Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৮ , সময়- ৬:৩১ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
কবি বেলাল চৌধুরীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক সাংবাদিকের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে : ডিএমপি কমিশনার    রানা প্লাজার ধস : ২৪ এপ্রিল শ্রমিক নিরাপত্তা দিবস ঘোষণার দাবি । প্রজন্মকণ্ঠ দেশের অর্থনীতি শিগগিরই ভারত, মেক্সিকো ও তুরস্কের মতো হবে : সজীব ওয়াজেদ  আজ সানরাইর্জাস হায়দরাবাদের মুখোমুখি মুম্বাই ইন্ডিয়ানস । প্রজন্মকণ্ঠ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুক পেজ হ্যাকড, তারেকের পাসপোর্টকে নিয়ে দেয়া পোস্ট উধাও  এবার গ্লোবাল উইমেন’স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী গাজীপুর সিটি :  মেয়র প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ  শেখ হাসিনার ‘সাহসী ও নির্ভীক নেতৃত্বের’ প্রশংসা করেছেন নরেন্দ্র মোদি শেখ হাসিনা কবি বেলাল চৌধুরী আর নেই । প্রজন্মকণ্ঠ

ডাক্তারদের গাফিলতির কারণে দুই প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ৪:১৮ পিএম:
ডাক্তারদের গাফিলতির কারণে দুই প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

সিলেটে ডাক্তারদের গাফিলতির কারণে দুই প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছে। সিলেটের মীর্জা জাঙ্গালের সেইফওয়ে হাসপাতালে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

মৃত্যুবরণকারী প্রসূতি মায়েরা হচ্ছেন- সিলেটের শাহপরাণ থানাধীন কল্লোগ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী আসমা বেগম (২৩) ও জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের চোলাহাটি গ্রামের ব্যবসায়ী রুবেল হোসেনের স্ত্রী ফয়জুন নাহার চৈতি (২১)। আসমা বেগম শুক্রবার ভোরে ও ফয়জুন নাহার চৈতি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন। 

ডিএমটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সকাল ৯টার দিকে ফয়জুন নাহার চৈতিকে রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির জন্য নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আসমা বেগম ও ফয়জুন নাহার চৈতি দু’জনেই বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে সুস্থ অবস্থায় দুটি সন্তানের জন্ম দেন। পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ডাক্তার মিনতি সিনহা তাদের সিজার করেন। জন্ম নেয়া বাচ্চা দুটি সুস্থ আছে বলে জানা গেছে। শুক্রবার ভোরে প্রায় একই সময়ে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। অবস্থা খারাপ দেখে রোগীদের স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার ডাক্তারের জন্য ধর্ণা দিলেও সেখানে কোনো ডাক্তার ছিলেন না। হাসপাতালের দায়িত্বরত যারা ছিলেন তারা ‘ডাক্তার আসছেন, আসবেন’ বললেও কোনো ডাক্তার আসেনি। আসমার পরিবারের দাবি- ভোরেই আসমার মৃত্যু হয়। 

এদিকে, এই মৃত্যুর সংবাদে ভীত হয়ে পড়েন চৈতির পরিবারের লোকজন। তার অবস্থাও ধীরে ধীরে অবনতি হওয়ায় ডিএমটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তারা তাকে নিয়ে যান রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সকাল ১০টার দিকে এই হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার চৈতিকে মৃত ঘোষণা করেন। রাগীব রাবেয়া হাসপাতালের চিকিৎসকরা বলেন- মৃত অবস্থায়ই চৈতিকে তাদের হাসপাতালে আনা হয়েছে। 

এ ব্যাপারে ডাক্তার মিনতি সিনহা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন- আমি রাতে সিজারের পর দু’জনকেই সুস্থ অবস্থায় রেখে এসেছি। সকালে হঠাৎ করে কি হয়েছে কিছুই বুঝতে পারছি না। এদিকে ঘটনার পর পরই হাসপাতাল থেকে সটকে পরেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এমনকি সেসময়ে কর্তব্যরত কোনো ডাক্তারেরও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top