Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ , সময়- ২:০৬ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ভোটের মাঠে লড়বেন ১,৮৪১ জন প্রার্থী, স্বতন্ত্র ৯৬ শেখ হাসিনার হ্যাট্রিক নাকি ক্ষমতায় আসছে বিরোধীরা ? বিশ্লেষণে আন্তর্জাতিক মহল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৎ নেতা হিসাবে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত  ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট উন্নয়নের স্বার্থে হোক, শন্তির পক্ষে হোক’ জামিনে মুক্ত ভিকারুননিসার শিক্ষক হাসনা হেনা ময়মনসিংহ মুক্ত দিবস আজ খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে রিটের আদেশ আগামীকাল  মনোনয়নপত্র ফিরে পাচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন শেখ হাসিনা, ১২ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ

বাবুল আক্তারকে বাদ দিয়ে চার্জশিট

বহুল আলোচিত মিতু হত্যা মামলার চার্জশিট দিতে যাচ্ছে গোয়েন্দা পুলিশ


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ৪ জুন ২০১৮ ৬:২৮ পিএম:
বহুল আলোচিত মিতু হত্যা মামলার চার্জশিট দিতে যাচ্ছে গোয়েন্দা পুলিশ

চট্টগ্রাম পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে বাদ দিয়েই আজকালের মধ্যে নগর গোয়েন্দা পুলিশ বহুল আলোচিত মিতু হত্যা মামলার চার্জশিট দিতে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে বাবুল আক্তারকে মামলার বাদী ও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবেই রাখা হচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। আর পলাতক মুসাকে এ ঘটনার মূল আসামি হিসেবে দেখানো হচ্ছে। এর বাইরে আসামির তালিকায় থাকছে অন্তত ৬ জন। তবে, বাবুল আক্তারকে বাদ দিয়ে চার্জশিট দেয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তার শ্বশুর।
 
হত্যাকাণ্ডের দুই বছরের মাথায় এসে মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যা মামলার চার্জশিট দেওয়ার সব ধরনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা গোয়েন্দা পুলিশ। আজ ও কালের মধ্যে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়ে চমক সৃষ্টি করতে চান তদন্তকারী কর্মকর্তা। তবে, সবচেয়ে বড় চমক আসামি তালিকায় থাকছে না মিতুর স্বামী ও সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের নাম।

মামলার তদন্ত-কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘তার ভূমিকা একজন কমপ্লিমেন্ট হিসেবে। এছাড়াও যেসমস্ত কথা-বার্তা বিভিন্নভাবে বের হয়ে আসছে, সেই বিষয়গুলোকে নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।’

মামলার সন্দেহভাজন আসামির মধ্যে ওয়াসিম, আনওয়ার, শাহজাহান এবং এহতেশামূল হক বর্তমানে কারাগারে। এছাড়াও মূল আসামি মূসা সিকদার ও কালু পলাতক। আর জামিনে রয়েছেন আসামি ছায়েদুল আলম ছাক্কু, আবু নসর গুন্নু এবং রবিন। এদিকে, কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা যান আসামি নবী ও রাশেদ।

ঘটনাস্থলের সিটিভির ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হয়েছে মূসা, কালু, ওয়াসিম, আনোয়ার ও নবীকে। তারা কিলিং মিশনে সরাসরি অংশ নিয়েছেন। ছাক্কু হত্যাকারীদের মোটরসাইকেল দেয়। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রিভলভার সরবরাহকারী ছিলেন এহতেশামূল হক।

চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন  সময়নিউজকে বলেন, ‘মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবেন। সেটা কতটুকু নির্ভুল এবং কতটুকু মামলার পরিপন্থী সেই সঙ্গে কতটুকু সম্পূরক সেটা দেখার বিষয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাবুল আক্তার যদি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবে সম্পৃক্ত থাকেন। ওনি (বাবুল) যদি এই মামলার সাক্ষী হন। মামলার প্রমাণের জন্য তিনি স্বপক্ষে সাক্ষী দেবেন না।’

নিহত মিতুর বাবার দাবি, ‘বাবুল আক্তারই তার নিজস্ব লোক দিয়ে মিতুকে হত্যা করিয়েছে।’ অন্যদিকে মহানগর পিপি বলছেন, ‘বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অভিযোগ পাওয়া গেলে চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া ঠিক হবে না।’

নিহত মিতুর বাবা আরো বলেন, ‘বাবুল আক্তার এই রকম অপরাধ করবে, অথবা এর পরিকল্পনা করেছে তারই প্রমাণ হলো- মিতু একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে।’ ২০১৬ সালে শিশু সন্তানকে স্কুলের গাড়িতে তুলে দেওয়ার সময়ে নগরীর জিওসির মোড়ে দুর্বৃত্তরা গুলি ও ছুরিকাঘাতে মিতুকে হত্যা করে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top