Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২৬ মে ২০১৮ , সময়- ৪:১১ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
মুক্তিযুদ্ধে ভারতবাসীর সহযোগির কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশজুড়ে গ্রেফতার বাণিজ্যের পাশাপাশি হত্যা-বাণিজ্য চলছে : রিজভী এই সম্মানসূচক ডিগ্রি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উৎসর্গ করছি : প্রধানমন্ত্রী আ'লীগের টার্গেট চার সিটিতে নৌকার বিজয়  ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত শেখ হাসিনা ইসলাম ধর্ম প্রচারে ও প্রসারে শেখ হাসিনার ভূমিকা  সুনামগঞ্জে এ বছরসহ চার বছরে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন ৯০ জন ফুটবলের চীনে জন্ম, ইংল্যান্ড বড় করেছে আর ব্রাজিল দিয়েছে পরিপূর্ণতা কক্সবাজারের তালিকাভুক্ত ইয়াবা গডফাদারা সবাই প্রভাবশালী, নামের তালিকা মাদকবিরোধী অভিযানে ফের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১০

দেশের প্রধান দুই দলের বাস্তবিক অবস্থা।।আজকের জনমত


ওয়াহিদুজ্জামান

আপডেট সময়: ৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ১১:০৯ এএম:
দেশের প্রধান দুই দলের বাস্তবিক অবস্থা।।আজকের জনমত

৮ ফেব্রুআরি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সৃষ্ট মামলার রায় নিয়ে জনমনে একটা চাপা অস্থিরতা বিরাজ করছে।কি হতে পারে নিম্ন আদালতের রায়ে যদি খালেদা জিয়ার শাস্তি হয়। আপিলের প্রসংজ্ঞ পরে, ততক্ষনে কি হতে পারে?

জন অভিমতে এটা প্রতিয়মান- জনগন কোন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি প্রত্যাশা করে না। তারা সুষ্ঠ পরিবেশ প্রত্যাশী। তবে যতই বলা হোক না কেন, সুসংগঠিত ও শান্তিপুণ' অবস্থা অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। এদেশে শান্তি পুন্য প্রতিবাদের উদাহারন দীর্ঘ নয়। তাই আদৌ সেটা কতটুকু আশাকরা যেতে পারে?

একথা অবধারিত সত্য, জনগন কে কোন ইস্যু দিলেই, তারা লাফিয়ে পড়ে সব এলোমেলো করে ফেলবে। এমন ভাবার যৌক্তিকতা কমেছে। কারন জনগন এখনো পূর্ব হতে অনেক সচেতন। যা বাংলাদেশের সার্বিক প্রেক্ষাপটে একটা ইতিবাচক দিক।

জিয়া চেরিটেবেল মামলা বর্তমান সরকারের আমলে রুজুকৃত নয়। তবে সরকারের ইনটেনসন লক্ষনীয়। অবশ্যই সরকার কোন অপ্রত্যাশিত বিষয় ঠেকাতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। আর এটাই সাভাবিক। তবে বিএনপির রাজনৈতিক ভুমিকায় প্রকাশিত যে তারা ধরেই নিয়েছে, দুদকের দায়েরকৃত মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা হওয়ার সম্ভাবনা বেশী। অবশ্য বিজ্ঞ আইনজীবিদের এই মামলার বিষয়ে অভিমত স্পষ্ট। তিনারা বলছেন, নিম্ন আদালতের রায়ে শাস্তি হলেও, খালেদা জিয়ার উচ্চ আদলতে আপিল ও জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে তেমন কোন সমস্যা তারা দেখছেন না। যদি না সরকারী দল সংসদে নতুন কোন আইন পাস না করে। 

দেশের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান, পরিস্কার কোন অবস্থান জনগন এখনো অবগত নন। কারন তারা বলছেন, আগামী ২০১৮ এর জাতীয় নির্বাচনে তারা অংশ নিবেন। যদি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয়। আর সরকারী দলতো বরাবরই বলছেন, সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শেখ হাসিনার অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশের প্রধান দুই দলের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে, সাধারন মানুষ যে একটা ধুম্রজালে পতিত হচ্ছে যা মোটেও আশাব্যঞ্জক বিষয় নয়। আবারো বিজ্ঞজনের মুখের ভাষা বলতে হয় 'রাজনীতি মানুষের জন্য। রাজনীতির জন্য মানুষ নয়।'

এবিষয়ে একটু পিছনের দিকে না তাকালে নয়!

বিগত ৯ বছর আগে ক্ষমতাসীন বিএনপি ছিলো জনমনে কিছুটা হলেও বিতর্কিত বাংলাদেশের বিএনপি জামাত জোট সরকার। যা জনগনের মাঝে এ বিষয়ে ক্ষত থাকাটা সর্বজনবিদিত।

ততকালীন বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রীর পুত্র তারেক রহমানে রাজনৈতিক ভুমিকা ও আজকের প্রধানমন্ত্রীর পুত্রের রাজনৈতিক অবস্থান জনমনে তারতম্যের দীর্ঘপ্রাসঙ্গিকতা আস্তেই পারে।

তাই সার্বিক প্রেক্ষাপট না যেয়েও বলা যায়, পাবলিক রিয়াকশনে বর্তমান সরকার নেতিবাচক বিবেচনায় দন্ডায়মান নয়। অনেকটাই নিরপেক্ষ ভাবে বলা যায়, এ জাতীয় বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জন গ্রহনযোগ্যতায় অনেকটা এগিয়ে। আর এ প্রেক্ষাপটে, শেখ হাসিনার সরকার, রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ হতে অনেকটা ইতিবাচক অবস্থায় আসীন রয়েছেন।

যা আওয়ামীলীগ সরকারের জন্য প্লাস পয়েন্ট। যে প্লাস পয়েন্ট সরকারকে এখনো একটা সুসংগঠিত অবস্থায় দাড়িয়ে রাখতে সহায়তা করছে। যেটা আগমী জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনার অবস্থা নানা প্রতিকুলতায় আবর্তিত থেকেও শক্ত অবস্থান তৈরী করতে সামর্থ হয়েছে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top