Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮ , সময়- ১১:১৯ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ঈদের আগেই ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করলেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াংকা মাদক ‘সম্রাজ্ঞীদের ধরতে’ নেই কোনো বিশেষ অভিযান মাদক যেকোনো অপরাধের চেয়ে ভয়াবহ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সময় পরিবর্তন হলেও প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচ বাড়াচ্ছে না ইসি বাজেটে রোহিঙ্গাদের জন্য দুই হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে বাতিল হতে পারে ট্রাম্প - কিম জন ঊনের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠক রোহিঙ্গাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে বাংলাদেশ গাজীপুর সিটি করপোরেশন : মেয়রপ্রার্থীদের ঘরোয়া নির্বাচনী প্রচারণা অব্যাহত অশ্রুসজল ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত প্রিয়াঙ্কা, ‘খোদা হাফেজ’ বলে ছাড়লেন রোহিঙ্গা শিবির 

‘মুখে টেপ লাগিয়ে রোকসানাকে ধর্ষণ করি’


অনলাইন ডেষ্ক

আপডেট সময়: ৩০ জানুয়ারী ২০১৮ ১০:৫৪ এএম:
‘মুখে টেপ লাগিয়ে রোকসানাকে ধর্ষণ করি’

সিদ্ধিরগঞ্জে ১০ বছরের স্কুল ছাত্রী রোকসানাকে অপহরণের পর ধর্ষণ, হত্যা ও লাশ গুমের বর্ণনা দিয়েছেন হত্যাকারী নিজেই। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে মূলহোতা রায়হান কবির সোহাগ (২৮) নিজের দোষ স্বীকার করে নারায়নগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে।

এর আগে রোববার রাতে নারায়ণগঞ্জের বন্দরের নবীগঞ্জ টি হোসেন রোড এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে এক প্রেসব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

জবানবন্দিতে সোহাগ জানান, বেড়ানোর কথা বলে আমি রোকসানাকে বাসায় নিয়ে যাই। পরে মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে তাকে ধর্ষণ করি। এবং হাত-পা বেঁধে গলায় পাড়া (পা দিয়ে চেপে) দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করি। তারপর লাশ একটি বস্তায় ভরে ব্রিজের ঢালে ফেলে দেই।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফুদ্দিন আহমেদ জানান, রায়হান রোকসানা হত্যার একমাত্র আসামি। প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পুলিশ প্রথমে রায়হান কবির সোহাগের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। পরে তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্কুল ছাত্রী রোকসানাকে অপহরণ করে নিজ বাসায় নিয়ে মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে নির্যাতনের পর শ্বাসরোধ করে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে। পরে নিহত রোকসানার হাত পা বেঁধে বস্তায় ভরে একটি ব্যাটারি চালিত আটো রিকসায় করে সোনারগাঁয়ের কাইক্কারটেক চর এলাকায় নিয়ে ব্রিজের নিচে ফেলে দিয়ে আসে।

এদিকে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করলে ঐ দিন বিকেলে রায়হান নারায়নগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আহমদ হুমায়ুন কবিরের আদালতে হাজির করা হয়। পরে সে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে আদালতে। আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top