Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৬:০৬ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
মহাজোটের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে যাওয়ার শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসছে  প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু আজ  ভোট পর্যবেক্ষণের জন্য আবেদন শেষ তারিখ ২১ নভেম্বর  আ'লীগ যত রকম ১০ নম্বরি করার করুক, ভোট দেবো, ভোটে থাকব : ড. কামাল হোসেন মহাজোটের আসন বণ্টনের আলোচনা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিকট চিঠি   ভাসানীর আদর্শকে ধারণ করে দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান  তরুণ ভোটারদের প্রাধান্য দিয়ে প্রণয়ন করা হচ্ছে আ'লীগের ইশতেহার  মওলানা ভাসানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ  বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত করা হয়নি  দাবানলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪, নিখোঁজ সহস্রাধিক

নূর চৌধুরী'কে দেশে ফেরাতে কানাডার আদালতে মামলা করেছে সরকার


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১৫ জুন ২০১৮ ৮:০০ পিএম:
নূর চৌধুরী'কে দেশে ফেরাতে কানাডার আদালতে মামলা করেছে সরকার

নূর চৌধুরী কিভাবে কানাডায় বসবাস করছে (লিগ্যাল স্ট্যাটাস) সম্পর্কে তথ্য দিতে কানাডা সরকারকে বাধ্য করতে ফেডারেল কোর্ট অব জাস্টিসের আদালতে আবেদন করেছে বাংলাদেশ সরকার।
 
গত ৭ জুন দায়ের করা এই আবেদনে কানাডার এটর্নী জেনারেল (আইনমন্ত্রী) এবং নূর চৌধুরীকে আসামি করা হয়েছে।

 প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, আদালতে দায়ের করা জুডিশিয়াল রিভিউর আবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর মধ্যকার বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের এপ্রিলে কানাডা এবং বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে এ নিয়ে বৈঠক  হয়। আলোচনায় মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত কাউকে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে কানাডা সরকারের সীমাবদ্ধতার বিষয়টি তুলে ধরেন কানাডিয়ান কর্মকর্তারা।কিন্তু কর্মকর্তারা নূর চৌধুরীর বর্তমান আইনি স্ট্যাটাস বিশেষ করে তাকে প্রি-রিমুভ্যাল রিস্ক এসেসমেন্ট স্ট্যাটাস’ দেওয়া হয়েছিলো কী না- সেই তথ্য জানাতে অস্বীকৃতি জানান কানাডিয়ান কর্মকর্তারা।
 
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে অটোয়ায় বাংলাদেশের হাই কমিশনার মিজানুর রহমান নূর চৌধুরীর ‘ প্রি রিমুভ্যাল রিস্ক এসেসমেন্ট’ এর হাল নাগাদ তথ্য জানতে চেয়ে ইমিগ্রেশন মন্ত্রী আহমেদ হোসেনের কাছে চিঠি লিখেন।  কিন্তু মন্ত্রী দুই কারণে  সেই তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। ইমিগ্রেশন মন্ত্রী বলেন, নূর চৌধুরী তার গোপনীয়তা পেতে পারেন এবং কানাডা বাংলাদেশের মধেো কোনো  ‘তথ্য বিনিময় চুক্তি নেই। হাইকমিশনার এর পর তথ্য বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিলে মন্ত্রনালয় ‘গোপনীয়তা’ প্রশ্নে এই আবেদন প্রত্যাখান করে। এরপরই বাংলাদেশ বিষয়টি আদালতে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

জানা গেছে, ফেডারেল কোর্ট অব জাস্টিসে দায়ের করা আবেদনে ইমিগ্রেশন মন্ত্রীর  সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক হিসেবে ঘোষনার দেওয়ার আবেদন জানিয়ে  বাংলাদেশ বলেছে, নুর চৌধুরীর সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশের ব্যাপক জনস্বার্থ সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি কানাডার মন্ত্রী অনুধাবন করতে পারছেন না।

আবেদনে বলা হয়, নূর চৌধুরী বাংলাদেশের জনগনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ  একটি অপরাধে দন্ডিত এবং  বাংলাদেশের নীতিমালা পর্যালোচনা ও কানাডার সঙ্গে  আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়নে এই তথ্য জরুরি।

এই ব্যাপারে জানার জন্য মোবাইল ফোনে কানাডায় বাংলাদেশের হাই কমিশনার মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।  ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও তাঁর কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায় নি।

 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top