Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণীদের কাঁদিয়ে ‘এবি’ উড়াল দিলেন আকাশে । প্রজন্মকণ্ঠ  কক্সবাজারের টেকনাফে দেশের সবচেয়ে বড় সৌরপ্রকল্প চালু । প্রজন্মকণ্ঠ  জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কিন্তু কেন ?  কক্সবাজারে আত্মসমর্পণ করলেন ৬ দস্যু বাহিনীর ৪৩ সদস্য । প্রজন্মকণ্ঠ শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মায়ের কবরের পাশে চির নিদ্রায় আইয়ুব বাচ্চু  প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সমালোচনা করার কারণেই খাশগজিকে হত্যা করা হয়  জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৮ দফা কর্মসূচি ঘোষণা  দেশের শান্তি ও অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি রোধে সবার প্রতি আহ্বান : রাষ্ট্রপতি কারিগরি শিক্ষা ও বিজ্ঞান শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের সংবাদ ৭ দিন বর্জনের আহ্বান : সাংবাদিক নারী সমাজ 

সরকারি সহায়তা পেতে যাচ্ছে প্রেক্ষাগৃহগুলো, বরাদ্দ ৫০ কোটি


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১৭ মে ২০১৮ ১:৩৬ এএম:
সরকারি সহায়তা পেতে যাচ্ছে প্রেক্ষাগৃহগুলো, বরাদ্দ ৫০ কোটি

সরকারি সহায়তা পেতে যাচ্ছে প্রেক্ষাগৃহগুলো। এই সহায়তা প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ দেওয়া হবে ৫০ কোটি টাকা। সিনেমা হলে ডিজিটাল প্রজেক্টর মেশিন বসানো, সেন্ট্রাল সার্ভার ও ই-টিকেটিং সিস্টেমের জন্য খরচ করা হবে বরাদ্দকৃত টাকা। ধারণা করা হচ্ছে প্রথম ধাপে ৬০টি হলে দেওয়া যাবে এই সুবিধা।

বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণের জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে। যে কমিটির সদস্য পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার।

বুধবার (১৬ মে) এফডিসিতে তিনি এসব কথা জানিয়েছেন। গুলজার বলেন, ‘টাকার ওপর নির্ভর করছে কয়টি প্রেক্ষাগৃহে এই সুবিধা দেওয়া যাবে। টাকা বেশি লাগলে কম প্রেক্ষাগৃহে ও টাকা কম লাগলে বেশি প্রেক্ষাগৃহে এই সুবিধা দেওয়া যাবে। মঙ্গলবার (১৫ মে) মন্ত্রণালয়ে আমাদের একটি সভা ছিল। অনেক কথা হয়েছে। আশা করছি আগামী ৬ মাসের মধ্যে প্রেক্ষাগৃহের সমস্যা অনেকাংশে কমে যাবে।’

২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৮টি সংগঠন প্রেক্ষাগৃহে সরকারি প্রজেক্টর মেশিন স্থাপনের জন্য বলে আসছেন। সেই দাবি পূরণ হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন গুলজার।

সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রেক্ষাগৃহে মেশিন বসিয়ে একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান অন্যান্য প্রযোজকদের নাজেহাল করে ফেলছে। মেশিন ভাড়া দিতেই প্রযোজকরা ফতুর হয়ে যাচ্ছেন। একটি সিনেমা বানিয়ে তাদের আর সিনেমা বানানোর ইচ্ছা থাকছে না। সেই সমস্যাগুলোর সমাধান হতে যাচ্ছে। মেশিন তো বসবেই, সেন্ট্রাল সার্ভার ও ই-টিকেটিং সিস্টেমটাও চালু হবে। আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলছি। যারা আমাদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেবে, তাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ শুরু হবে।’

ই-টিকেটিং সিস্টেম চালু হলে, ঘরে বসেই মোবাইলেই দেখা যাবে টিকিট বিক্রির হিসাব নিকাশ।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top