Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৫:১৩ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
নাজমুল হুদাকে ৪৫ দিনের মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ  নির্বাচনকালীন সম্ভাব্য নাশকতা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার  একজন শিশুকে পিইসি পরীক্ষার জন্য যেভাবে পরিশ্রম করতে হয়, সত্যিই অমানবিক : সমাজকল্যাণমন্ত্রী নির্বাচনকে সামনে রেখে আদর্শগত নয়, কৌশলগত জোট করছে আওয়ামী লীগ : সাধারণ সম্পাদক থার্টিফার্স্ট উদযাপন নিষিদ্ধ : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে পেশাদারিত্ব বজায় রাখবে সেনাবাহিনী  মহাজোটের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে যাওয়ার শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসছে  প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু আজ  ভোট পর্যবেক্ষণের জন্য আবেদন শেষ তারিখ ২১ নভেম্বর  আ'লীগ যত রকম ১০ নম্বরি করার করুক, ভোট দেবো, ভোটে থাকব : ড. কামাল হোসেন

ষড়যন্ত্র ছেদ করে এগিয়ে যাবে আওয়ামী লীগ


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ২৭ জানুয়ারী ২০১৮ ৫:৩২ পিএম:
ষড়যন্ত্র ছেদ করে এগিয়ে যাবে আওয়ামী লীগ

প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক, জঙ্গি দমনে সফলতা বাংলাদেশের গর্ব৷ কিছু শক্তি অনবরত দেশকে তলানিতে টেনে নিয়ে যাচ্ছে৷ এই অবস্থায় ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের অবস্থান কী ? লিখলেন দলের কেন্দ্রীয় ছাত্র নেতা জসিম উদ্দিন আকন্দ রনি

জসিম উদ্দিন আকন্দ রনি উপ-ছাত্রবৃত্তি সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ। 

পরাধীনতার অন্ধকূপ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে একটি বড় রাজনৈতিক দলের হাত ধরে তা আমরা সকলেই জানি আর দলটি হলো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশ সৃষ্টির সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও আওয়ামী লীগ সংগঠনটি নিবিড় ভাবে জড়িয়ে আছে তা অস্বীকার করার নূন্যতম কোনো কারন নেই। সেই দলটি যখন নানা ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে টানা দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রক্ষমতায় আসলো তখনি জামাত-বিএনপি এবং বেশকিছু বাম সংগঠন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করে দিলো আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে৷ যেনো আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক ভাবে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে না পারে।

মজার ব্যাপার হলো আওয়ামী লীগ এইসব ষড়যন্ত্র আমলে না নিয়ে দেশের উন্নয়নে মনোযোগী হয়ে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে পাশাপাশি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করে দীপ্ত পায়ে এগিয়ে চলছে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে অনেকটা সফল হয়েছে৷ তার মধ্যে বিশেষ ভাবে উল্লেখ যোগ্য নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা এবং বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাওয়া। শক্ত হাতে জঙ্গি দমন করা সহ সন্ত্রাসীদের ভীত কাঁপিয়ে দেয়ার মত অনেক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছেন।

এবার মূল কথায় আসি, সামনে ২০১৯ সালের সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ এর পেছনে লাগামহীন ভাবে বেশকিছু মহল ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। সেই কাজটিতে সহায়তা করছে কয়েকটা রাজনৈতিক দল, কিছু পত্রিকা আর ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়া। যাদের কাজ হচ্ছে তিলকে তাল বানানো। এই যেমন, এক রাজনৈতিক নেতার পরিচিত বা দূরসম্পর্কের আত্মীয় গেলো বাজারে নিত্যদিনের বাজার করতে৷ সেখানে গিয়ে যদি কারো সাথে সে ব্যক্তিগত কোনো কারণে মারামারিতে লিপ্ত হলে বাংলাদেশের পত্রিকায় বা মিডিয়ায় নিউজ হয় অনেকটা এরকম , “আওয়ামীলীগ নেতার দাপটে দোকানপাট ভাংচুর “

অথচ সে না কখনো নিজে আওয়ামী লীগ নেতা বা নেতার নিকট আত্মীয় দুটির কোনোটিই নয়। কিন্তু মিডিয়া কোনো ভাবে এইসব ঘটনার সাথে আওয়ামী লীগের একটু সংস্পর্শ পেলেই তার চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধারে নেমে যায়। অথচ জামাত বা বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকলে এগুলো করার সাহস পায় না। আওয়ামী লীগ সরকার যথেষ্ট সহনশীল ও উদারতা দেখানোর ফলেই এইসব মহল ষড়যন্ত্র করেও পার পেয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি স্যার কে “অপদস্থ” করেও পার পেয়ে যায় খুব সহজেই। ভিসি’র কার্যালয়ের গেট ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ করে ভিসি’র সাথে অসদাচারণ এবং শারীরিকভাবে হেনস্তা করেছে বাম ছাত্র সংগঠনের নেতা কর্মীরা যা ভিডিও ফুটেজে সুস্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে। হেক্সো, ব্লেড, লোহার রড,হাতুড়ি নিয়ে ৪ ঘণ্টা ঘেরাও করা অন্যায় এবং মহা অন্যায়। মিডিয়া সেটি এড়িয়ে গেলো দক্ষতার সাথে৷

ভিসিকে উদ্ধার করতে গিয়েছিলো ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এবং ভিসি’কে নিরাপদে তার কার্যালয়ে পৌঁছে দিয়ে অনেক বড় দায়িত্বের প্রমাণও তারা দিয়েছে। কিন্তু কয়েকটা সংবাদমাধ্যম ইচ্ছা করেই অসত্য ও বিভ্রান্ত তথ্য ছড়াচ্ছে। মিথ্যা প্রোপাগান্ডা আর অসত্য বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করে ষড়যন্ত্রকারীদের সহায়তা করছে বিএনপি জামাত আর কয়েকটা বাম সংগঠন।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাম সংগঠন গুলো খুবই নাজুক অবস্থায় আছে তা কম বেশি সবাই জানি। তাদের না আছে কর্মী না আছে ভোট ব্যাংক। বাম ছাত্র সংগঠনের মিছিলে ১৫-২০ জন বেশি লোক পাওয়া যায়না। তাদের গ্রহণযোগ্যতা কমছে দিনকে দিন। কেননা তারা মিথ্যার আশ্রয়ে চলছে এখনকার সময়ে। এটা বাংলাদেশের বাস্তবতা যে এখানে আওয়ামীলীগ বা বিএনপি ছাড়া অন্য কোনো দলে তেমন কোনো ভোট ব্যাংক নাই বা কর্মী বাহিনী নেই। এটা মেনে নিতে হবে কারন এটাই বাস্তব।

এখন ২০১৮ সাল। জামাত-বিএনপি আগে থেকেই মিথ্যাচার করতো আর এখন তাদের সাথে যোগ দিয়েছে কয়েকটা নাম সর্বস্ব বাম ছাত্র সংগঠন। আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখেই আওয়ামী লীগ এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে এই মহলগুলো যার কিছু আলামত আমরা দেখতে পাচ্ছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অশান্ত করে ফায়দা লুটে নেয়ার অভিপ্রায় চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে ষড়যন্ত্রকারীরা। সারাদেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়ে দীপ্ত পায়ে এগিয়ে যাবে উন্নয়নের পথে আধুনিক বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে বলবে, হে বিশ্ব দেখো, বাঙালি হারতে শেখেনি, শিখেছে মাথা উঁচু করে বাঁচতে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top