Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন ২০১৮ , সময়- ৯:০১ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
মুসল্লিরা জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্য কিছু নিতে পারবেন না : ডিএমপি কমিশনার দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে জামাতের সময়সূচী  ব্রাজিলের সাপোর্টার প্রধানমন্ত্রী, একই দলের সমর্থক জয় মুসলিম উম্মাহর ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি করতেই ইসরাইলের সৃষ্টি নূর চৌধুরী'কে দেশে ফেরাতে কানাডার আদালতে মামলা করেছে সরকার নির্বাচনী কৌশলগত কারনেই জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ছে বিএনপি বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচে ৫-০ ব্যবধানে জয় পেল স্বাগতিক রাশিয়া বাগেরহাট ৩ আসনের উপ-নির্বাচনে নির্বাচিত এমপি'র শপথগ্রহণ ঘরমুখো মানুষ, চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন ট্রেনের যাত্রীরা

নগরের ধূলি ও ব্যাঙের মূত্রপাত


মোজাম্মেল হক নিয়োগী

আপডেট সময়: ১ মার্চ ২০১৮ ১১:১৭ পিএম:
নগরের ধূলি ও ব্যাঙের মূত্রপাত

ফেসবুক স্টাটাস : একদা এক নগর ছিল। সেই নগর ধুলো-ময়লা-আবর্জনায় ঢাকা ছিল। এই নগরীর নগরপিতা ছিলেন ঘুমমানুষ। তিনি হাঁটিবার সময় ঘুমাইতেন। বিছানায় শুইয়া ঘুমাইতেন। চেয়ারে বসিয়াও ঘুমাইতেন। এই দিকে নগরে এতো ধূলির উৎপাদন হইল যে, নাগরিকদের ফুসফুস ভরিয়া গেল। কাহারো কাহারো ধূলিতে ফুসফুস ভরিয়া গিয়া ফাটিয়া গেল। কাহারো ছ্যাদা হইয়া গেল।

এই অবস্থা দেখিয়া এক অবাক ব্যাঙ মাটির নিচ হইতে উঠিয়া আসিয়া নগরপিতার সামনে হাজির হইল। ব্যাঙ বলিল, আমি হ্যামিলনের বংশীবাদকের বংশধর। আমাকে যদি একশত টাকা দিতে পারেন তাহা হইলে নগরের সকল ধূলি এক ফুঁ দিয়া উড়াইয়া বঙ্গোপসাগরে ফেলিয়া দিব। 

অথবা ধূলির উপর মূত্রপাত করিয়া ধূলিকে ধূলিস্যাৎ করিয়া দিব। নগর পিতা ঘুমঘুম চোখে জিজ্ঞেস করিলেন, তাতে কী লাভ হইবেক? ব্যাঙ বলিল, লাভ দুইটি হইবেক। 

একটি হইল, নগরবাসীর ফুসফুস নিরাপদে থাকিবে। দ্বিতীয়টি হইবেক, নগরের ধূলিতে বঙ্গোপসাগরে আরেকটি নগর সৃষ্টি হইবেক।
নগরপিতা বলিলেন, উত্তম প্রস্তাব বটে। তবে আমার নগরের ধূলি অপসারণের জন্য একশত টাকা বাজেট নাই। যে বাজেট রহিয়াছে তাহা মানুষের ভোগান্তি বাড়াইবার জন্য পরিকল্পনা করিতে হইবে। তবু ব্যাঙ সাহেব আপনি যখন বলিলেন, আমি নিজের পকেট থেকে একশত টাকা ব্যয় করিব।

ব্যাঙ দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে কহিল, আপনি নিজের পকেট হইতে ব্যয় করিবেন কেন?
ব্যাঙের দুঃখ দেখিয়া নগরপিতা হাসিতে ফাটিয়া পড়িলেন। তিনি বলিলেন, নিজের পকেট আর নগরের কোষাগার একই জিনিস। ব্যাঙ সাহেব আপনি মন খারাপ করিবেন না। এখন বলুন, কী উপায়ে আপনি নাগরিকদের অতি প্রিয় ধূলি অপসারণ করিবেন।
ব্যাঙ হাসিয়া কহিল, দুটি উপায় আছে। 

একটি হইল আমি মূত্রপাত করিয়া সকল ধূলিকে ধূলিস্যাৎ করিয়া দিতে পারি। আরেকটি হইল, ফুঁ দিয়া বঙ্গোপসাগরে উড়াইয়া নিতে পারি। তবে ধূলি অপসারণের পর যদি আমার পাওনা পরিশোধ না করেন তাহলে হ্যামিলনের বংশীবাদকের মতো আমি একই নগরীকে বঙ্গোপসাগরে একটা চুবানি দেব। কথাটা মনে থাকে যেন।

ব্যাঙের কথা শুনিয়া নগরপতি মনে মনে হাসিলেন তবে তাহা প্রকাশ করিলেন না। তিনি বললেন, আমি তো আর সেই যুগের নগরপতি নই। ব্যাঙ সাহেব আপনি ধূলিকে ধূলিস্যাৎ করুন।

ব্যাঙ নগরীর একদা এক রাতে মূত্রপাত করিয়া নগরের সকল ধূলিকে ধূলিস্যাৎ করিয়া তাহার পাওনা বুঝিয়া লইবার জন্য আসিলে সেই নগরপতিকে আর খঁজিয়া পাওয়া গেল না। ব্যাঙ এখন রাগে ফুঁসিতেছে।

নাগরিকগণ জানে না ব্যাঙ বাবু নগরকে সাগরে চুবাইবে কিনা।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top