Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ৯:২৩ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সমালোচনা করার কারণেই খাশগজিকে হত্যা করা হয়  জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৮ দফা কর্মসূচি ঘোষণা  দেশের শান্তি ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি রোধে সবার প্রতি আহ্বান : রাষ্ট্রপতি কারিগরি শিক্ষা ও বিজ্ঞান শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের সংবাদ ৭ দিন বর্জনের আহ্বান : সাংবাদিক নারী সমাজ  সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের নিয়ে ডা. কামালের সরকারবিরোধী ঐক্য ব্যর্থ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় শিশুসহ ৩২ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত আগামী নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা আসছে, জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশ আজ আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বি, জনগণ হৃদয় দিয়ে ভালোবাসে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | প্রজন্মকণ্ঠ মানুষের ভিড়ের ওপর দিয়ে চলে গেল ট্রেন, ৫০ জন নিহত | প্রজন্মকণ্ঠ

‘এক দিনের নেতা’ বানানোর রেকর্ডটি ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগে দখলে 


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ১১:২৪ পিএম:
‘এক দিনের নেতা’ বানানোর রেকর্ডটি ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগে দখলে 

নতুন সম্মেলন শুরুর ‘পায়রা উড়ানোর’ আগের ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে পদ দেওয়া ও কমিটি ভাঙা-গড়ার হিড়িক পড়ে যায়।এই একদিনের নেতা হওয়ার জন্য পড়ে যায় লম্বা লাইন। নেতারা সংগঠনের প্যাড আর সিল সঙ্গে নিয়ে সারাদিন সম্মেলনের বিভিন্ন কাজ সেরেছেন; আর ফটোকপির কাগজে নাম ও পদবীর ফাঁকা জায়গায় শুধু কলমে ভরাট করে পদ বিতরণ করেছেন। এভাবে ইচ্ছেমতো পদ দেওয়ার পেছনে, প্রতি পদে ‘হাজার থেকে লাখ’ টাকার পদ বাণিজ্যের অভিযোগও রয়েছে। 

ঢাকা দক্ষিণে সম্মেলনের দিন সকালে ছয়টি থানায় নতুন কমিটি হয়েছে। আর যারা নেতার ছবিসহ বিলবোর্ড-ব্যানার করেছে, তাদের দেওয়া হয়েছে ‘মৌখিক পদ’।

‘এক দিনের নেতা’ বানানোর সবচেয়ে বেশি রেকর্ডটি ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের দখলে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগে কৌশলে মৌখিক পদ দিলেও উত্তর ছাত্রলীগ পদের সঙ্গে হাতে নামসহ কাগজ ধরিয়ে দিয়েছে। এর পাশাপাশি তাড়াহুড়ো করে মহানগর ছাত্রলীগের দুই অংশ বিভিন্ন থানা ও কলেজ ছাত্রলীগের নতুন কমিটি দিয়েছে। সম্মেলনের দিন সকালে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি-ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ছয়টি থানায় ‘অপ্রস্তুত কমিটি’ দিয়েছেন। দুই থানায় সভাপতিকে বহাল রেখে শুধু সাধারণ সম্পাদক পরিবর্তন করা হয়েছে। 

আজ অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সম্মেলন। এর আগের দিন হয় দক্ষিণ ছাত্রলীগের সম্মেলন। শূন্য পদে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় ছাত্রলীগও নতুন নেতা বানিয়েছে। ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন হবে আগামী ২৯ এপ্রিল।

সম্মেলনের আগের দিন পদ পাওয়া নেতারাও সম্মেলনের সঙ্গে সঙ্গে অন্যসব নেতার মতো সাবেক হয়ে গেছেন। কিন্তু একদিনের পদের জন্য কেন এত দৌড়ঝাঁপ? অনেকে পদ নিয়েছেন টাকার বিনিময়। গঠনতন্ত্রের সঙ্গেও এসব যায় না। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জেলা কমিটি হবে ১৫১ সদস্যের। কিন্তু ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগ, সম্মেলনের দু-একদিন আগে শতাধিক নতুন পদ দিয়েছে। আগেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি ছিল। বর্তমানে মোট কতজন নেতা আছেন, দায়িত্বশীলরা বলতে পারেননি।

পুরো বিষয়টি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ অবগত বলে জানান সংগঠনের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ। তিনি বলেন, অনেক বড় সংগঠন। প্রচুর কর্মী আমাদের। পূর্ণাঙ্গ কমিটির সময় অনেকেই বঞ্চিত হয়েছেন। সম্মেলনের আগে তাদের একটা পরিচয়ের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্যই এমনটি হয়েছে। এতে মন্দের কিছু নেই।

তবে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মেহেদী হাসান রনি বলেন, এভাবে গণহারে কমিটির পদ দেওয়া অগঠনতান্ত্রিক। তারা সম্মেলনের দুই-একদিন আগে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য এভাবে পদ না দিলেও পারত। যারা পদ পেয়েছে, তারা যদি প্রকৃত অর্থেই ছাত্রলীগের রাজনীতি করে থাকে, তাহলে নিশ্চয়ই সম্মেলনেই পদ পেতে পারত। এখন এরকম যাচাই-বাছাই না করে অগঠনতান্ত্রিকভাবে পদ দিলে অনুপ্রবেশকারীরা ঢুকে সংগঠনে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।

সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সায়েম খান এভাবে গণহারে পদ দেওয়ার সমালোচনা করে তার ফেসবুকে লিখেন, ‘গণিমতের মাল ভাগবাটোয়ারার মতো ভাগ হচ্ছে সংগঠনটি। সাংগঠনিক চর্চার মধ্য দিয়ে নেতৃত্ব তৈরি না করে, ভাগের নেতা বানালে সংগঠনের উৎকর্ষতার চেয়ে ব্যক্তি উৎকর্ষতাই বেশি হয়। যারা সংগঠনের চেয়ে ব্যক্তি উৎকর্ষতা বেশি চান তারা ঝোলা ধরতে পারেন। আপনার ঝোলায় পড়লেও পড়তে পারে।’

গত মঙ্গলবার থেকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নতুন পদ পাওয়ার কথা জানিয়ে নিজেদের জাহির করছেন নতুন পদপ্রাপ্ত নেতারা। সংশ্লিষ্ট শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত চিঠিও আসছে ফেসবুকে। শেষ মুহ‚র্তে এভাবে পদ দেওয়ার পেছনে ‘বাণিজ্য’ প্রধান হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগও এসেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের এক সহসভাপতি বলেন, পদ দেওয়ার ইচ্ছে থাকলে আরও আগে দিতে পারত। সম্মেলনের দিন ও আগের দিন কেন পদ দিতে হবে। এখানে অবশ্যই আর্থিক লেনদেনের বিষয় আছে। তাছাড়া এই নতুন নেতাদের অনেকেই নতুন মুখ। অনেককেই আমরা ফেসবুকের মাধ্যমেই চিনলাম।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন বলেন, কমিটির অনেকে চাকরিতে চলে গিয়েছিল, অনেকে বিবাহিত। তাই কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে নতুন করে পদ দেওয়া হয়েছে। গণহারে কমিটির পদ দেওয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, যে পদগুলো ফাঁকা হয়েছে, আমরা শুধু ওই পদগুলোই পূরণ করছি। তবে কত পদ ফাঁকা হয়েছে আর কত পদ দেওয়া হয়েছে তার কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি। পদ বিতরণ হয়েছে সহসম্পাদক, সহসভাপতি আর সদস্য পদের।

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সম্মেলন হয়েছে বৃহস্পতিবার। প্রত্যক্ষদর্শী একটি সূত্র জানায়, বুধবার ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের শীর্ষ এক নেতার কাছে রাজধানীর তোপখানা রোডে তার এক কর্মী পদ চান। সঙ্গে সঙ্গে প্যাড বের করে ওই নেতা তার নাম লিখে সহসম্পাদক পদের কাগজ ধরিয়ে দেন। সেখান থেকে তিনি চলে যান সম্মেলনস্থল খামারবাড়ী কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে। সেখানেও সারা রাত কাজের ফাঁকে ফাঁকে চলছে পদ বিতরণ।

এর আগে মঙ্গলবার সম্মেলনের দিন সকাল ৯টায় ছয়টি থানায় নতুন কমিটি করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগ। এগুলো হলো- ডেমরা থানা, খিলগাঁও মডেল বিশ^বিদ্যালয় কলেজ, আর কে চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ, দনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, চকবাজার থানা, গেণ্ডারিয়া থানা। চকবাজার ও গেণ্ডারিয়া থানার সভাপতি বহাল থাকলেও নতুন মুখ এসেছে সাধারণ সম্পাদক পদে। নতুন ছয়টি কমিটির মধ্যে খিলগাঁও কলেজ দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল। শাহবাগ থানার মতো মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়ে যায়নি। এ নিয়েও এ থানার পদপ্রত্যাশীদের ক্ষোভ রয়েছে। সম্মেলনের কয়েক মুহূর্ত আগে এভাবে নতুন কমিটি করাকে নজিরবিহীন মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন কমিটিতে বাদ পড়া একটি থানার সাধারণ সম্পাদকের কাছে এ বিষয়ে তার মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সম্মেলনের প্রস্তুতির কাজ করে রাতে ঘুমাতে যাই। সম্মেলনে ভোটের প্রস্তুতিও ছিল। আমার থানা থেকে ১২ জন কাউন্সিলরের নাম ও ছবি জমা দেই। সকালে সম্মেলনে গিয়ে দেখি আমার থানায় নতুন কমিটি দিয়ে দিছে। এমন অপ্রস্তুত কমিটি দেখে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ি।’

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা কমিটি ঘোষণা আর তিন নেতার পদত্যাগ- দুটোই ঘটল প্রায় একই সময়ে। আট সদস্যের কমিটিতে যাকে সভাপতি করা হয়েছে, রাজনীতিতে তার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা না থাকা আর সাধারণ সম্পাদকের ছাত্রদল সম্পৃক্ততার অভিযোগে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সদ্য বিদায়ী সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ আট সদস্যের মোহাম্মদ থানা কমিটির ঘোষণা দেন সোমবার রাতে। আর কয়েক ঘণ্টা পরই পদত্যাগ করেন নতুন কমিটির সহসভাপতি শাকিল ইসলাম রাব্বি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক অনিক ও সাংগঠনিক সম্পাদক প্রতীক হাসান শুভ। এক বছরের জন্য অনুমোদিত কমিটির তিনজন সরে দাঁড়ানো নিয়ে সংগঠনের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

পদত্যাগের কারণ জানতে চাইলে শাকিল ইসলাম রাব্বি বলেন, ‘ছাত্রলীগের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার আট বছরের। এই দীর্ঘ সময়ে আমি চেষ্টা করেছি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করে কাজ করার জন্য। আমার মনে হয় অযোগ্য লোকের নেতৃত্ব নিয়ে ছাত্রলীগ চলতে পারে না। যাকে সভাপতি করা হয়েছে তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার মাত্র চার বছরের। তার চাইতেও অনেক যোগ্য  লোককে এই কমিটিতে নিয়ে আসা যেত।’ তিনি আরও বলেন, ‘এছাড়া যাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে (নাইমুল হাসান রাসেল), সে বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের সঙ্গে এক সময় সরাসরি যুক্ত ছিল। তার প্রচুর প্রমাণ আপনাদের (গণমাধ্যমের) কাছেও আছে। এ ধরনের একটি কমিটি দায়িত্ব  পেলে, তা ছাত্রলীগের জন্য কখনোই ভালো হবে না। বরং এরা ছাত্রলীগকে অপমান করবে। তাই সকালে কমিটি দেখার পরই আমি পদত্যাগ করেছি।’

ছাত্রলীগের পদত্যাগী নেতারা জানান, যে রাসেলকে মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে তিনি ২০১৪ সাল অবধি ছাত্রদলের সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িতে ছিলেন। দশম সংসদ নির্বাচনের পর কিছুদিন তিনি রাজনীতি থেকে দূরে থাকেন এবং এরপর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রাজিবের কাছাকাছি আসেন। এরপর তিনি ছাত্রলীগে আসেন।

ছাত্রলীগের যে তিন নেতা পদত্যাগ করেছেন তারা তাদের চিঠিতে সংগঠনে ‘নোংরা রাজনীতির’ অবসান চেয়ে ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

সভাপতি হতে ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র, প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ: এদিকে ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে লক্ষ্মীপুর  জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হওয়ার পাঁয়তারা করছে শাহাদাত হোসেন শরীফ। এমন অভিযোগ জমা পড়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মৌখিকভাবে লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছেন। এতে অভিযুক্ত মো. শাহাদাত হোসেন শরীফকে সভাপতি ও জিয়াউল করিম নিশানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। মৌখিক কমিটির কথা জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের ‘সদ্য বিদায়ী’ সভাপতি চৌধুরী মাহমুদুন্নবী সোহেল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২৪ এপ্রিল মঙ্গলবার রাতে লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক বরাবরে মো. শাহাদাত হোসেন (শরীফ) তার বয়স না থাকায় জাতীয় পরিচয়পত্র জাল করে, বয়স কমিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে উপস্থাপন করে। হালনাগাদ ভোটার তালিকা, ড্রাইভিং লাইসেন্স, একাদশ শ্রেণির রেজিস্ট্রার খাতা এবং আসল পরিচয় পত্রের ফটোকপি সংগ্রহ করে দেখা যায় যে, তাহার আসল জন্ম তারিখ ১৯ আগস্ট ১৯৮৮ কিন্তু তিনি যে জাতীয় পরিচয়পত্র কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ বরাবর উপাস্থাপন করেছেন, তাতে তার জন্ম তারিখ ১৯ আগস্ট ১৯৮৯ করা হয়েছে। এতে লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি বরাবর একটি অভিযোগ দাখিল হয়েছে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top