Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ , সময়- ২:৩৩ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ভোটের মাঠে লড়বেন ১,৮৪১ জন প্রার্থী, স্বতন্ত্র ৯৬ শেখ হাসিনার হ্যাট্রিক নাকি ক্ষমতায় আসছে বিরোধীরা ? বিশ্লেষণে আন্তর্জাতিক মহল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৎ নেতা হিসাবে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত  ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট উন্নয়নের স্বার্থে হোক, শন্তির পক্ষে হোক’ জামিনে মুক্ত ভিকারুননিসার শিক্ষক হাসনা হেনা ময়মনসিংহ মুক্ত দিবস আজ খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে রিটের আদেশ আগামীকাল  মনোনয়নপত্র ফিরে পাচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন শেখ হাসিনা, ১২ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ

এমপির নির্দেশে হামলা, ভাঙ্গা হলো বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবিও ! 


সিলেট প্রতিনিধি

আপডেট সময়: ২৯ মার্চ ২০১৮ ২:৪৬ পিএম:
এমপির নির্দেশে হামলা, ভাঙ্গা হলো বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবিও ! 

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ‘জনতা উচ্চ বিদ্যালয়’ এর প্রধান শিক্ষককে সুনামগঞ্জ -১ আসনের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপি কতৃক মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠান থেকে ডেকে নিয়ে লাঞ্চিত করেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি আলমগীর কবীরের ব্যক্তিগত চেম্বারে হামলা ও ভাংচুর চালায়। ভাঙ্গা হলো বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবিও। এমপির নির্দেশে হামলা করা হয়েছে তার দাবি।

প্রধান শিক্ষককে লাঞ্চনার ঘটনায় বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ’র সভাপতি ও উপজেলা আ’লীগের সহ সভাপতি সম্পাদক আলমগীর কবীরের প্রতিবাদী বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এমপি রতন অনুসারীদের মধ্যে উক্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উপজেলা সদরের জনতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে দোকান ঘর নির্মাণ, নামফলক ভেঙ্গে ফেলা এবং ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি সভাপতি আলমগীর কবীরের স্বেচ্ছাচারিতা ও দূর্নীতির প্রতিবাদে ধর্মপাশা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ধর্মপাশা জনতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও ধর্মপাশা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ব্যানারে মঙ্গলবার মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ধর্মপাশা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি শামীম আহেমদ বিলকিস, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার রুহল আমিন তালুকদার, সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য শামীম আহমেদ মুরাদ, ধর্মপাশা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম আহম্মেদ প্রমুখ।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও জনতা মডেল উ্চ্চ বিদ্যালয় পরিচালানা পর্ষদ সভাপতি আলমগূীর কবীর বলেন, ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্যকে নিয়ে সভা করে রেজুলেশনের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে মাঠের এক কোনে একটি ক্যান্টিন নির্মাণ কাজ চলছে। এটিকে কেন্দ্র করে ২৬ মার্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অকথ্য অম্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেছেন এমপি রতন ।

তিনি দাবি করেন, স্থানীয় এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের নির্দেশেই মঙ্গলবার বেলা পৌনে দু’টার দিকে উপজেলা সদর তার চেম্বারের এমপি রতনের অনুসারী শামীম আহমেদ মুরাদ,সেলিম আহম্মেদসহ ২০ থেকে ২৫জন মিলে আমার চেম্বারের তালা ভেঙ্গে ভেতরে থাকা  চেয়ার, টেবিল, টিভি, ফ্রিজসহ সমস্ত মালামাল ভাংচুর করেছে। এ সময় তারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিও  ভেঙ্গে ফেলে। এ দৃশ্য দেখে খুব কষ্ট পেয়েছি।

শামীম আহমেদ মুরাদ ও সেলিম আহম্মেদ তাদের বিরুদ্ধে আলমগীর কবীরের আনা আনা অভিযোগ তাঁরা অস্বীকার করেছেন। তাঁরা বলেন,আলমগীর কবীর তাঁর নিজের দূর্নূীতি ও অনিয়ম ঢাঁকতেই তার লোকজন দিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

ধর্মপাশা থানার ওসি সুরঞ্জিত তালুকদার মঙ্গলবার রাতে বলেন, এ সংক্রান্ত কোনো লিখিত অভিযোগ আমি এখনো পাইনি। তবে চেম্বারের ভেতরে কিছু মালামাল ভাঙ্গা অবস্থায় পাওয়া গেছে।

সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপি মঙ্গলবার রাতে বলেন, হামলা ও ভাংচুর করার জন্য আমি কাউকে নির্দেশ দিইনি। জনতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলমগীর কবীর বিদ্যালয়ের মাঠটিকে দখল করে মাঠটির সৌন্দর্য্য নষ্ট করার পরিকল্পনা করেছেন। তাঁর স্বার্থ হাসিল করতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এগুলো ঢাকতেই সে আমার বিরুদ্ধে এ ধরণের মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top