Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৮ , সময়- ৫:০৯ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
অটলবিহারী বাজপেয়ীর অবস্থা সঙ্কটজনক আলোর গতিতে বাংলার আকাশ ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর নাম গভীর শোক আর শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করলো বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ সরকার গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে - এইচআরডব্লিউ : বিশ্লেষক প্রতিক্রিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিল দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক চক্র : সেলিম জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে : কামরুল নির্বাচনে বিশ্বাস করি, ভোটের লড়াই করে ক্ষমতায় যেতে চাই : মোহাম্মদ নাসিম কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় ৪৮ জন নিহত এখন পর্যন্ত ৪০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু  বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারকে শেষ বিদায় জানালেন বানারীপাড়াবাসী

সরকারি সহায়তা পেতে যাচ্ছে প্রেক্ষাগৃহগুলো, বরাদ্দ ৫০ কোটি


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১৭ মে ২০১৮ ১:৩৬ এএম:
সরকারি সহায়তা পেতে যাচ্ছে প্রেক্ষাগৃহগুলো, বরাদ্দ ৫০ কোটি

সরকারি সহায়তা পেতে যাচ্ছে প্রেক্ষাগৃহগুলো। এই সহায়তা প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ দেওয়া হবে ৫০ কোটি টাকা। সিনেমা হলে ডিজিটাল প্রজেক্টর মেশিন বসানো, সেন্ট্রাল সার্ভার ও ই-টিকেটিং সিস্টেমের জন্য খরচ করা হবে বরাদ্দকৃত টাকা। ধারণা করা হচ্ছে প্রথম ধাপে ৬০টি হলে দেওয়া যাবে এই সুবিধা।

বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণের জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে। যে কমিটির সদস্য পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার।

বুধবার (১৬ মে) এফডিসিতে তিনি এসব কথা জানিয়েছেন। গুলজার বলেন, ‘টাকার ওপর নির্ভর করছে কয়টি প্রেক্ষাগৃহে এই সুবিধা দেওয়া যাবে। টাকা বেশি লাগলে কম প্রেক্ষাগৃহে ও টাকা কম লাগলে বেশি প্রেক্ষাগৃহে এই সুবিধা দেওয়া যাবে। মঙ্গলবার (১৫ মে) মন্ত্রণালয়ে আমাদের একটি সভা ছিল। অনেক কথা হয়েছে। আশা করছি আগামী ৬ মাসের মধ্যে প্রেক্ষাগৃহের সমস্যা অনেকাংশে কমে যাবে।’

২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৮টি সংগঠন প্রেক্ষাগৃহে সরকারি প্রজেক্টর মেশিন স্থাপনের জন্য বলে আসছেন। সেই দাবি পূরণ হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন গুলজার।

সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রেক্ষাগৃহে মেশিন বসিয়ে একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান অন্যান্য প্রযোজকদের নাজেহাল করে ফেলছে। মেশিন ভাড়া দিতেই প্রযোজকরা ফতুর হয়ে যাচ্ছেন। একটি সিনেমা বানিয়ে তাদের আর সিনেমা বানানোর ইচ্ছা থাকছে না। সেই সমস্যাগুলোর সমাধান হতে যাচ্ছে। মেশিন তো বসবেই, সেন্ট্রাল সার্ভার ও ই-টিকেটিং সিস্টেমটাও চালু হবে। আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলছি। যারা আমাদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেবে, তাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ শুরু হবে।’

ই-টিকেটিং সিস্টেম চালু হলে, ঘরে বসেই মোবাইলেই দেখা যাবে টিকিট বিক্রির হিসাব নিকাশ।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top