Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২৬ মে ২০১৮ , সময়- ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ইয়াবা ব্যবসার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, নতুন আইন আসছে ‘ওরে মন, হবেই হবে’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মানসূচক ডি.লিট পাচ্ছেন আজ  যাত্রা শুরু করল বিশ্বভারতীর বাংলাদেশ ভবন মাঠপর্যায়ের জরিপে : বিজয় নিয়ে শঙ্কিত আওয়ামী লীগ, ফুরফুরে বিএনপি  বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্মবার্ষিকী আজ বাংলাদেশে স্রোতের মতো রোহিঙ্গা, সুনামির মতো মাদক পাঠাচ্ছে মিয়ানমার :  ওবায়দুল কাদের  এবার এমপি বদির বেয়াই ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত  বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‌‘বাংলাদেশ ভবন’ উদ্বোধন শেখ হাসিনা ভারত থেকে এক বালতি পানিও আনতে পারেননি : রিজভী

মাদরাসা সুপারকে প্রকাশ্যে মারধর ও মাথায় মল ঢেলে লাঞ্ছিত 


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১৫ মে ২০১৮ ১:৪২ এএম:
মাদরাসা সুপারকে প্রকাশ্যে মারধর ও মাথায় মল ঢেলে লাঞ্ছিত 

বরিশালের বাকেরগঞ্জে মাদরাসার জমি ও কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে মাদরাসা সুপারকে প্রকাশ্যে মারধর ও মাথায় মল ঢেলে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।

১৪ মে, সোমবার এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন- মিরাজ হোসেন সোহাগ, বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১২নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের কাঁঠালিয়া গ্রামের মৃত মো. হাসেম মুসল্লীর ছেলে মিঞ্জু হাওলদার (৪৫) এবং বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হারুন হাওলাদারের ছেলে বেলাল হোসেন (২৫)। 

গত শুক্রবার সকালে উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সম্প্রতি ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। ঘটনার শিকার কাঁঠালিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মো. আবু হানিফ বাদী হয়ে আটজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

আবু হানিফ বলেন, ‘সেদিন (শুক্রবার) সকালে ফজরের নামাজ শেষে হাঁটতে বের হয়েছিলাম। তখন জাহাঙ্গীর মৃধা ও মাসুম সরদারের নেতৃত্বে অনেকে মিলে আমাকে রাস্তায় আটকে লাঞ্ছিত করে। সামাজিকভাবে আমাকে অসম্মানিত করার জন্য ওরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে।’

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, আবু হানিফ রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। কয়েকজন তার পথ রোধ করেন। এরপর একজন তার মাথার টুপি ও কাঁধের রুমাল খুলে নেন। তখন আবু হানিফ তার মোবাইল ফোন বের করলে একজন এসে ফোনটি কেড়ে নেন। অন্য আরেকজন তার হাত চেপে ধরে রাখেন। তারপর ব্যাগ থেকে একটা হাঁড়ি বের করে মলমূত্র ঢেলে দেন হানিফের মাথায়।

আবু হানিফ বলেন, ‘এই চক্রটি মাদরাসার জমি দখলে ব্যর্থ হয়ে আমার ওপর ক্ষিপ্ত। পাশাপাশি মাদরাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি পদেও এই চক্রের প্রধান জাহাঙ্গীর কোনো পদ না পেয়ে আমাকে নির্যাতন করেছে।’

পুলিশ সুপার সাইফুল বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। খবরটি জানতে পারার পর থেকেই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত ও মামলায় অভিযুক্ত সকলকে গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘যে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে, সেই ভিডিও চিত্রের বাহিরেও অনেকে এই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত। তাদের বিষয়ে আমরা তথ্য পাচ্ছি, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’

এ ঘটনায় জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন ও জাপার কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য বাকেরগঞ্জের এমপি নাসরিন জাহান বিবৃতি দিয়েছেন। এতে তারা বলেন, ‘জাহাঙ্গীর খন্দকার একসময় জাতীয় পার্টি করলেও সে এখন আওয়ামী লীগে। তার সাথে জাতীয় পার্টির কোনো সম্পর্ক নেই।’

জাতীয় পার্টির এই দুই কেন্দ্রীয় নেতা বিবৃতিতে মাদরাসা সুপারকে লাঞ্ছনাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দাবি করেছেন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top