Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ৬:২৪ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
বাংলাদেশ সরকারের ধারাবাহিকতার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন সৌদি বাদশাহ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের মানুষের জীবনে দিন বদলের যাত্রা শুরু হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী | প্রজন্মকণ্ঠ পুলিশের সঙ্গে কারখানার শ্রমিকরাদের ব্যাপক ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ, আহত ৫০ | প্রজন্মকণ্ঠ গার্মেন্টসের শ্রমিকরা বকেয়া বেতন-বোনাস পরিশোধের দাবিতে সড়ক অবরোধ চলতি সপ্তাহে ভারতের সঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ  নির্বাচন ঘিরে সরগরম জোট ভিত্তিক রাজনীতি এরশাদের বিরুদ্ধে করা মঞ্জুর হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল, আগামী ১৮ নভেম্বর নির্বাচন সামনে রেখে শিগগিরই সারাদেশে অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ২৮ রানে জয় পেলো বাংলাদেশ  সাম্প্রতিক সৌদি আরব সফর : প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন, আগামীকাল

রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডে জড়িত সেনাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে মিয়ানমার


অনলাইন ডেষ্ক

আপডেট সময়: ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ৩:০৬ পিএম:
রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডে জড়িত সেনাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে মিয়ানমার

মিয়ানমার বলছে, তারা ১০ জন রোহিঙ্গা মুসলিমকে হত্যার সাথে জড়িত ১৬ জন লোকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। এদের মধ্যে সৈন্য ও বেসামরিক লোক রয়েছে।

গত সেপ্টেম্বর মাসে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংঘাত চলার সময় এই রোহিঙ্গাদেরকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়।

মিয়ানমারের সৈন্যরা ইতিমধ্যই স্বীকার করেছে যে তাদের কিছু সৈন্য হত্যাকান্ডে অংশগ্রহণ করেছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন মিয়ানমার সফরের সময় দেশটির নেত্রী অং সান সু চির সাথে দেখা করে বলেছেন, রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার পূর্ণাঙ্গ এবং স্বাধীন তদন্ত হওয়া দরকার।

যে ঘটনায় সামরিক বাহিনীসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মিয়ানমার ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে, সেটি ইন দিন ম্যাসাকার নামে পরিচিত।

ওই ঘটনা নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল রয়টার্স বার্তা সংস্থা। এ কারণে সংস্থার দু'জন সাংবাদিককে আটকে রেখেছে মিয়ানমার।

মিয়ানমার সরকারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, মোট সাতজন সৈন্য, তিন পুলিশ সদস্য এবং ছয় জন গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে তারা এই ঘটনায় ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে।

তবে মিয়ানমার সরকারের মুখপাত্র বলেছেন, তাদের এই পদক্ষেপের সাথে রয়টার্সের রিপোর্টের কোন সম্পর্ক নেই, কারণ রয়টার্স রিপোর্ট করার অনেক আগে থেকেই তারা এ নিয়ে তদন্ত করছিল।

এই দশজন রোহিঙ্গাকে হত্যার ঘটনার ব্যাপারে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এর আগে যে দাবি করেছিল, তার সাথে রয়টার্সের অনুসন্ধানের বিরাট ফারাক আছে।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর ভাষ্য হচ্ছে, এরা একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর তারা হামলা করেছিল।

কিন্তু রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে দাবি করেছিল, একটি সাগর সৈকতে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে যাওয়া শত শত মানুষের মাঝখান থেকে সামরিক বাহিনী এই দশজনকে ধরে নিয়ে আসে।

মিয়ানমার সরকার এই ঘটনায় ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে এমন এক সময়, যখন ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রী বরিস জনসন সেদেশ সফর করছেন।

মিয়ানমারের নেত্রী আং সান সু চির সাথে সাক্ষাতের সময় মিস্টার জনসন রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধ সংঘটিত সহিংসতার স্বাধীন এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানান। একই সাথে রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফিরে আসার ব্যবস্থা করারও আহ্বান জানান।

মিয়ানমার যাবার আগে বরিস জনসন বাংলাদেশ সফর করেন এবং কক্সবাজারে একটি শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন।

জনসন অং সান সুচির সাথে বৈঠকের সময় মিয়ানমারে আটক থাকা রয়টারের দু'জন সাংবাদিকের কথা তুলবেন বলে আশা করা হচ্ছিল।

কয়েকদিন আগে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক রিপোর্ট করে যে মিয়ানমারে গণহত্যার উপর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের কারণে তাদের দু'জন সাংবাদিককে আটক করে রাখা হয়েছে। এই দু'জন সাংবাদিক গত বছর ২ সেপ্টেম্বর রাখাইন রাজ্যে ১০ জনকে হত্যার ঘটনা তুলে ধরেন।

তাদের খবর অনুযায়ী, ওই গ্রামে অভিযানের সময় রোহিঙ্গা পুরুষদের একটি দল নিজেদের জীবন বাঁচাতে একটি জায়গায় গিয়ে জড় হয়। তখন ওই গ্রামের কয়েকজন বৌদ্ধ পুরুষ একটি কবর খনন করার নির্দেশ দেন। তারপর ওই ১০ জন রোহিঙ্গা পুরুষকে হত্যা করা হয়। বৌদ্ধ গ্রামবাসীরা অন্তত দু'জনকে কুপিয়ে এবং বাকিদের সেনাবাহিনী গুলি করে হত্যা করে।

অফিসিয়াল সিক্রেসি অ্যাক্ট বা সরকারি গোপনীয়তা আইন ভঙ্গ করার অভিযোগে সাংবাদিক ওয়া লো এবং চ সো উ-কে গত কয়েক মাস ধরে মিয়ানমারের কারাগারে আটক রাখা হয়েছে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top