Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার সম্ভাবনা নেই : শিক্ষামন্ত্রী পরাজয় বিএনপির হয়নি, পরাজয় হয়েছে আ'লীগের : ফখরুল আওয়ামী লীগের ‘বিজয় সমাবেশ’ ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি  সাকিবের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ঢাকার দারুণ জয় ঐক্যফ্রন্ট আলোচনায় টিকে থাকতে সংলাপের নাটক  দ্বিতীয় স্যাটেলাইট ও দ্বিতীয় যমুনা সেতুর পরিকল্পনা করছি ৩৭ এজেন্সিকে শাস্তি, মামলার নির্দেশ আইসিসি নতুন সিইও হিসেবে নির্বাচিত মানু সোহনি সরকারের সঙ্গে অব্যাহতভাবে কাজ করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে যাবে না বিএনপি

‘মুখে টেপ লাগিয়ে রোকসানাকে ধর্ষণ করি’


অনলাইন ডেষ্ক

আপডেট সময়: ৩০ জানুয়ারী ২০১৮ ১০:৫৪ এএম:
‘মুখে টেপ লাগিয়ে রোকসানাকে ধর্ষণ করি’

সিদ্ধিরগঞ্জে ১০ বছরের স্কুল ছাত্রী রোকসানাকে অপহরণের পর ধর্ষণ, হত্যা ও লাশ গুমের বর্ণনা দিয়েছেন হত্যাকারী নিজেই। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে মূলহোতা রায়হান কবির সোহাগ (২৮) নিজের দোষ স্বীকার করে নারায়নগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে।

এর আগে রোববার রাতে নারায়ণগঞ্জের বন্দরের নবীগঞ্জ টি হোসেন রোড এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে এক প্রেসব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

জবানবন্দিতে সোহাগ জানান, বেড়ানোর কথা বলে আমি রোকসানাকে বাসায় নিয়ে যাই। পরে মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে তাকে ধর্ষণ করি। এবং হাত-পা বেঁধে গলায় পাড়া (পা দিয়ে চেপে) দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করি। তারপর লাশ একটি বস্তায় ভরে ব্রিজের ঢালে ফেলে দেই।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফুদ্দিন আহমেদ জানান, রায়হান রোকসানা হত্যার একমাত্র আসামি। প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পুলিশ প্রথমে রায়হান কবির সোহাগের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। পরে তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্কুল ছাত্রী রোকসানাকে অপহরণ করে নিজ বাসায় নিয়ে মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে নির্যাতনের পর শ্বাসরোধ করে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে। পরে নিহত রোকসানার হাত পা বেঁধে বস্তায় ভরে একটি ব্যাটারি চালিত আটো রিকসায় করে সোনারগাঁয়ের কাইক্কারটেক চর এলাকায় নিয়ে ব্রিজের নিচে ফেলে দিয়ে আসে।

এদিকে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করলে ঐ দিন বিকেলে রায়হান নারায়নগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আহমদ হুমায়ুন কবিরের আদালতে হাজির করা হয়। পরে সে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে আদালতে। আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top