Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৮ , সময়- ৫:১০ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
অটলবিহারী বাজপেয়ীর অবস্থা সঙ্কটজনক আলোর গতিতে বাংলার আকাশ ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর নাম গভীর শোক আর শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করলো বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ সরকার গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে - এইচআরডব্লিউ : বিশ্লেষক প্রতিক্রিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিল দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক চক্র : সেলিম জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে : কামরুল নির্বাচনে বিশ্বাস করি, ভোটের লড়াই করে ক্ষমতায় যেতে চাই : মোহাম্মদ নাসিম কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় ৪৮ জন নিহত এখন পর্যন্ত ৪০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু  বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারকে শেষ বিদায় জানালেন বানারীপাড়াবাসী

‘ভোটের’ নয় সমঝোতায় হচ্ছে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১১ মে ২০১৮ ১২:৫৮ এএম:
‘ভোটের’ নয় সমঝোতায় হচ্ছে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি

ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন শুক্রবার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৩টায় দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন ইউনিটের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করবেন। সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিভিন্ন বর্ণের ব্যানার-ফেস্টুন ও আলোকসজ্জা করা হয়েছে।

ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে সব মহলে বিতর্কের মধ্যে এবার ছাত্রলীগের নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই। এজন্য তিনি সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ খোঁজ-খবর নিয়েছেন। গত তিনটি সম্মেলনে নেতৃত্ব নির্বাচন হয়েছিল ‘ভোটের’ মাধ্যমে। এবার প্রার্থীদের সমঝোতার মাধ্যমে কমিটি ঘোষণা করা হবে। আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এদিকে শুক্রবার বিকেল ৩টায় প্রথমে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, এরপর শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর শোক প্রস্তাব, সাংগঠনিক রিপোর্ট, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনামূলক বক্তৃতার পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সংগঠনের অভিভাবক আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশে দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হবে। তবে সূত্র জানায়, ছাত্রলীগের রেওয়াজ অনুযায়ী দ্বিতীয় অধিবেশনে সাধারণত ভোটপর্ব থাকে। দেশের বিভিন্ন ইউনিটের নির্দিষ্ট ভোটাররা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন। এ বছর কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতা নির্বাচনে ভোটপর্ব না থাকলে প্রথম অধিবেশন শেষে সম্মেলনে দ্বিতীয় দিন কেবল আনুষ্ঠানিকতা থাকবে। তবে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট কোনো ঘোষণা না আসায় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।  

জানা যায়, ইতোমধ্যে ছাত্রলীগের প্রার্থীদের সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করা হয়েছে। আর এ তালিকা নিয়ে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। পারিবারিক রাজনৈতিক অবস্থা, দলীয় আনুগত্যের বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা থেকে পাওয়া প্রার্থীদের নিয়ে তথ্যগুলোও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন সংক্ষিপ্ত অধিবেশনের পর কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষণা আসবে। এবার কেন্দ্রীয় কমিটির পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম একসঙ্গে ঘোষণা হবে।

এর মধ্যে ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ নিয়ে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে। ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের বিভিন্ন ছবি ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। গণমাধ্যমে অনেকের নামে প্রতিবেদন হচ্ছে। অনুপ্রবেশ নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গতকাল গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের মুখোমুখিও হয়েছেন। এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, অনুপ্রবেশের অভিযোগ আসতে পারে, এ অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আমরা খোঁজ নিয়েছি। এখন তো তার টার্ম ওভার হয়ে গেছে। ছাত্রলীগ তাকে কাউন্সিলরদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করেছে, তাই এ বিষয়ে আমরা প্রশ্ন তুলতে পারি না। অনুপ্রবেশ নিয়ে তিনি আরও বলেন, এটা নিয়ে যেসব কথা, নালিশ রয়েছে, সে ব্যাপারে নেত্রীর নির্দেশে আমরা সিরিয়াসলি খতিয়ে দেখছি। নেত্রী নিজেও একটা টিমকে দায়িত্ব দিয়েছেন এ বিষয়ে খতিয়ে দেখতে এবং নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে অনুপ্রবেশকারী কেউ যেন নেতৃত্বে স্থান না পায় সে বিষয়ে কঠোর যাচাই-বাচাই হচ্ছে। সেজন্য আমরা কাজ করছি।

অনুপ্রবেশে যারা সহযোগিতা করেছিল তারা আবারও সুযোগ পেলে তো ফের অনুপ্রবেশ হতে পারে, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। ছাত্রলীগের নেত্রী শেখ হাসিনা, আপনারা যে কথা বলছেন, সেটি তার নলেজে আছে, অভিযোগও এসেছে। তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। ছাত্রলীগ আমাদের সংগঠন, নেতৃত্ব যদি সঠিক না হয়, তাহলে আমরাই খাটো হব জনগণের কাছে। সে বিষয়ে কি আমাদের খেয়াল নেই? যেহেতু এর সাংগঠনিক নেত্রী  শেখ হাসিনা, তাই আমাদের তো মাথাব্যথা আছে।

ছাত্রলীগের নেতৃত্বের বিষয়ে তিনি বলেন, নেত্রী যেখানে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী, আর আমরাও ছাত্রলীগ করে আওয়ামী লীগে এসেছি, আমাদের দায়িত্ব আছে। সম্মেলনে আমাদের সহযোগিতা থাকবে। তাদের নেতৃত্ব তারাই (ছাত্রলীগ) করবে, আর নেত্রী যেহেতু সাংগঠনিক দায়িত্বে আছেন তার নির্দেশেই হবে এবং তিনি যেভাবে চাইবেন সেভাবেই নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে।

ছাত্রলীগে আগামীতে কেমন নেতৃত্ব চান, এমন প্রশ্নে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের অনুভ‚তির সঙ্গে ছাত্রলীগের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে যারা সমন্বয় ঘটাতে পারবে; আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে যারা নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রাখতে পারবে, আমরা ছাত্রলীগে এমন নেতৃত্ব চাই। আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমরা চাই প্রধানমন্ত্রী নিজেই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগসহ গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে কমিটি ঘোষণা করে দিক।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top