Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২৬ মে ২০১৮ , সময়- ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ইয়াবা ব্যবসার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, নতুন আইন আসছে ‘ওরে মন, হবেই হবে’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মানসূচক ডি.লিট পাচ্ছেন আজ  যাত্রা শুরু করল বিশ্বভারতীর বাংলাদেশ ভবন মাঠপর্যায়ের জরিপে : বিজয় নিয়ে শঙ্কিত আওয়ামী লীগ, ফুরফুরে বিএনপি  বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্মবার্ষিকী আজ বাংলাদেশে স্রোতের মতো রোহিঙ্গা, সুনামির মতো মাদক পাঠাচ্ছে মিয়ানমার :  ওবায়দুল কাদের  এবার এমপি বদির বেয়াই ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত  বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‌‘বাংলাদেশ ভবন’ উদ্বোধন শেখ হাসিনা ভারত থেকে এক বালতি পানিও আনতে পারেননি : রিজভী

বিষয়টি কি ইচ্ছাকৃত অপপ্রচার - নাকি বোঝার ভুল ?


ডেস্ক রিপোর্ট

আপডেট সময়: ২ মে ২০১৮ ১২:১৯ এএম:
বিষয়টি কি ইচ্ছাকৃত অপপ্রচার - নাকি বোঝার ভুল ?

ফেসবুক স্টাটাস:  কয়েকদিন আগে একটি অনলাইন পোর্টালে একজন শিক্ষক অভিযোগ করেছেনআমি নাকি কল্যাণ ট্রাস্টের টাকায় হেলিকপ্টারে চড়ে শিক্ষকদের বাড়িতে গিয়েকল্যাণ ট্রাস্টের চেক পৌঁছে দিয়ে বাহবা নিচ্ছি । 

তিনি কল্যাণট্রাস্ট নিয়ে আরো কিছু অভিযোগ করেন । এর প্রতিবাদে কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে উপ- পরিচালক একটি প্রতিবাদ পাঠান । সেই প্রতিবাদে হেলিকপ্টারে চড়ে চেক বিতরণের কাল্পনিক অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে ডিডি সাহেব উল্লেখ করেছেন মানবিক কারণে নিজ খরচে কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য সচিব মৃত,অসুস্থ,মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষক কর্মচারীদের কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা সারা দেশে ঘুরে ঘুরে পৌছে দিয়েছেন । সরকারি বিধি অনুযায়ী কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য সচিব যে টাকা পাওয়ার কথা তাও তিনি গ্রহণ করেননি । 

সেখানে প্রসঙ্গক্রমে বর্তমান সরকারের শাসনামলে গৃহীত কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয় । সেখানে উল্লেখ করা হয়েছিল কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১৮ বছরে কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে দেওয়া হয়েছে ২৭৯ কোটি টাকা আর বর্তমান সরকারের সময় গত নয় বছরে প্রদান করা হয়েছে প্রায় ১২শ কোটি টাকা । গত দুই বছরে কল্যাণ এবং অবসর ভাতা বাবদ সরকারি বরাদ্দ পাওয়া গেছে ৮৫০ কোটি টাকা । অতীতে এক টাকাও কোন সরকার দেয়নি ।

আজ এনামুল ইসলাম নামে একজন (তিনি নাকি ফোরাম নামক সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক) তার ফেইস বুক পেইজে ঐ প্রতিবাদের অংশ বিশেষ উল্লেখ করে তিনি বিশাল হিসাব তুলে ধরে কল্যাণ ট্রাস্টের টাকার হিসাবের স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন । আমাদের প্রদর্শিত  হিসাবের তিনি যে  ব্যাখ্যা দিয়েছেন তাতে জনমনে বিভ্রান্তি দেখা দেওয়ার অবকাশ রয়েছে । তিনি লিখেছেন কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে নয় বছরে দেওয়া হয়েছে ১২শ কোটি টাকা । সরকার থেকে বরাদ্দ পাওয়া গেছে ৮৫০ কোটি সে ক্ষেত্রে প্রকৃত অর্থে দেওয়া হয়েছে ৩৫০ কোটি । তিনি হিসাব দেখিয়েছেন নয় বছরে কল্যাণ অবসর বাবদ চাঁদা পাবার কথা কয়েক হাজার কোটি বাকি টাকা অথচ দেওয়া হয়েছে মাত্র ৩৫০ কোটি টাকা  ? 

এ প্রসঙ্গে উল্লেখ আমরা অবসর বোর্ডের হিসাব এখানে আনিনি । শুধু কল্যাণ ট্রাস্টেই ১২০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে । এর মধ্যে সরকারের টাকা মাত্র ৫০ কোটি । সরকার থেকে যে ৮৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য ১০০ কোটি যার ৫০ কোটি এখনো ছাড় হয়নি । বাকী ৭৫০ কোটি অবসর বোর্ডের । এর মধ্যে ৫০০ কোটি সীড মানি । অবসর বোর্ডের হিসাব অবসর বোর্ডই দিতে পারবে । তবে তাদের প্রদত্ত টাকার পরিমাণ সচরাচর কল্যাণ ট্রাস্টের তিনগুণের কাছাকাছি ।  এনামুল সাহেব নিশ্চয়ই জানেন সরকারী সংস্থার প্রতিটি টাকার হিসাব দিতে হয় । প্রতি বছর সরকারী অডিট হয় । 

এরপরও যদি কোন বিষয়ে জানার থাকে আপনারা অফিসে এসে জেনে যান । আপনাদের স্বাগত জানানো হবে । একজন শিক্ষকের তো দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করা উচিত নয় । 
 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top