Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৮:০২ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা  আ'লীগের মনোনয়ন পেতে যাচ্ছেন বদির স্ত্রী শাহীনা ও রানার বাবা     ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাব্বানী আইসিইউতে চিকিৎসাধীন জাতীয় পার্টির ভূমিকাকে ‘অকার্যকর' বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ ইসি সচিব ও ডিএমপি কমিশনারের শাস্তি দাবি করেছে বিএনপি চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী আইসিসি টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে সেরা অবস্থানে মুশফিক-মিরাজরা জাপার ক্ষমতার সময় যে উন্নয়ন হয়েছে, তা আর কেউ করতে পারেনি : মুহম্মদ এরশাদ নীতিমালার বাইরে কোনো কর্মকাণ্ড করলে নিবন্ধন বাতিল  টাঙ্গাইলের রানা ও কক্সবাজারের বদিকে মনোনয়ন দিচ্ছে না আওয়ামী লীগ

রঙের পাখি বাজরিগার


আবু সালেহ মূসা

আপডেট সময়: ২৭ জানুয়ারী ২০১৮ ৪:১১ পিএম:
রঙের পাখি বাজরিগার

পাখিটির নাম বাজরিগার। লোক মুখে লাভ বার্ড বলেও পরিচিত। যদি ও লাভ বার্ড আসলে আরেকটা প্রজাতি। 

তো ফিরে আসি বাজরিগারে। বড় নাম বলে অনেকে এক বাজরি বলেও ডাকে। এরা মূলত আমাদের দেশীয় পাখি না, তা সবাই জানি। এদের বংশীয় পরিচয় হল এরা অস্ট্রেলিয়ান। অস্ট্রেলিয়ার বনে এদের বাস হলেও সময়ের আবর্তে এখন সৌখিন মানুষদের বাসায় এদের বাস। ঘরে বাস করতে করতে এদের এমনই অবস্থা দাড়িয়েছে যে, এরা এখন প্রকৃতির কাছেই অপরিচিত।

আমাদের দেশে এই পাখির জনপ্রিয়তা শুরু হয় বাবু নামের এক ব্যক্তির হাত ধরে। যাকে সুলতান বাবু বলেই চিনে এই পাখির সংশ্লিষ্ট সকলে। মীরপুরে যিনি খামার করেছেন পালন করছেন এগুলোকে। তবে এই পাখির জনপ্রিয়তা পাবার প্রধান কারণ আসলে এর রঙ। লাল এবং গোলাপি ব্যতিত সকল রঙ ই এই পাখি পেয়ে থাকে। তাই একেক খাচায় একেক রঙ দেখে অনেকেই ভাবে এগুলো অন্য কোন প্রজাতি। আর রঙ, প্রজাতিভেদে এদের অনেক শ্রেণীবিভাগ ও করা হয়েছে। লুটিনো, পাইড এগুলো রঙের ভিত্তিতে আর ক্রেস্টেড, ইয়োলো ফেস এগুলো জাতের ভিত্তিতে।

তবে হ্যা, এই পাখি পালতে বন বিভাগের কোন আপত্তি নেই কারণ এগুলো একে তো আমাদের দেশীয় না আর তাছাড়া এগুলো এখন বনের পাখিও না। তবে অনেকেই অনেক পরিশ্রম করে এগুলোকে পোষ মানিয়েছে যার জন্য টানা ৬-৮ মাস সময় প্রয়োজন। আবার অনেকে কৃত্তীম চাহিদা তৈরি করে বছরে ২-৩ বার এদের দিয়ে ডিম ফুটিয়ে থাকে। স্বাস্থ্য, মেটিং এর কাল এবং খাবার তালিকার উপর ভিত্তি করে এরা ৪-১২ টি ডিম দিয়ে থাকে এক বার সময় কালে। যেগুলো ২০-২১ দিন ভিতর ফোটে। আর প্রতিটা ডিম ১-৩ দিন পর পর দিয়ে থাকে। চীনা, কাউন, গুজিতিল এদের পছন্দের খাবার। এছাড়াও পোলাওর ধান, তিশি, নানা রকম স্ববজি এদের প্রিয় খাবারের তালিকায় রয়েছে। অনেকে আবার আপেল, ডিম, দই এগুলোতে অভ্যস্ত করে ফেলে এদের।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top