Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ২০১৮ , সময়- ৪:০৮ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
অটলবিহারী বাজপেয়ীর অবস্থা সঙ্কটজনক আলোর গতিতে বাংলার আকাশ ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর নাম গভীর শোক আর শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করলো বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ সরকার গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে - এইচআরডব্লিউ : বিশ্লেষক প্রতিক্রিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিল দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক চক্র : সেলিম জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে : কামরুল নির্বাচনে বিশ্বাস করি, ভোটের লড়াই করে ক্ষমতায় যেতে চাই : মোহাম্মদ নাসিম কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় ৪৮ জন নিহত এখন পর্যন্ত ৪০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু  বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারকে শেষ বিদায় জানালেন বানারীপাড়াবাসী

ছেলের চেয়ে ভাল রেজাল্ট করেও খুশী হতে পারেননি মা 


নাটোর প্রতিনিধি, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ৮ মে ২০১৮ ১:০৮ এএম:
ছেলের চেয়ে ভাল রেজাল্ট করেও খুশী হতে পারেননি মা 

এসএসসি পরীক্ষায় নাটোরের বড়াইগ্রামে মা ও ছেলে অংশ নিয়ে ফলাফলে মা পেয়েছে জিপিএ ৪.২৩ ও ছেলে পেয়েছে জিপিএ ৪.০৬। মা তুলনামূলকভাবে ছেলের চেয়ে ভাল রেজাল্ট করায় ছেলে খুশী হলেও মা খুশী হতে পারেননি। মা তাহমিনা বিনতে হক চেয়েছিলেন তার ছেলে তাওহীদুল ইসলামের আরও ভালো ফলাফল করবে। তবে মা-ছেলের একত্রে পাশ করায় তাদের পরিবারে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। আর এ আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে তাদের গোটা গ্রামে।

জানা যায়, মা তাহমিনা বিনতে হক (৩৫) একজন গৃহিনী। তিনি এবারে বড়াইগ্রাম উপজেলার জোনাইল আইটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে কারিগরী বিভাগ থেকে এবং ছেলে তাওহীদুল ইসলাম (১৬) দ্বারিকুশি প্রতাপপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছিল। তাদের বাড়ি পাশ্ববর্তী গুরুদাসপুর উপজেলার আনন্দনগর গ্রামে। 

তাহমিনার স্বামী ও তাওহীদুলের বাবা আলমগীর হোসেন রঞ্জু জানান, তিনি গুরুদাসপুর উপজেরার চাঁচকৈড় বাজারের একজন সাধারণ ওষুধ ব্যবসায়ী। এক ছেলে, এক মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে তাদের ছোট্ট সংসার। স্ত্রী তাহমিনা নিজ উদ্যোগে বাড়িতে তিনটি গরু ও হাঁস-মুরগী লালন পালন করেন। গরুর জন্য তাহমিনা নিজে চাষ করে ঘাস উৎপন্ন করেন। আর সে ঘাস খেয়ে তাদের একটি গাভী প্রতিদিন প্রায় আট লিটার দুধ দেয়। এছাড়া তাহমিনা বাড়ির পাশে ৬০টি লিচুগাছ ও ১২০টি আমগাছের বাগান দেখাশোনা করেন। 

এই কাজগুলো ছাড়াও নিয়মিত রান্না-বান্না করা, ছেলে-মেয়ের লেখাপড়া সহ তাদের অন্যান্য যত্ন নেয়ার কাজ তো রয়েছেই। এতো কিছুর পরেও তাহমিনার অদ্যম চেষ্টা ছিলো পড়াশুনা করার। পরে সে ছেলের পাশাপাশি নিজেও একটি স্কুলে ভর্তি হন। তারা মা-ছেলে প্রতিদিন গড়ে ৪ ঘন্টা পড়াশুনা করেছেন। তাদের এই ফলাফলের খবর সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই ফুল হাতে অথবা মিষ্টি হাতে মা-ছেলেকে দেখতে আসছেন।

তাহমিনা জানান, এসএসসি’র মতোই মা-ছেলে এইচএসসি পাশ করার লক্ষে কলেজে ভর্তি হবেন। তবে তিনি আগামী এইচএসসি পরীক্ষায় ছেলের আরও ভালো ফলাফল প্রত্যাশা করেন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top