Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , সময়- ৫:৩৪ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিতর্ক কেন ? বিএনপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | প্রজন্মকণ্ঠ পছন্দের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আবেদন খালেদা জিয়ার | প্রজন্মকণ্ঠ খালেদা জিয়া কারাগারের বাইরে থাকার সময়ও জনগণ তার ডাকে সাড়া দেয়নি : ওবায়দুল কাদের বিএনপি-জামায়াত ক্লিনহার্ট অপারেশন চালিয়ে আ'লীগের অসংখ্য নেতাকর্মীকে নির্যাতনের শিকার করেছিল : প্রধানমন্ত্রী  ধর্মমন্ত্রী ও ভূমিমন্ত্রীর  কড়া সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রিজভীর নেতৃত্বে মিছিল করেছে বিএনপি আ'লীগের প্রতিনিধিদলের উত্তরবঙ্গ সফর শুরু । প্রজন্মকণ্ঠ   বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন : সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার অঙ্গীকার | প্রজন্মকণ্ঠ  সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে মাঠে নামছে স্বাগতিক বাংলাদেশ, আগামীকাল | প্রজন্মকণ্ঠ

ক্যান্সার ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধী উদ্ভিদ


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ২০ জানুয়ারী ২০১৮ ১০:২৩ এএম:
ক্যান্সার ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধী উদ্ভিদ

ক্যান্সার ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধী উদ্ভিদ

ক্যান্সার ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধী রম্নকোলা উদ্ভিদ বাংলাদেশের আবহাওয়ায় চাষ করা প্রায় অসম্ভব ছিল। এ উদ্ভিদ ক্যান্সার ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধের পাশাপাশি এসব রোগ নিরাময়েও গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঢাকার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের অক্লান্ত্ম প্রচেষ্টায় এ উদ্ভিদ চাষে সফলতা এসেছে।


বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রহিম বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রম্নকোলা চাষে সফল হয়েছেন।
২০১৪ সালে সুদূর ইতালি থেকে বীজ সংগ্রহ করে তিনি বাংলাদেশের আবহাওয়ায় রম্নকোলা উৎপাদনের জন্য গবেষণা শুরম্ন করেন। আবদুর রহিম বলেন, নিয়মিত সবুজ রম্নকোলা সেবনে ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, হৃদরোগ ও রক্তনালিসংক্রান্ত্ম রোগ থেকে মুক্তি সম্ভব। মানুষের শরীরে রম্নকোলা এসব রোগ নিরাময়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে ইতালি, ফ্রান্স, পর্তুগাল, চেক প্রজাতন্ত্র, মিসর, তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রে এ উদ্ভিদ চাষ হচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের দেশে এ পর্যন্ত্ম কোথাও রম্নকোলা চাষের খবর পাওয়া যায়নি। ২০১৪ সালে বাংলাদেশে প্রথম ইতালি থেকে বীজ সংগ্রহ করে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগে উদ্ভিদ নিয়ে গবেষণা শুরম্ন করেন আবদুর রহিম।

প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, এটি বাংলাদেশের আবহাওয়ায় সারা বছর জন্মানোর উপযোগী। তবে গ্রীষ্ম মৌসুমের চেয়ে শীতে পাতার বৃদ্ধি ও উৎপাদন বেশি হয়। পাতার মতো সারা বছর বীজ উৎপাদন করা যায় না। শীতের শেষে বসন্ত্মের শুরম্নতে এ উদ্ভিদ থেকে ফুল ও বীজ পাওয়া যায়।

এই শিক্ষকের দাবি, বাংলাদেশে রম্নকোলা চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। যেহেতু সারা বছর এটির পাতা উৎপাদন সম্ভব, তাই গ্রামে বাড়ির আঙিনায়, শহরে টবে, বাসার ছাদে কিংবা ঝুল-বারান্দায়ও চাষ করে বছরজুড়ে সতেজ পাতা পাওয়া সম্ভব।

তিনি জানান, রম্নকোলার সবুজ পাতা সরাসরি কাঁচা সালাদ হিসেবে টমেটো, জলপাই ও পনিরের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়। আবার পিজা টপিং হিসেবে, পাস্ত্মার সঙ্গে এবং মাছ ও মাংস দিয়ে তৈরি নানা খাবরের সঙ্গেও মিলিয়ে খাওয়া হয়। এ ছাড়া রম্নকোলার বীজ থেকে ভোজ্যতেল উৎপাদন সম্ভব। কখনো কখনো এটা পালং শাকের মতো রান্না করেও খাওয়া যায়।

এ উদ্ভিদের বংশপরিচয় সম্পর্কে আবদুর রহিম জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটি ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন ইতালিতে 'রম্নকোলা', যুক্তরাষ্ট্রে 'আ রম্নগুলা', জার্মানিতে 'সালাট্রুকা', স্পেনে 'ইরম্নকা' ও ফ্রান্সে 'রকেট'।
রম্নকোলার উৎপত্তিস্থান ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল। ইতালিতে রম্নকোলা রোমান যুগ থেকে চাষ করা হচ্ছে। তাই ধারণা করা হয়, ইতালিই এর উৎপত্তিস্থান। এ অঞ্চল থেকে পরে বিভিন্ন দেশে এর চাষ বিস্ত্মার লাভ করে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top