিণ এশিয়ার সর্বোচ্চ ওয়াচ টাওয়ার উদ্বোধন ২৯ জানুয়ারি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মঘটের ডাক লিবিয়ায় জোড়া গাড়িবোমা হামলায় নিহত ৩৩ মেয়েকে এপিএস নিয়োগ দিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক আজ তিন মাস নয়, ছয় মাসের জন্য স্থগিত ডিএনসিসি নির্বাচন তালেবানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পাকিস্তানের প্রতি যু্ক্তরাষ্ট্রের আহ্বান ঢাবির অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার করল ছাত্রলীগ

রোহিঙ্গা হত্যার কথা স্বীকার করল মিয়ানমার সেনাবাহিনী


অনলাইন ডেষ্ক

আপডেট সময়: ১১ জানুয়ারী ২০১৮ ১০:১৮ এএম:
রোহিঙ্গা হত্যার কথা স্বীকার করল মিয়ানমার সেনাবাহিনী

অবশেষে রোহিঙ্গা নির্যাতনে সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করল মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। বুধবার সেনাপ্রধান মিন অং লেইংয়ের কার্যালয় থেকে এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জানানো হয়, গত ২ সেপ্টেম্বর ১০ জন রোহিঙ্গাকে হত্যার সঙ্গে সেনাসদস্যরা জড়িত ছিলেন। এই প্রথম হত্যার কথা সরাসরি স্বীকার করেছে তারা৷ 

এএফপির খবরে বলা হয়, গত ২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা নির্যাতন শুরুর পর থেকে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা সহিংসতার জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে দায়ী করছিল। বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা রাখাইনে সেনা নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন। কিন্তু বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিল দেশটির সেনা কর্তৃপক্ষ।

ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, গত ২ সেপ্টেম্বর রাখাইন রাজ্যের ইন দিন গ্রামে ওই গণহত্যা হয়। এক রাখাইনের মৃত্যুর জেরে ওই দিন রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সেনাসদস্য এবং রাখাইনবাসীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ওই পোস্টে বলা হয়, ‘কয়েকজন গ্রামবাসী এবং সেনাসদস্য স্বীকার করেছেন, তাঁরা ওই দিন ১০ জন বাঙালি সন্ত্রাসীকে (রোহিঙ্গা মুসলমান) হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।’

তবে রোহিঙ্গাদের বাঙালি জঙ্গি বলায় আবারো সমালোচনায় পড়েছে মিয়ানমার৷ যুগ যুগ ধরে রোহিঙ্গারা দেশটিতে বাস করে এলেও তাঁরা বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী' বলে চালিয়ে দিচ্ছে মিয়ানমার৷

এর পাশাপাশি রাখাইনে একটি রোহিঙ্গা গণকবরের সন্ধান পাওয়ার কথা জানানো হয় ওই পোস্টের মাধ্যমে। এতে বলা হয়, ১০ রোহিঙ্গাকে প্রথমে আটক করেন সেনাসদস্যরা। পরে তাঁদের একটি সমাধিক্ষেত্রে নিয়ে হত্যার সিদ্ধান্ত হয়।

এর আগে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ এক তদন্তে দাবি করা হয়েছিল, রোহিঙ্গাদের ওপর সেনা নির্যাতনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

গত ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানের মুখে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে৷ জাতিসংঘ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সেনা অভিযানকে ‘জাতিগত নিধন' বলে আখ্যা দিয়েছে৷ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পেয়েছে৷


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top