Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ৪:১০ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
দ্বিতীয় স্যাটেলাইট ও দ্বিতীয় যমুনা সেতুর পরিকল্পনা করছি ৩৭ এজেন্সিকে শাস্তি, মামলার নির্দেশ আইসিসি নতুন সিইও হিসেবে নির্বাচিত মানু সোহনি সরকারের সঙ্গে অব্যাহতভাবে কাজ করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে যাবে না বিএনপি ব্লগার হত্যার তদন্তে অগ্রগতি নেই অনিবার্য কারণবশত ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন স্থগিত ‘বিজয় উৎসব’ উপলক্ষে ডিএমপি’র ট্রাফিক নির্দেশনা বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ রয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী হঠাৎ করেই আলোচনায় চিত্রনায়িকা মৌসুমী

যে ভাষায় কথা বলে মাত্র ৩ জন | প্রজন্মকন্ঠ


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ৬:২৪ পিএম:
যে ভাষায় কথা বলে মাত্র ৩ জন  | প্রজন্মকন্ঠ

পৃথিবী থেকে যে ভাষাগুলো হারিয়ে যাচ্ছে তারই একটি মৃতপ্রায় ভাষার নাম 'বাদেশি’। এ ভাষায় মাত্র তিনজনই বর্তমানে কথা বলেন।
পাকিস্তানের উত্তরের প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকার এ তিন মানুষ ভাষাটিকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের মৃত্যু ঘটলে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে এ ভাষাটিও।

অথচ এক সময় বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে ‘বাদেশি’ ভাষার ব্যবহার ছিল।

পৃথিবীতে কি কি ভাষায় এখনও মানুষ কথা বলে, কোন ভাষা হুমকির মুখে, কোনো ভাষা বিলুপ্ত হয়ে গেছে ইত্যাদি পরিসংখ্যান ও তথ্য রাখে এথনোলগ।

যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠানের তথ্যানুযায়ী,  তিন বা তার বেশি প্রজন্ম ধরে ‘বাদেশি’ ভাষায় আর কেউ কথা বলে না।

কিন্তু বিবিসি’র অনুসন্ধানে বিশিগ্রাম উপত্যকায় তিন বৃদ্ধকে খুঁজে পাওয়া গেছে যারা এখনও বাদেশি ভাষায় কথা বলেন। তাদের একজন রহিম গুল, যার বয়স সত্তরের বেশি।

তিনি বলেন, “এক প্রজন্ম আগেও গ্রামবাসীদের সবাই বাদেশি ভাষায় কথা বলত।”

“আমাদের গ্রামের ছেলেরা অন্যান্য গ্রাম থেকে কয়েকজন নারীকে বিয়ে করে আনে, যারা ‘তরওয়ালি’ ভাষায় কথা বলে। এক পর্যায়ে তাদের সন্তানরাও মায়ের ভাষায় কথা বলা শুরু করে এবং আমাদের ভাষা হারিয়ে যাওয়া শুরু হয়।”

যদিও পশতু ভাষার কারণে ‘তরওয়ালি’ ভাষাও বিলুপ্তির পথে বলে জানায় বিবিসি।

সাঈদ গুল বলেন, “এখন আমাদের সন্তান ও তাদের সন্তানরা তরওয়ালি ভাষায় কথা বলছে। আমরা কার সঙ্গে আমাদের ভাষায় কথা বলব? কথা বলতে না পারায় আমরা প্রতিদিনই শব্দ ভুলে যাচ্ছি।”

কাজের অভাবে বিশিগ্রামের লোকজন দীর্ঘদিন এলাকার বাইরে থাকছে। তারা অনেকেই সোয়াত উপত্যকায় কাজ করে, সেখানে লোকজন পশতু ভাষায় কথা বলে।

ইউনেস্কোর তথ্যানুযায়ী, প্রতি দুই সপ্তাহে বিশ্বের বুক থেকে হারিয়ে যাচ্ছে একটি করে ভাষা।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top