Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮ , সময়- ৯:০০ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ড. কামাল হোসেনের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় মামলা সারা দেশে ব্যাপক শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় বিজয় দিবস উদযাপন বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টকে ভোট না দেয়ার আহ্বান খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে সংগ্রাম চলছে, চলবে : ফখরুল  ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী বিজয় দিবসে একাত্তরের বীর শহীদদের প্রতি প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা গণমানুষের শেখ মুজিব, ইতিহাসের মহানায়ক বিজয় দিবসের বীর শ্রেষ্ঠরা বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় দিন, মহান বিজয় দিবস আজ নির্বাচনে নিরাপত্তার ছক চুড়ান্ত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

আন্তর্জাতিক আদালতেও ফেঁসে যেতে পারেন খালেদা !


মোহাম্মদ এ .আরাফাত

আপডেট সময়: ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ৩:৫১ এএম:
আন্তর্জাতিক আদালতেও ফেঁসে যেতে পারেন খালেদা !

উপ-সম্পাদকীয় : আন্তর্জাতিক আদালতে ও ফেঁসে যেতে পারেন খালেদা !

নাইকো দুর্নীতি মামলা এবং হাসিনা - খালেদা সত্যটা জানুন। 

কিছু কিছু বিএনপি-জামাতপন্থি জ্ঞানপাপীরা খালেদা জিয়ার এতিমের টাকা চুরির মামলায় নিম্ন আদালতে সাজা হয়ে যাওয়ার পর গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তথাকথিত ১৫ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি মামলার হিসাব চাইছে। চুরি করে ধরা খেয়ে ওরা এখন সুকৌশলে মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টায় নেমেছে। ওদের উদ্দেশ্য, সংখ্যার খেলায় মানুষকে ধোঁকা দেয়া। খেয়াল করে দেখুন, ১৫ হাজার কোটি টাকার মামলার মধ্যে নাইকো মামলাটিই ১৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকার। এই মামলা শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়া উভয়ের বিরুদ্ধেই ছিল এবং মামলা এখনও চলছে। কিন্তু পার্থক্যটা কোথায়? 

পার্থক্যটা হলো শেখ হাসিনার সরকার ১৯৯৬-২০০১ সালে নাইকোর সাথে দর কষাকষি করেছে, শেষ পর্যন্ত চুক্তি করেনি কারণ নাইকোর একটি শর্ত বাংলাদেশের স্বার্থের বিপক্ষে যাচ্ছিলো। বাংলাদেশ বিরোধী শর্ত মেনে না নেয়ায় তখন নাইকোর সাথে কোন চুক্তিই সই হয়নি। 

অন্যদিকে খালেদা জিয়ার সরকার ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসেই নাইকোর সাথে তাদের সকল শর্ত মেনে চুক্তি সই করে ফেলে। ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর নাইকো-বাপেক্স জেভিএ সই হয়। পরবর্তিতে কানাডার কোর্টে প্রমানিত হয় যে, নাইকো বাংলাদেশে খালেদা জিয়ার আমলে ঘুষ দিয়ে কাজ পায়। হাওয়া ভবনের গিয়াস উদ্দিন আল মামুন ঘুষ নেন এবং খালেদা জিয়ার তৎকালীন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেনকে ১ লাখ ৯০ হাজার কানাডীয় ডলার দামের একটি গাড়ি ও বিদেশ সফরের জন্য পাঁচ হাজার ডলার ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে নাইকোর বিরুদ্ধে। 

দুর্নীতির মাধ্যমে নাইকোর সঙ্গে বাপেক্সের চুক্তি সম্পাদন প্রক্রিয়ায় জড়িত হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ সহ ২৬ জনের নাম আন্তর্জাতিক আদালতে (ইকসিড) উপস্থাপন করা হয়েছে।

কাজেই নাইকো সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলা কোথায়- এটি খোঁজ নিতে গেলে খালেদা জিয়ার ১৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকার দুর্নীতির মামলাটি খোঁজ করুন। 

শেখ হাসিনা দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে নাইকোর সাথে কোন চুক্তিই করেন নি। কাজেই তার বিরুদ্ধে নাইকো সংক্রান্ত ১৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকার মামলার হিসাব খুবই সহজ- শেখ হাসিনা চুক্তিই করেন নি, কাজেই মামলা খারিজ আর খালেদা জিয়া দেশ বিরোধী চুক্তি করেছিল দুর্নীতির মাধ্যমে - কাজেই খালেদা জিয়া এবার শুধু দেশে নয়, আন্তর্জাতিক ভাবেও ফেঁসে যাবেন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top