Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ১০:৩১ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে পাকিস্তানকে আর্থিক অনুদান বন্ধের ঘোষণা আমেরিকার ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অংশ নেবেন আবদুল লতিফ সিদ্দিকী  ‘মদিনা সনদেই মহানবী (সা.) ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলেছেন’ : সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের হয়ে জাপার সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা  গুজব খবর : বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিখোঁজ  ! আ'লীগ ও মহাজোটের মনোনয়ন ঘোষণা দিন পাঁচেক দেরি হবে : ওবায়দুল কাদের বিকৃত ইতিহাস থেকে দেশকে মুক্ত করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ঝিনাইদহে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান সমাপ্ত, আটক ১

গৃহবধু জাহানারা বেগম (৪৫) সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ২ এপ্রিল ২০১৮ ৪:৩৯ এএম:
গৃহবধু জাহানারা বেগম (৪৫) সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী

ঢাকার ধামরাই উপজেলার কাওয়ালীপাড়া গ্রামের গৃহবধু আদর্শ নারী জাহানারা বেগম (৪৫) সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছে। ৫০ শতাংশ জমি প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সবজি চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছে। একই চাষের জমিতে চাষ হচ্ছে, টমেটো, শষা, কুমড়া, মিষ্টি পুরকল, বেগুন, পিয়াজসহ বিভিন্ন রকমের সবজি।

সবজি চাষি জাহানারা বেগম বলেন, আজ থেকে ৩০ বছর পূর্বে বাড়ির অমতে নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করি। আমার পিতার বাড়ির আর্থিক অবস্থা ভাল ছিল। কিন্তু আমার স্বামী আব্দুল সাত্তারের বাড়ির আর্থিক অবস্থা দরিদ্রতার শেষ প্রান্তে ছিল। এরপরেও ভাবতাম নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছি। যদি অন্যরকম কিছু হয় (ডির্বোজ), মানুষ খারাপ ভাববে। আর ভালবাসা বলতেই বা কি রইলো। কঠিন দরিদ্রতার মাঝে আমার কুলজুরে আসে কন্যা সন্তান।

স্বামী তেমন কোন কাজকর্ম করতে পারে না। আর একা কাজ করেই বা কি করবে। দরিদ্রতার আর দরিদ্রতা। কি করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। হতশার মধ্যে পড়েছিলাম। কিছু একটা করতে হবে ভেবে। প্রথম অবস্থায় সিদ্ধান্ত নেই, সবজি চাষ করবো। পরে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে সবজি চাষ শুরু করি। প্রথম অবস্থায় মোটামোটি চাষ হয়। সামান্য কিছু আয় হয়। তাতে আমাদের সংসার মোটামোটি ভাবে চলতে থাকে। এরই মাঝে কন্যা সন্তানের পরে আমাদের সংসারে একটি পুত্র সন্তান জম্মগ্রহন করে। দায়িত্ব আরো বেড়ে গেল। সন্তানদের মানুষ করতে হবে।

শুরু হয় দরিদ্রতা বিমোচন করার যুদ্ধ। আমি পেরেছি দরিদ্রতা বিমোচন করতে। এখন আমার দুটি সন্তান মানুষের মত মানুষ হয়েছে। আমাদের কন্যা রোজিনা আক্তার মানিকগঞ্জ সরকারী দেবেন্দ্র কলেজ থেকে অনার্স মাস্টাস শেষ করেছে। মেয়েকে গ্রামেই বিয়ে দিয়েছি। ছেলে, জাহানঙ্গীর আলম বাবু একই কলেজে বিএ অধ্যায়নরত। আমি অনেক খুশি আমার সন্তানদের মানুষের মত মানুষ করতে পেরেছি। আর বর্তমানে আমি সবজি চাষ করে প্রতি বছর  আয় করি ২-৩ লক্ষ টাকা প্রায়। নিজেস্ব জমি কিনেছি। এখন অনেক সুখি আমাদের পরিবার। কিন্তু পোঁকার সংক্রমনে সবজি চাষ ব্যহত হয়। উপজেলা কৃষি অফিসারদের কোন রকমের সহযোগিতা পাচ্ছি না। যদিও বা আসে শুধু টাকা টাকা করে। যে কারনে তাদের সহযোগিতা চাইনা।

সবজি চাষি গৃহকর্তী জাহানারা বেগমের  স্বামী আব্দুল সাত্তার বলেন, আমার স্ত্রীর পরামর্শ অনুসারে এবং উভয়ের সহযোগিতায় আজ আমরা স্বাবলম্বী হয়েছি। এব্যপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লুৎফর রহমান সিক্দার (বিসিএস) বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। যাতে করে সঠিক সেবা পায়। সেই ব্যবস্থা করবো।

 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top