Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২৬ মে ২০১৮ , সময়- ৪:১৩ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
মুক্তিযুদ্ধে ভারতবাসীর সহযোগির কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশজুড়ে গ্রেফতার বাণিজ্যের পাশাপাশি হত্যা-বাণিজ্য চলছে : রিজভী এই সম্মানসূচক ডিগ্রি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উৎসর্গ করছি : প্রধানমন্ত্রী আ'লীগের টার্গেট চার সিটিতে নৌকার বিজয়  ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত শেখ হাসিনা ইসলাম ধর্ম প্রচারে ও প্রসারে শেখ হাসিনার ভূমিকা  সুনামগঞ্জে এ বছরসহ চার বছরে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন ৯০ জন ফুটবলের চীনে জন্ম, ইংল্যান্ড বড় করেছে আর ব্রাজিল দিয়েছে পরিপূর্ণতা কক্সবাজারের তালিকাভুক্ত ইয়াবা গডফাদারা সবাই প্রভাবশালী, নামের তালিকা মাদকবিরোধী অভিযানে ফের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১০

ভারী অস্ত্রসহ চীন সীমান্তে মার্কিন সেনা মোতায়েন!


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ১০:৫৭ এএম:
ভারী অস্ত্রসহ চীন সীমান্তে মার্কিন সেনা মোতায়েন!

আফগানিস্তানের কান্দাহার বিমানঘাঁটিতে একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট যুদ্ধবিমানের সামনে কয়েকজন মার্কিন সেনাকে দেখা যাচ্ছে। আফগানিস্তানের কান্দাহার বিমানঘাঁটিতে একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট যুদ্ধবিমানের সামনে কয়েকজন মার্কিন সেনাকে দেখা যাচ্ছে।

 
পূর্ব এশিয়ায় হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়- পেন্টাগন। মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এ খবর জানিয়ে বলেছে, চীনের বিরুদ্ধে একটি ফ্রন্ট খোলার লক্ষ্যে ওয়াশিংটন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন শিগগিরই সেদেশের মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট বা এমইইউ’কে পূর্ব এশিয়ায় মোতায়েন করার নির্দেশ দেবে।

এর ফলে ২,২০০ মেরিন সেনাকে তাদের নিজস্ব বিমান, ট্যাংক ও অন্যান্য ভারী অস্ত্রসস্ত্রসহ চীনের সীমান্তে মোতায়েন করা হবে। সাত মাস পরপর এসব সেনা পরিবর্তন করা হবে। এদের কিছু অংশকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ ও আফগানিস্তানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো থেকে সংগ্রহ করা হবে।

এ ছাড়া, পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এর আগে থেকে আমেরিকার প্রায় এক লাখ সেনা মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে জাপানে রয়েছে ৫০ হাজার, দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রায় ৩০ হাজার এবং আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরীয় গুয়াম দ্বীপের ঘাঁটিতে রয়েছে আরো ৭ হাজার মার্কিন সেনা।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন এরইমধ্যে পূর্ব এশিয়ায় চীন ও রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান প্রভাব ঠেকানোর যে কৌশল গ্রহণ করেছে তারই অংশ হিসেবে এসব মেরিন সেনা মোতায়েন করা হবে।

চীনকে প্রতিহত করতে মার্কিন সরকার এর আগেই ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও সামরিক সহযোগিতা শক্তিশালী করেছে। আমেরিকা ও জাপানের সঙ্গে ভারত এরইমধ্যে নৌমহড়া শুরু করেছে যাতে শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াও যোগ দেবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত নিয়ে চীনের মতবিরোধ রয়েছে। এ ছাড়া, পূর্ব চীন সাগরের একাধিক দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়েও বেইজিংয়ের সঙ্গে পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশের মতপার্থক্য রয়েছে। মার্কিন সরকার পূর্ব এশিয়ায় নিজের প্রভাব বাড়ানোর জন্য এসব মতবিরোধকে মোক্ষম সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।


মার্কিন এফ-৩৫ রুখে দিবে চীনের জে-২০ স্টিলথ!

চীন জানিয়েছে, দেশটির বিমান বাহিনীর যুদ্ধ ইউনিটে অত্যাধুনিক স্টিলথ যুদ্ধবিমান যুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনাকে চীনা বিমান বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে বড় ধরনের অগ্রগতি বলে মনে করা হচ্ছে।

চীনা বিমান বাহিনীর মুখপাত্র শেন জিন শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, জে-২০ স্টিলথ বিমান যুক্ত হওয়ায় দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার ‘পবিত্র মিশন’ পরিচালনার সক্ষমতা অর্জিত হলো। পাশাপাশি দেশের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা ধরে রাখাও এখন সহজ হবে।

চীন জে-২০ বিমানের প্রথম উড্ডয়ন পরিচালনা করেছিল ২০১১ সালে এবং আমেরিকার পঞ্চম প্রজন্মের বিমান এফ-২২ এবং এফ-৩৫’র জবাবে বেইজিং জে-২০ বিমান তৈরি করেছে। ২০১৬ সালে দক্ষিণ চীনে এ বিমানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

এছাড়া, গত বছর চীনা পিপল’স লিবারেশন আর্মির ৯০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সামরিক কুচকাওয়াজে এ বিমান প্রদর্শন করা হয়।

বিমানটি দেশীয়ভাবে তৈরি করা হয়েছে তবে বিমানের ইঞ্জিন শক্তির জন্য চীনকে রাশিয়ার ওপর নির্ভর করতে হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top