Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ২১ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ১২:১৫ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
বঙ্গভবনে শপথ নিলেন নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদের ৪৭ সদস্য টানা তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শপথপাঠ করালেন রাষ্ট্রপতি  পারফরমেন্স করতে না পারলে মন্ত্রিত্ব থাকবে না  শতভাগ আওয়ামী লীগের মন্ত্রিসভা, অধিকাংশ নতুন মুখ  প্রেমিকার জন্য রাজসিংহাসন ছাড়লেন সুলতান মুহাম্মদ পুরোবিশ্বে সফল দেশ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ উত্তরায় সড়ক অবরোধ করে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ বিতর্ক নেই, তবুও মন্ত্রিসভায় ঠাঁই মেলেনি যাদের  মন্ত্রিসভা নিয়ে মুখ খুললেন তোফায়েল আহমেদ বড় চমক অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কিত পাঁচ মন্ত্রণালয়ে

আ'লীগের টার্গেট চার সিটিতে নৌকার বিজয় 


প্রজন্মকণ্ঠ বিশেষ প্রতিবেদক

আপডেট সময়: ২৬ মে ২০১৮ ৪:১২ পিএম:
আ'লীগের টার্গেট চার সিটিতে নৌকার বিজয় 

জুলাইয়ের শেষে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিলেট, বরিশাল ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। রোজার মধ্যে অর্থাৎ জুনের প্রথম সপ্তাহের শেষ অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতেই এসব নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর ফলে আগামী ২৬ জুন অনুষ্ঠিত গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আগেই নির্বাচনী উত্তাপ শুরু হচ্ছে এই তিন সিটিতেও। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এসব নির্বাচনের ফল দেশের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। আওয়ামী লীগ বলছে, সরকারের উন্নয়ন প্রচার ও দলীয় ঐক্য নিশ্চিত করতে পারলেই নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত। এজন্য নির্বাচনী প্রচারণায় আনা হচ্ছে নানা কৌশল। 

জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনো সিটিতেই জয় হাতছাড়া করতে চায় না দলটি। ২০১৩ সালের নির্বাচনে খুলনায় তালুকদার আবদুল খালেক, বরিশালে শওকত হোসেন হিরণ, রাজশাহীতে এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, সিলেটে বদরউদ্দিন আহমেদ কামরান এবং গাজীপুরে এডভোকেট আজমত উল্লাহ খান বিএনপির প্রার্থীদের কাছে পরাজিত হন। এবার ৫ সিটিতে জয় ধরে রাখতে আওয়ামী লীগও বেশ সতর্ক। ইতোমধ্যে খুলনায় তালুকদার আবদুল খালেক আসনটি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। রাজশাহী ও সিলেটে খায়রুজ্জামান লিটন এবং বদরউদ্দিন আহমেদ কামরানকে দলের প্রার্থী হিসেবে আগেই সিগন্যাল দেয়া হয়েছে হাইকমান্ড থেকে। 

বরিশালে হিরণের মৃত্যুর ফলে এবার সেখানে নতুন কাউকে মনোনয়ন দেবে আ.লীগ। আর গাজীপুরে আজমত উল্লাহ খানের পরিবর্তে জাহাঙ্গীর আলমকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। দলীয় হাইকমান্ডের আশা, আজমত উল্লাহ এবং জাহাঙ্গীর ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করলে গাজীপুরে নৌকার বিজয় নিশ্চিত হবে।

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তালুকদার আবদুল খালেক নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে জয়ের ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছে বলে মনে করে আওয়ামী লীগ। ২৬ জুন অনুষ্ঠেয় গাজীপুর ও পরবর্তীতে বরিশাল, সিলেট এবং রাজশাহীতেও জয়ের ধারা বজায় রাখতে চায় তারা। সে জন্য মাঠ পর্যায়ে কোন্দল মিটিয়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ ও চাঙ্গা রাখতে কেন্দ্রীয়ভাবে নানা উদ্যোগ নিয়েছে দলটি। 

এ ছাড়া সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধি, সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ব্যাপকহারে ভোটারদের কাছে তুলে ধরারও পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। জানা গেছে, গত সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ

হাসিনা। তিনি বলেন, খুলনায় দলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ছিল বলেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। গাজীপুরেও জয়ী হতে হলে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এ সময় বৈঠকে উপস্থিত গাজীপুরের দুই মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকিকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গাজীপুরে যেন কোনো ঝামেলা না হয়। কোনো ধরনের অজুহাত আমি শুনতে চাই না।

এদিকে গাজীপুরে বিজয় নিশ্চিত করতে স্থানীয় নেতাদের দ্বন্দ্ব নিরসনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নেতৃত্বে ৮টি দল গঠন করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হওয়ার আগেই ঘরোয়াভাবে সব কোন্দল মেটানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক জানান, খুলনা সিটিতে জয়ের পর আমাদের এখন টার্গেট গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জয়ী হওয়া। পর্যায়ক্রমে অন্য সিটি করপোরেশনগুলোতেও জয় পেতে হবে। এজন্য দলের ভেতরকার বিভেদ দূরীকরণসহ সবদিকেই খেয়াল রাখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, কেন্দ্র থেকে নির্বাচনের বিষয়টি কঠোরভাবে মনিটরিং করা হবে। ইতোপূর্বে খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটে আওয়ামী লীগের যারা মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা প্রত্যেকেই ক্লিন ইমেজের। মেয়র থাকাকালীন তারা ব্যাপক উন্নয়ন করেছিলেন। ৫ বছর বিএনপির মেয়র থাকায় কোনো উন্নয়ন হয়নি। ফলে এবার তালুকদার আবদুল খালেককে জনগণ ভোট দিয়ে পুনরায় মেয়র নির্বাচিত করেছেন। মানুষ বুঝেছে আওয়ামী লীগকে ভোট দিলে এলাকার উন্নয়ন হবে। আমরা বিশ^াস করি, প্রতিটি সিটিতেই মানুষ আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়ী করবে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মানুষ এখন অনেক সচেতন। তারা ভালো লিডারশিপ চান। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের যারা প্রার্থী তারা প্রত্যেকেই পরীক্ষিত ও জনবান্ধব লিডার। এলাকার উন্নয়নে তারা ব্যাপক ভ‚মিকা রেখেছেন। ৫টি বছর তাদের অনুপস্থিতি মানুষ উপলব্ধি করতে পেরেছেন। তারা জানেন, বিএনপির কোনো ভবিষ্যৎ নেই।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top