Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন ২০১৮ , সময়- ৮:৫৬ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
মুসল্লিরা জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্য কিছু নিতে পারবেন না : ডিএমপি কমিশনার দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে জামাতের সময়সূচী  ব্রাজিলের সাপোর্টার প্রধানমন্ত্রী, একই দলের সমর্থক জয় মুসলিম উম্মাহর ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি করতেই ইসরাইলের সৃষ্টি নূর চৌধুরী'কে দেশে ফেরাতে কানাডার আদালতে মামলা করেছে সরকার নির্বাচনী কৌশলগত কারনেই জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ছে বিএনপি বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচে ৫-০ ব্যবধানে জয় পেল স্বাগতিক রাশিয়া বাগেরহাট ৩ আসনের উপ-নির্বাচনে নির্বাচিত এমপি'র শপথগ্রহণ ঘরমুখো মানুষ, চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন ট্রেনের যাত্রীরা

মায়ানমার সীমান্ত উত্তেজনা

রাষ্ট্র যেন পাতা ফাঁদে পা না দেয় | প্রজন্মকন্ঠ


মোঃ গোলাম সারোয়ার

আপডেট সময়: ২ মার্চ ২০১৮ ১:১৬ এএম:
রাষ্ট্র যেন পাতা ফাঁদে পা না দেয় | প্রজন্মকন্ঠ

ফেসবুক স্টাটাস : মিয়ানমার বর্ডার এলাকায় আবারো ভারি অস্ত্র মোতায়েন করেছে এবং প্রয়োজনের চেয়ে অতি অতিরিক্ত সৈন্য সমাবেশ করেছে। 

আমরা জানি এটি বর্ডার নর্মসকে অবজ্ঞা করা এবং বাংলাদেশকে উস্কানী দেয়া। কিন্তু উস্কানীতে পা দেওয়ার সময় আমাদের এটা নয়।

আমরা গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করে দেখলাম, যখনই নোবেল লরিয়েট কিংবা হেভিওয়েট মানবাধিকার কর্মীরা খালি হাতে কুতুপালংয়ে কানতে আসে তখনই বাংলাদেশ ষড়যন্ত্রের সঙ্কটের মুখোমুখি পড়ে!

আমরা জানি, আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বরা যদি আসে তবে রোহিঙ্গা সমস্যাটা বিশ্বের দৃষ্টি কাড়ে। এতে করে লাভবান হওয়ার কথা আমাদেরই। কারণ রোহিঙ্গা সমস্যাটার সৃষ্টি বার্মাতে হলেও উদারতা আর মহানুবতার কারণে ভুগতেছি আমরা!

কিন্তু পরিহাস হলো, আমাদের নোবেল ভাগ্য খারাপ। যেটিই নোবেল পায় সেটিই কেন যেন বাংলাদেশকে খালি গর্তে ফেলতে চায়! এমনকি ঐ যে গনিমিয়া একজন গরীব কৃষক-  সেই গনিমিয়ার ছেলেটাও নোবেল পাওয়ার পর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রীদের দলে ভিড়ে যায়!

মিয়ানমার দেশটির কোন পোটেনশিয়ালিটি নেই-এটা কানার ভাই আন্ধাও জানে। নোবেল কমিটি সুচির গায়ে একটি সুশীল লেবেলের তরিকা এঁটে দেয়। তারপর সে পেয়ে যায় চণ্ডীদেবীর শক্তি। 

আমাদের মনে আছে, এই মঘের রানীও কিন্তু আমাদের গনিমিয়ার শিক্ষিত সন্তানটির তলে তলে বন্ধু। কেন তাঁরা দল বেঁধে কানতে এলে সীমান্তে সৈন্য বাড়ে আমরা কিন্তু জানি। 

আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবো। কিন্তু ফাঁদে পা দিবোনা। অর্থনীতির মহাসড়কে মিয়ানমারের দু'আনারও দাম নাই। কানাকে কিনেনা লেংড়া। কিন্তু আমাদের দাম আছে। আমাদের গতি সর্ববিচারে উর্ধ্বগামী। এই অবস্থায় প্রতিবেশী সবার চোখ ছানাবড়া। তাই তারা গর্ত খুড়বেই। 

আর দীর্ঘকালের পরিকল্পনায় আমাদের মনে রাখতে হবে, মানব সভ্যতার প্রতিটি জনপদ রিকন্সিলিয়েশন হবে। ভূমি বিরোধ অনন্ত। আর ভূমি রক্ষা করতে রক্ত লাগে, শক্তি লাগে আরো লাগে জ্ঞান, উদ্ভাবন ও সময় উপযোগী অস্ত্র।সভ্যতার শান্তির জন্যেও শক্তি আর অস্ত্র লাগে। এগুলো মাথায় রাখতে হবে। 

আমরা শুধু তৈরি পোষাকের বুতাম লাগাবোনা, আঞ্চলিক ভাষায় তিরিং বিড়িং নাটক বানাবোনা, আলাভোলা শিল্প আঁকবোনা। এগুলো আমরা বিশ্বমানেই করবো  আবার আমাদেরকে মহাজাগতিক গোলাও বানাতে হবে। রাষ্ট্র যেন সময় খরচ না করে এগুলো চিন্তা করে। আর পররাষ্ট্র নীতিটাও এবার পূণর্গঠন করে ।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top