Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২৬ মে ২০১৮ , সময়- ৬:০০ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্মবার্ষিকী আজ বাংলাদেশে স্রোতের মতো রোহিঙ্গা, সুনামির মতো মাদক পাঠাচ্ছে মিয়ানমার :  ওবায়দুল কাদের  এবার এমপি বদির বেয়াই ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত  বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‌‘বাংলাদেশ ভবন’ উদ্বোধন শেখ হাসিনা ভারত থেকে এক বালতি পানিও আনতে পারেননি : রিজভী আমি সারা বিশ্বের শিশুদের প্রধানমন্ত্রী হতে ওদের ভালোবাসব : প্রিয়াঙ্কা প্রধানমন্ত্রী কোলকাতা যাচ্ছেন আজ  আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আরও নিহত ১০ হাসিনাদি’র সঙ্গে একটি মিটিং রয়েছে, তিস্তা চুক্তির নয় : মুখ্যমন্ত্রী মমতা মাদকের ৩৫০ গডফাদার, শীর্ষে আছে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য বদির নাম

দুদকের বিধিমালায় পরিবর্তন আসছে 


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ১০:৫৩ এএম:
দুদকের বিধিমালায় পরিবর্তন আসছে 

দুর্নীতি দমন কমিশনের বর্তমান বিধিমালায় বৈধ আয়ের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা নেই। আগামীতে এটিসহ আরো কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে যাচ্ছে। অন্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে-উপযুক্ত আদালতের পরিবর্তে সিনিয়র স্পেশাল জজ প্রতিস্থাপন, থানায় দুর্নীতির অপরাধ সংক্রান্ত দায়ের অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সময় বাড়ানো, তদন্তকারী কর্মকর্তার অনুসন্ধান তদারকির জন্য একজন কর্মকর্তা নিয়োগ, তদন্ত কর্মকর্তার অদক্ষতার কারণে বিভাগীয় কার্যক্রম গ্রহণ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তবে বর্তমান বিধিমালা সংশোধনের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছে মতামত চেয়ে পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মতামতের ভিত্তিতে সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা।

দুদক মনে করে, বিদ্যমান আইন অনযায়ী কমিশন স্বাধীন ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। এই সংস্থায় নিজস্ব অনুসন্ধান কর্মকর্তা রয়েছে। শুধু তাই নয়, মামলা পরিচালনা করার জন্য নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট রয়েছে। তফসিলভুক্ত কোনো অপরাধের তদন্ত কার্যক্রম শুরু করার জন্য থানায় মুখাপেক্ষী থাকা কমিশনের এই স্বাধীন ও স্বশাসিত সত্তার পরিপন্থী। যে কারণে দুদক মনে করে থানায় এজাহার দায়েরের অবাধ সুযোগ থাকায় অযথা হয়রানির আশঙ্কা থেকে যায়। এমপি ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীরের মামলা থানায় এজাহার নিয়েও আপিল বিভাগের যে পর্যবেক্ষণ রয়েছে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে দুদক। এই মামলাটি দুদক কার্যালয়ে এজাহার দায়েরের সুযোগ ছিল। যে কারণে থানায় দুর্নীতির অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের সংক্রান্ত বিধিমালায় এ বিষয়ে সংশোধনী আনার চিন্তা-ভাবনা চলছে। আর তা হচ্ছে, বর্তমান বিধিতে যাই থাকুক না কেন, আইনের তফসিলভুক্ত কোনো অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো ব্যক্তির থানায় অভিযোগের ক্ষেত্রে কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না। তবে সংশ্লিষ্ট থানা সেই অভিযোগটি পাওয়ার পর সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করবে। এরপর কমিশন আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সর্বোচ্চ দুই কার্যদিবসের মধ্যে তা কমিশনে পাঠাবে। এ ব্যাপারে কমিশন মনে করে, কমিশনের কার্যালয়গুলোতে ব্যক্তির দাখিল করা অভিযোগ সরাসরি তদন্তের বিধান সেই বিধানগুলোর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এ ছাড়া থানায় দায়ের করা অভিযোগ সরাসরি তদন্তের জন্য গ্রহণ করা হলে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হয়রানির আশঙ্কা থাকে।

জানা গেছে, দুদক আইনের অধীনে অপরাধ বিচারের এখতিয়ার স্পেশাল জজের। প্রতিটি জেলায় দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ স্পেশাল জজ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত। এ ছাড়া প্রতিটি পুরাতন জেলায় আরো একজন করে স্পেশাল জজ নিযুক্ত রয়েছেন। যার স্থানীয় এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট নতুন জেলা পর্যন্ত বিস্তৃত। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে সিনিয়র স্পেশাল জজকে অভিযোগ ও তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণকারী হিসেবে সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। তা না হলে বিশৃঙ্খলা অবস্থা সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে দুদক মনে করে। আইনে যেহেতু তদন্তের সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে, তাই বিধিতে সময়সীমা রাখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য দুদকের। তবে তদন্ত কর্মকর্তা ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করছেন কিনা তা তদারকির জন্য তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগের সঙ্গে সঙ্গে উপপরিচালক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা নিয়োগের ব্যাপারে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে সময় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এর যুক্তি হিসেবে কমিশন মনে করে, অনেক ক্ষেত্রে সম্পদ ও মানি লন্ডারিংয়ের ক্ষেত্রে অভিযোগ অনুসন্ধান করতে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে হয়। যে কারণে অনেক সময় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুসন্ধান কাজ শেষ করা যায় না। তাই প্রয়োজনীয় সময় বাড়ানোর ক্ষমতা থাকা দরকার।

জানা গেছে, বৈধ আয়ের উৎসের পাশাপাশি অবৈধ আয়ের স্থাবর, অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কে বেশ কিছু সংশোধনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। বিদ্যমান বিধিমালায় কোনো ব্যক্তি তার নিজ নামে বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তির নামে এমন কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দখলে রয়েছে কিংবা মালিকানা অর্জন করেছেন যা অসাধু উপায়ে অর্জিত হয়েছে। যদি দেখা যায় তার বৈধ আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ তা হলে নিয়মিত মামলার আগেই তিনি সম্পত্তি স্থানান্তর করেন তা হলে সেটা ক্রোক করা যায় একটি নিদিষ্ট প্রক্রিয়ায়। বিধিমালা সংশোধনীতে তফসিল সব অপরাধলব্ধ সম্পত্তি অবরুদ্ধকরণ কিংবা ক্রোক করার বিধান অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হচ্ছে।

 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top