Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন ২০১৮ , সময়- ৮:৫২ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
মুসল্লিরা জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্য কিছু নিতে পারবেন না : ডিএমপি কমিশনার দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে জামাতের সময়সূচী  ব্রাজিলের সাপোর্টার প্রধানমন্ত্রী, একই দলের সমর্থক জয় মুসলিম উম্মাহর ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি করতেই ইসরাইলের সৃষ্টি নূর চৌধুরী'কে দেশে ফেরাতে কানাডার আদালতে মামলা করেছে সরকার নির্বাচনী কৌশলগত কারনেই জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ছে বিএনপি বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচে ৫-০ ব্যবধানে জয় পেল স্বাগতিক রাশিয়া বাগেরহাট ৩ আসনের উপ-নির্বাচনে নির্বাচিত এমপি'র শপথগ্রহণ ঘরমুখো মানুষ, চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন ট্রেনের যাত্রীরা

চালের দাম আবার ঊর্ধ্বমুখী, বাজার নিয়ন্ত্রণে আশু পদক্ষেপ জরুরী


খুলনা জেলা সংবাদদাতা

আপডেট সময়: ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ১২:৩৬ পিএম:
চালের দাম আবার ঊর্ধ্বমুখী, বাজার নিয়ন্ত্রণে আশু পদক্ষেপ জরুরী

চালের দাম আবার ঊর্ধ্বমুখী। বিশেষ করে সরু ও মোটা সব ধরনের চালের। এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিতে মোটা চালের দাম বেড়েছে কেজিতে সর্বোচ্চ দেড় টাকা। সরু চালের দাম বেড়েছে প্রায় ৩ টাকা পর্যন্ত। খুচরা পর্যায়েও চালের দামের একই অবস্থা। দু-একদিন আগেও খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৬১ টাকায় বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৬৩-৬৪ টাকায়। একইভাবে ৪১ টাকার স্বর্ণা চাল ৪৩ টাকায় এবং ৪৬-৪৮ টাকা কেজি দরের বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮-৫০ টাকায়। মূল্যবৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত থাকলে নিম্ন আয়ের মানুষের আর্থিক চাপ আরো বাড়বে। তাই জরুরি ভিত্তিতে সরকার তথা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, গত বছর হাওড়ে আগাম বন্যায় বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়। একই বছর দ্বিতীয়বারের বন্যায়ও ফসলহানি ঘটে। এতে চালের মজুদ অস্বাভাবিক কমে যায় এবং বাড়তে থাকে এর দাম। বাজার স্বাভাবিক রাখতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবে চাল আমদানিতে উৎসাহ দেয়া হয়। আমদানি শুল্ক নামিয়ে আনা হয় ২ শতাংশে। এরপর ভারত থেকে ব্যাপক হারে চাল আমদানি হতে থাকে। আমদানির এ ধারা এখনো বহমান। যদিও এর প্রভাব বাজারে দৃশ্যমান নয়। উল্টো সরবরাহ ঘাটতি না থাকা সত্ত্বেও ফের চালের দাম বাড়তে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, বর্তমানে ভারত সরকার চাল সংগ্রহ করায় সে দেশে দাম কিছুটা বেড়েছে। আমদানিনির্ভরতা বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়ছে দেশের বাজারেও। ভারতে চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় বড় মিল মালিকরাও সরবরাহ সীমিত করে এনেছেন। তাদের উদ্দেশ্য, দাম বাড়িয়ে অন্যায্যভাবে বিপুল মুনাফা হাতিয়ে নেয়া। তবে এমন সময় চালের দাম আবার বাড়ছে, যখন কিছুদিন আগে কাটা আমন ধানের চাল বাজারে এসেছে। আমদানিকৃত ও আমন চাল দুই মিলে বাজারে চালের বিপুল সরবরাহ থাকার কথা। সে হিসাবে বরং চালের দাম কমাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বর্তমানে বিরাজ করছে উল্টো চিত্র। এ প্রবণতা প্রতিরোধ জরুরি।

সরকারি মহল থেকে চালের দাম কমানোয় খুব একটা কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়; বরং বিভিন্ন বিরূপ মন্তব্যও বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। অর্থমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রী উভয়ই মন্তব্য করেছেন, কৃষকের স্বার্থে চালের দাম ৪০ টাকার নিচে হওয়া উচিত নয়। এটাও পরোক্ষভাবে এবার চালের মূল্যবৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলতে পারে। চালের ঊর্ধ্বমুখী দাম যে নিম্ন আয়ের মানুষকে আরো দরিদ্রতায় ঠেলে দেবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তাই বিষয়টি সরকারের বিষয়টি আমলে নিয়ে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top