Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৭:৩৯ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ভাসানীর আদর্শকে ধারণ করে দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান  তরুণ ভোটারদের প্রাধান্য দিয়ে প্রণয়ন করা হচ্ছে আ'লীগের ইশতেহার  মওলানা ভাসানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ  বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত করা হয়নি  দাবানলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪, নিখোঁজ সহস্রাধিক রাজনৈতিক দলগুলোর রেকর্ড পরিমান মনোনয়নপত্র বিক্রি ঐক্যফ্রন্ট সংখ্যাগরিষ্ট আসন পেলে কে হবেন প্রধানমন্ত্রী ?  আ’লীগ নেতা রেজনু ও ছাত্রদল নেতা জিলানির ফোনালাপ ফাঁস প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ইসিকে সহযোগিতার নির্দেশনা | প্রজন্মকণ্ঠ আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে চারজন নিহত | প্রজন্মকণ্ঠ

মেক্সিকোর মিউজিয়ামে একসঙ্গে ১১১টি মমি, কারা এরা ! ভিডিও দেখুন


ডেস্ক রিপোর্ট

আপডেট সময়: ২৭ মে ২০১৮ ৩:২৬ পিএম:
মেক্সিকোর মিউজিয়ামে একসঙ্গে ১১১টি মমি, কারা এরা ! ভিডিও দেখুন

বিচিত্র খবর : মমি সব সময়ে যে করা হয় এমন নয়। প্রাকৃতিক কারণেও অনেক সময়ে মৃতদেহ অমরত্ব লাভ করে। সেই উদাহরণ খুব বেশি নয়। হওয়া সম্ভবও নয়। কিন্তু মেক্সিকোর গুয়ানাহুয়াতো শহরে এই ‘অসম্ভব’টি রীতিমতো সম্ভব। এই শহরে রক্ষিত ‘স্বাভাবিক’ মমির সংখ্যা ১১১। 

গুয়ানাহুয়াতোর মমি মিউজিয়ামের খ্যাতিই এই ১১১টি মমির কারণে। কী করে এবং কোথায পাওয়া গেল এই ১১১টি মমি?

মেক্সিকোর প্রাচীন আজটেক সভ্যতায় মমিকরণের প্রচলন ছিল। তাই নিয়ে গল্প-উপন্যাসও কম লেখা হয়নি। কুন্তু গুয়ানাহুযাতোর এই মিমিগুলি মোটেই আজটেক সভ্যতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। এবং এই ১১১টি মমিকে কোনও প্রত্নক্ষেত্র থেকে আমদানিও করা হয়নি। এরা সকলেই স্থানীয় মানুষ এবং এরা মমি হয়েছিল ১৮৩০-এর দশকে। 

১৮৩৩ সালে গুয়ানাহুয়োতোয় কলেরা মহামারী আকারে দেখা দেয়। এত বেশি মানুষ এতে মারা যেতে থাকে যে, তাদের কবর দেওয়াই দায় হয়ে দাঁড়ায়। কলেরা প্রতিরোধের কারণেও মৃতদেহ দ্রুত সৎকার করাটা জরুরি ছিল। কিন্তু বাধ সাধতে শুরু করে সেই শহরের বারিয়াল ট্যাক্স। কবর দিতে গেলে কবরখানা কর্তৃপক্ষকে একটা মোটা টাকা দিতে হত মৃতের পরিবারকে। এই টাকা একবারে অথবা বাৎসরিক কিস্তিতে দেওয়া যেত। কিন্তু যারা দিতে অক্ষম, তাদের প্রিয়জনের মৃতদেহ নিয়ে পড়তে হতো বিপুল দুর্বিপাকে। যারা বেশি টাকা দিত পারত, তাদের পরিজনের মৃতদেহ কবরের জায়গা করে দেওয়া হতো যারা টাকা দিতে পারেনি, তাদের পরিজনের কবর সরিয়ে। 

এই সময়ে লোমিঙ্গো লেরয় নামের এক চিকিৎসক মারা যায়। তাঁর মৃতদেহ কবর থেকে তুলে অন্য মৃতদেহকে জায়গা করে দিতে হয়। কবর থেকে তোলার পরে দেখা যায়, তাঁর মৃতদেহ প্রায় অবিকৃত অবস্থায় রয়েছে। এর পরে ওই কবরখানা থেকে আরও মৃতদেহ তুলে দেখা যেতে থাকে, অনেক মৃতদেহই অবিকৃত অবস্থায় থেকে গিয়েছে। এই মৃতদেহগুলিকে নিয়েই গড়ে ওঠে গুয়ানাহুয়াতোর মমি মিউজিয়ামের সংগ্রহ।

কী কারণে এই মৃতদেহগুলিতে পচন ধরেনি, তাই নিয়ে বিশেষজ্ঞরা আজও তেমন কোনও সঠিক সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি। রে ব্র্যাডবেরির মতো যুগন্ধর সাহিত্যিক গুয়ানাহুয়াতোর এই মমিদের নিয়ে লিখেছেন ‘দ্য নেক্সট ইন লাইন’-এ মতো বিখ্যাত ছোটগল্প। মমি মিউজিয়ামকে তাঁর সিনেমায় স্থান দিয়েছেন জার্মান পরিচালক ওয়ার্নার হারজগ। লিঙ্ক ভিডিও দেখুন
    


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top