Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , সময়- ৯:৫৮ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিতর্ক কেন ? বিএনপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | প্রজন্মকণ্ঠ পছন্দের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আবেদন খালেদা জিয়ার | প্রজন্মকণ্ঠ খালেদা জিয়া কারাগারের বাইরে থাকার সময়ও জনগণ তার ডাকে সাড়া দেয়নি : ওবায়দুল কাদের বিএনপি-জামায়াত ক্লিনহার্ট অপারেশন চালিয়ে আ'লীগের অসংখ্য নেতাকর্মীকে নির্যাতনের শিকার করেছিল : প্রধানমন্ত্রী  ধর্মমন্ত্রী ও ভূমিমন্ত্রীর  কড়া সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রিজভীর নেতৃত্বে মিছিল করেছে বিএনপি আ'লীগের প্রতিনিধিদলের উত্তরবঙ্গ সফর শুরু । প্রজন্মকণ্ঠ   বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন : সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার অঙ্গীকার | প্রজন্মকণ্ঠ  সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে মাঠে নামছে স্বাগতিক বাংলাদেশ, আগামীকাল | প্রজন্মকণ্ঠ

রাবির ফোকলোর বিভাগের সভাপতি দিনভর অবরুদ্ধ


আহমেদ ফরিদ, রাবি প্রতিনিধি

আপডেট সময়: ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ৮:৩৬ এএম:
রাবির ফোকলোর বিভাগের সভাপতি দিনভর অবরুদ্ধ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শ্রেণিকক্ষ নিয়ে দুই বিভাগের দ্বন্দ্বের জেরে এক বিভাগের সভাপতিকে তার নিজ কক্ষে তালা দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাঈল হোসেন সিরাজী ভবনে অবস্থিত ফোকলোর বিভাগের শিক্ষার্থীরা সভাপতির কক্ষের সামনে বসে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে তার পদত্যাগের দাবি জানান। 

বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি অবরুদ্ধ ছিলেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হবে বলে জানায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

এসময় তারা সভাপতির পদত্যাগসহ চার দফা দাবি ঘোষণা করেন। তাদের অন্য দাবিগুলো হলো, তাদের ১২১ নম্বর কক্ষ ফিরিয়ে দিতে হবে, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও উত্যক্তের বিচার করতে হবে, অপহরণের হুমকিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। 

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানায়, ‘বিষয়গুলো আমরা আমাদের বিভাগকে মৌখিকভাবে জানালে সমাধানের আশ্বাস দেয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন সমাধান দিতে পারেনি। তাই গত বুধবার থেকে ক্লাস বর্জন করেছি। দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’

এদিকে অবরুদ্ধ অবস্থায় ফোকলোর বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আখতার হোসেন বলেন, ‘১২১ নম্বর কক্ষ ফিরিয়ে আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে আমাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। আশ্বাস দিলেও শিক্ষার্থীরা মানছেন না। সমস্যাগুলো সমাধানে লিখিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তারা আলোচনা মাধ্যমে সমাধান করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।’

এর আগে বুধবার সকালে ফোকলোর বিভাগের ১২২ নম্বর কক্ষে চতুর্থ বর্ষের ক্লাস চলাকালে ইতিহাস বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা বিশৃঙ্খলা করছিল। এতে পাঠদানে সমস্যা হওয়ায় চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী তাদেরকে গোলমাল করতে নিষেধ করেন। কিন্তু এরপরেও তারা গোলমাল বন্ধ করেনি। পরে নিষেধ অমান্য করাকে কেন্দ্র করে ফোকলোর বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাকবিত-ায় জড়িয়ে পড়েন ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান দিতে না পারায় এ অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটায় শিক্ষার্থীরা।

তবে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীরা বলেন, তাদের ১২১ নম্বর কক্ষটি হস্তগত করতেই ফোকলোর বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের সঙ্গে বাকবিত-ায় জড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে ক্লাস শুরুর পূর্বে তারা আমাদের ১২১ নম্বর কক্ষের নেমপ্লেম ভেঙে ফেলে। আমাদের এক শিক্ষক দ্বিতীয় বর্ষের ক্লাস নিতে গেলে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এরপরও ক্লাস শুরু করলে তারা ক্লাসের সামনে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান বলেন, সোয়া ১২টায় আমরা প্রক্টরিয়াল বডি গিয়ে তাকে তালা খুলে দিয়ে আসি। সাড়ে ১২টায় মিমাংসার জন্য কলা অনুষদ ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধিকর্তাসহ ইতিহাস ও ফোকলোর বিভাগের শিক্ষকদের বসার কথা ছিল। কিন্তু ফোকলোর বিভাগের সভাপতি আবারো অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের আর বসা হয়নি। পরবর্তী সময়ে ইতিহাস ও ফোকলোর বিভাগের শিক্ষকরা উপাচার্যের সঙ্গে বসে মিমাংসা কথা রয়েছে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top