Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮ , সময়- ১১:১৬ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
বিভ্রান্ত করতে বিএনপি নেতাকর্মী ও শয়তানের মধ্যে তফাৎ নাই : যুবলীগ চেয়ারম্যান এত বেশী কেন, বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের দাম ? মামলার তারিখ এলেই খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন : শেখ হাসিনা মামলার তারিখ এলেই খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন : শেখ হাসিনা মামলার তারিখ এলেই খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন : শেখ হাসিনা তালিকাচ্যুতির পাইপ লাইনে আরও ২৫ কোম্পানি বেগম খালেদা জিয়ার জামিন না মঞ্জুর, ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ কুষ্টিয়ার ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক, খুঁজে বের করা হবে : ওবায়দুল কাদের লাল ফিতা, সাদা ফিতার দৌরাত্ম্য বন্ধ সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ

পরিকল্পনায় ছিলো রোকেয়ার পরিবারের সবাইকে মেরে ফেলা


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১০ এপ্রিল ২০১৮ ৩:১৪ পিএম:
পরিকল্পনায় ছিলো রোকেয়ার পরিবারের সবাইকে মেরে ফেলা

রোকেয়া বেগম ও তার ছেলে রবিউল ইসলাম রোকনকে অচেতন করে হত্যা করে তানিয়া-মামুন দম্পতি। স্বামী-স্ত্রী মিলে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে তাদের। তবে হত্যার পরিকল্পনায় ছিলো রোকেয়ার পরিবারের সবাইকে মেরে ফেলা। ভাগ্যবশত বেঁচে যায় শিশু রাইসা।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হরিদাস কুমারের আদালতে নিজেদের জড়িয়ে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় জোড়া খুনের মামলার গ্রেফতার দম্পতি।

আদালতে তারা জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৩০ মার্চ বিকেলে ঝড়ের সময় তার স্বামী মামুনকে নিয়ে রোকেয়ার বাসায় যায় তানিয়া। রাতের খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে। রাত আনুমানিক ২টার দিকে মামুন ছোরা মারে রোকেয়ার গলায়। মৃত্যু নিশ্চিত করতে রোকেয়ার শরীরে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। এরপর তারা রোকেয়ার ছেলে রোকনকে ছুরিকাঘাত করে।

মঙ্গলবার (১০ এপ্রিল) সকালে সিলেট কোতোয়ালি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গৌসুল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, সন্ধ্যায় পিবিআই থেকে আসামি বুঝে পাওয়ার পর রাতেই ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তারা দীর্ঘক্ষণ জবানবন্দি দেয়।

আসামিদের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বোন হিসেবে নিহত রোকেয়া বেগমের বাসায় আশ্রিত ছিলো তানিয়া। রোকেয়া তাকে নিষিদ্ধ পথে নামান। অনৈতিক কাজে বাধ্য করানোয় আক্রোস থেকে খুন করে তারা।

জীবিত উদ্ধার হওয়া রোকেয়া বেগমের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে রাইসাকেও তারা হত্যার উদ্দেশে ঘুমের ঔষধ খাওয়ায় এবং গলা চেপে ধরে। রাইসাও মারা গেছে এমন ধারণায় তারা রাতেই এই বাসা ত্যাগ করে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছোরা রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়।

পুলিশ আরও জানায়, রোকেয়ার ইয়াবা ব্যবসা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি জবানবন্দিতে তুলে ধরা ছাড়াও বিশদ বর্ণনা দেয় তারা। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত ১ এপ্রিল নগরের খারপাড়ার মিতালী ১৫/জে নম্বর বাসা থেকে রোকেয়া বেগম (৪০) ও তার ছেলে রবিউল ইসলাম রোকনের (১৬) মরদেহ এবং নিহত নারীর শিশুকন্যা রাইসাকে (৫) রক্তাক্ত অবস্থায় জীবিত উদ্ধার করা হয়। এদিন রাতেই দুই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রোকেয়ার ভাই ব্যবসায়ী জাকির হোসেন অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার দিন রাতেই দুই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রোকেয়ার ভাই ব্যবসায়ী জাকির হোসেন অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ৩ এপ্রিল রাতে এ মামলায় নাজমুল নামে এক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের পর ৪ এপ্রিল ৭ দিনের রিমাণ্ডে নিয়েছে পুলিশ।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top