Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২৬ মে ২০১৮ , সময়- ৬:১৪ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্মবার্ষিকী আজ বাংলাদেশে স্রোতের মতো রোহিঙ্গা, সুনামির মতো মাদক পাঠাচ্ছে মিয়ানমার :  ওবায়দুল কাদের  এবার এমপি বদির বেয়াই ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত  বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‌‘বাংলাদেশ ভবন’ উদ্বোধন শেখ হাসিনা ভারত থেকে এক বালতি পানিও আনতে পারেননি : রিজভী আমি সারা বিশ্বের শিশুদের প্রধানমন্ত্রী হতে ওদের ভালোবাসব : প্রিয়াঙ্কা প্রধানমন্ত্রী কোলকাতা যাচ্ছেন আজ  আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আরও নিহত ১০ হাসিনাদি’র সঙ্গে একটি মিটিং রয়েছে, তিস্তা চুক্তির নয় : মুখ্যমন্ত্রী মমতা মাদকের ৩৫০ গডফাদার, শীর্ষে আছে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য বদির নাম

ছেলের চেয়ে ভাল রেজাল্ট করেও খুশী হতে পারেননি মা 


নাটোর প্রতিনিধি, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ৮ মে ২০১৮ ১:০৮ এএম:
ছেলের চেয়ে ভাল রেজাল্ট করেও খুশী হতে পারেননি মা 

এসএসসি পরীক্ষায় নাটোরের বড়াইগ্রামে মা ও ছেলে অংশ নিয়ে ফলাফলে মা পেয়েছে জিপিএ ৪.২৩ ও ছেলে পেয়েছে জিপিএ ৪.০৬। মা তুলনামূলকভাবে ছেলের চেয়ে ভাল রেজাল্ট করায় ছেলে খুশী হলেও মা খুশী হতে পারেননি। মা তাহমিনা বিনতে হক চেয়েছিলেন তার ছেলে তাওহীদুল ইসলামের আরও ভালো ফলাফল করবে। তবে মা-ছেলের একত্রে পাশ করায় তাদের পরিবারে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। আর এ আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে তাদের গোটা গ্রামে।

জানা যায়, মা তাহমিনা বিনতে হক (৩৫) একজন গৃহিনী। তিনি এবারে বড়াইগ্রাম উপজেলার জোনাইল আইটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে কারিগরী বিভাগ থেকে এবং ছেলে তাওহীদুল ইসলাম (১৬) দ্বারিকুশি প্রতাপপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছিল। তাদের বাড়ি পাশ্ববর্তী গুরুদাসপুর উপজেলার আনন্দনগর গ্রামে। 

তাহমিনার স্বামী ও তাওহীদুলের বাবা আলমগীর হোসেন রঞ্জু জানান, তিনি গুরুদাসপুর উপজেরার চাঁচকৈড় বাজারের একজন সাধারণ ওষুধ ব্যবসায়ী। এক ছেলে, এক মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে তাদের ছোট্ট সংসার। স্ত্রী তাহমিনা নিজ উদ্যোগে বাড়িতে তিনটি গরু ও হাঁস-মুরগী লালন পালন করেন। গরুর জন্য তাহমিনা নিজে চাষ করে ঘাস উৎপন্ন করেন। আর সে ঘাস খেয়ে তাদের একটি গাভী প্রতিদিন প্রায় আট লিটার দুধ দেয়। এছাড়া তাহমিনা বাড়ির পাশে ৬০টি লিচুগাছ ও ১২০টি আমগাছের বাগান দেখাশোনা করেন। 

এই কাজগুলো ছাড়াও নিয়মিত রান্না-বান্না করা, ছেলে-মেয়ের লেখাপড়া সহ তাদের অন্যান্য যত্ন নেয়ার কাজ তো রয়েছেই। এতো কিছুর পরেও তাহমিনার অদ্যম চেষ্টা ছিলো পড়াশুনা করার। পরে সে ছেলের পাশাপাশি নিজেও একটি স্কুলে ভর্তি হন। তারা মা-ছেলে প্রতিদিন গড়ে ৪ ঘন্টা পড়াশুনা করেছেন। তাদের এই ফলাফলের খবর সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই ফুল হাতে অথবা মিষ্টি হাতে মা-ছেলেকে দেখতে আসছেন।

তাহমিনা জানান, এসএসসি’র মতোই মা-ছেলে এইচএসসি পাশ করার লক্ষে কলেজে ভর্তি হবেন। তবে তিনি আগামী এইচএসসি পরীক্ষায় ছেলের আরও ভালো ফলাফল প্রত্যাশা করেন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top